Skip to main content

Posts

মাথাপিছু আয় (Per Capita Income, PCI)

  মাথাপিছু আয় (Per Capita Income, PCI) কোনাে দেশের মােট জাতীয় আয়কে জনসংখ্যা দিয়ে ভাগ করলে মাথাপিছু আয় পাওয়া যায়। মাথাপিছু আয় দেশের জনগণের বার্ষিক গড় আয় হিসেবে দেখানাে হয়। জনসাধারণের মাথাপিছু আয়ের ধারণা বিভিন্নভাবে প্রকাশ করা যায়। নির্দিষ্ট সময়ের মােট দেশজ উৎপাদনকে (GDP) মােট জনসংখ্যা দিয়ে ভাগ করলে মাথাপিছু দেশজ উৎপাদন পাওয়া যায়। দ্বিতীয়ত, নির্দিষ্ট সময়ের মােট জাতীয় উৎপাদন (GNP)কে মােট জনসংখ্যা দিয়ে ভাগ করে মাথাপিছু জাতীয় উৎপাদন প্রকাশ করা যায়। আবার উপাদান দামে নিট জাতীয় উৎপাদন থেকে মাথাপিছু নিট আয় পাওয়া যায়। কোনাে দেশের মাথাপিছু আয় চলতি দামে বা ছির। দামে হিসাব করা হয়। মাথাপিছু আয় দেশের অর্থনৈতিক অবস্থার নির্দেশক। কোনাে দেশে সুষম বন্টন ব্যবস্থা বিরাজমান হলে মাথাপিছু আয়ের বৃদ্ধি সেই দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও জনগণের জীবনযাত্রার মানের উন্নতির পরিচায়ক।

Gross Domestic Product, GDP মােট দেশজ উৎপাদন কি?

  মােট দেশজ উৎপাদন (Gross Domestic Product, GDP) আমরা জানি যে, অনেক উৎপাদন প্রতিষ্ঠান বা শিল্প এবং ব্যক্তি বিদেশে দ্রব্য ও সেবাসামগ্রী উৎপাদন করে বা সম্পত্তির মালিক হয়। এসব সম্পত্তি ও দ্রব্যসামগ্রী উৎপাদন করে ব্যক্তি বিশেষের আয় হয়। এই আয় যেহেতু বিদেশে অর্জিত হয়েছে সেহেতু ঐ আয় উপাদানের পারিশ্রমিক হিসাবে অভ্যন্তরীণ | আয়ের মধ্যে নথিভুক্ত করা হয় না। কিন্তু মােট জাতীয় আয়ের মধ্যে তা গণনা করতে হবে। অপরদিকে, বিদেশীরাও দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদন করে ও সম্পত্তির মালিক হয়। স্বভাবত এই বাবদ যে আয় হয় তা GNP গণনার সময় বিয়ােগ করতে হবে। আয় এভাবে সমন্বয় করে নিট আয় ধনাত্মক হলে তা GNP-র হিসাবে আনতে হবে এবং নিট আয় ঋণাত্মক হলে তা GNP থেকে বাদ দিতে হবে। সুতরাং, "GDP=GNP- বিদেশ থেকে অর্জিত সম্পত্তি খাতে নিট আয়+দেশে অবস্থানকারী বিদেশীদের আয়।" GDP থেকে অৰপূর্তি ব্যয় বাদ দিলে নিট দেশজ উৎপাদন বা NDP পাওয়া যায়। প্রসঙ্গত বলা দরকার যে, GDP এবং NDP দুটোই বাজার দাম বা উপাদান দামে হিসাব করা যায়।

অর্থনৈতিক ব্যবস্থা বলতে কি বােঝায়? অর্থনৈতিক ব্যবস্থা বিভিন্নরকম হয় কেন?

  অর্থনৈতিক ব্যবস্থা বলতে কি বােঝায়ঃ মানুষ তার নিজের অস্তিত্বের জন্য এবং নিজের বিকাশের জন্য অনেকরকম তৎপরতায় শামিল হয়। এসবের মধ্যে গিয়ে মানুষ আরও অনেক মানুষের সঙ্গে সম্পর্কিত হয়। এভাবে কখনাে একা কখনাে আরও অনেকের সঙ্গে মানুষ যেসব কাজ করে তার মধ্যে উৎপাদন, ভােগ, বিতরণ, বিনিময় খুব গুরুত্বপূর্ণ। এই কাজগুলােকে একসঙ্গে অর্থনৈতিক কাজ বলে। এই কাজগুলাে সকল মানুষ সকল সময়ে একই রকম করতে পারে না। কি উৎপাদন হবে, কিভাবে উৎপাদন হবে, কার জন্য উৎপাদন হবে এসব বিষয় সকল সময়ে একই থাকে না। পার্থক্যটা তাহলে কিভাবে তৈরি হয়? পার্থক্যটা তৈরি হয় প্রধানতঃ মালিকানা ব্যবস্থার জন্য, এরসঙ্গে সামাজিক নানা নিয়ম-কানুন, বিধিমালা ইত্যাদিও কার্যকর হয়। এই যে মালিকানা ব্যবস্থা, রাষ্ট্রীয় ও সামাজিক ব্যবস্থার মধ্যে মানুষ ব্যক্তিগত ও সমষ্টিগত ভাবে কাজ করে তাকে এক কথায় অর্থনৈতিক ব্যবস্থা বলা যায়। বিভিন্ন অর্থনৈতিক ব্যবস্থা আমরা বর্তমানে যে অর্থনৈতিক ব্যবস্থার মধ্যে বসবাস করছি তাকে সাধারণভাবে বলা হয় 'বাজার অর্থনীতি'। তবে এর আরেকটি নাম আছে, সেটি হল : পুঁজিবাদ। কোন অর্থনৈতিক ব্যবস্থার বয়স কাটায় কাটায় বলা য...

'রাজনীতি ও উন্নয়নে নারী' সাজেশন

  খ বিভাগ ১. নারী নির্যাতন বলতে কি বুঝ ২. সেক্স ও জেন্ডারের মধ্যে পার্থক্য দেখাও ৩. নারীর ক্ষমতায়নে Ngo এর ভূমিকা লিখ ৪. রাজনীতিতে নারীর অংশগ্রহণ বলতে কি বুঝ ৫. জাতীয় সংসদে নারীদের সংরক্ষিত আসনের প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা কর ৬. নারী দশকের লক্ষ্য কি ৭. পুরুষতান্ত্রিক মতাদর্শ কি ৮. নিরাপদ মাতৃত্ব বলতে কি বুঝ ৯. নারীর ক্ষমতায়ন বলতে কি বুঝ ১০. উদারপন্থী নারীবাদ কি ১১. নারী উন্নয়নের এপ্রোচগুলো কী ১২. নারীর অদৃশ্য অবদান কি ১৩. পুজিবাদে নারীর অবস্থান নির্ণয় কর ১৪. শিক্ষাক্ষেত্রে বাংলাদেশে নারীর অবস্থান উল্লেখ কর ১৫. নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে বাংলাদেশ সরকার কতৃক গৃহীত উদ্যোগ গুলো কি ১৬. লিঙ্গভিত্তিক সন্ত্রাসের সংজ্ঞা দাও। গ বিভাগ   ১. নারী ও রাজনীতি অধ্যয়নের প্রয়োজনীয়তা আলোচনা কর। ২. বাংলাদেশের জাতীয় অর্থনীতিতে নারীর অবদান আলোচনা কর। ৩. নারীর উপর বিশ্বায়নের প্রভাব আলোচনা কর। ৪. নারী উন্নয়নে গণমাধ্যমের ভূমিকা আলোচনা কর। ৫. বাংলাদেশের রাজনীতিতে নারীর অংশগ্রহণের প্রতিবন্ধকতা সমূহ আলোচনা কর। ৬. বাংলাদেশের সমাজে নারী নিরাপত্তার হুমকি কি কি। ৭. PFA এর লক্ষ্য, উদ্দেশ্য ও কৌশলসমূহ আলোচনা কর। ৮...

উন্নয়নশীল দেশে লোক প্রশাসন অধ্যয়নের গুরুত্ব আলোচনা কর

লােক প্রশাসন পাঠের গুরুত্বঃ Importance of The Study of Public Administration  বর্তমান রাষ্ট্রীয় কার্যক্রমের প্রসারতার সাথে সাথে লােক প্রশাসনের গুরুত্ব ও প্রয়ােজনীয়তা  ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। বর্তমান রাষ্ট্র আর পুলিশি রাষ্ট্র (Police state) নয়, জনগণের কল্যাণ সাধনের লক্ষ্যে কল্যাণমুখা রাষ্ট্রে   (Welfare state) রূপান্তরিত  হয়েছে। জনগণের কল্যাণ সাধনই রাষ্ট্রের মুখ্য উদ্দেশ্য। এই কল্যাণমুখী কার্যাবলি প্রশাসনের মাধ্যমেই সরকারকে করতে হয়। আর এ দৃষ্টিকোণ থেকে লােক প্রশাসনের গুরুত্ব উত্তরােত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে। বর্তমানে রাষ্ট্র সামাজিক, রাজনৈতিক অর্থনৈতিক, শিল্প, বাণিজ্য প্রভৃতি ক্ষেত্রে ক্রমশ দ্রুত অগ্রসরমান। রাষ্ট্র এখন আর শুধুমাত্র বহিঃশত্রুর আক্রমণ ও অভ্যন্তরীণ সমস্যা থেকে জনগণকে সুরক্ষার সংস্থা নয় বরং বাষ্ট্রের সামগ্রিক উন্নয়ন এবং কল্যাণ সাধনের হাতিয়ার হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে আর হেন কার্যাবলি প্রশাসকদের মাধ্যমেই সম্পন্ন করা হয়। বর্তমানে একজন প্রশাসক শিক্ষাদাতা, পণ্য প্রস্তুতকারী, পণ্য বণ্টনকারী, পণ্য বিনিময়কারী, পথ প্রদর্শনকারী, দক্ষ ব্যবস্থাপক হিসেবে কাজ ...

লোক প্রশাসন ও বেসরকারী প্রশাসনের মধ্যে পার্থক্যসমূহ আলোচনা কর

সরকারি ও বেসরকারি প্রশাসনের মধ্যে পার্থক্যঃ- Dissimilarities Between Public Administration and Private Administration সরকারি ও বেসরকারি প্রশাসনের মধ্যে কতিপয় সাদশ্য লক্ষ্য করা গেলেও উভয় প্রশাসনের মধ্যে রয়েছে বিস্তর পার্থক্য। তবে এই পার্থক্য তাদের পৃথক প্রকরণের চেয়ে পরিমাপক (Most often these are differences in degree rather than in kind). মূলত উভয় প্রশাসনের মধ্যকার বৈসাদৃশ্য নির্ণয়ের ক্ষেত্রে তাদের প্রকৃতি, পরিধি, দৃষ্টিভঙ্গি, ফলাফল, রাজনৈতিক প্রক্রিয়া, প্রশাসনিক কার্যাবলির ধরন প্রতি বিবেচনা করা হয়। Harvey Sherman এর মন্তব্য, "The line between public and private administration is so blurred that it is possible to tell where government leaves off and private business begins." নিম্নে পার্থক্যগুলাে উপস্থাপন করা হলাে :  ক, জনকল্যাণ সম্পর্কিত   সামগ্রিক জনকল্যাণকে সামনে রেখে লােক প্রশাসনের কার্যক্রম পরিব্যপ্ত (Service motive)। পক্ষান্তরে, বেসরকারি প্রশাসনের কার্যক্রম মুনাফাকেন্দ্রিক (Profit motive)। লােক প্রশাসনের কোন  প্রতিষ্ঠানে অস্তিত্ব পরিমাপ করা মুনাফা অর্জনের দ্বা...

মুজিব নগর সরকারের কর্ম তৎপরতা

মুজিবনগর সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ Advisory Council of Mujibnagar Government  মুজিবনগর সরকারকে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ে উপদেশ প্রদান করার জন্য মুক্তিযুদ্ধ সমর্থনকারী বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দকে নিয়ে ৮ সদস্য বিশিষ্ট একটি উপদেষ্টা পরিষদ গঠন করা হয়। পরিষদের কাঠামাে নিম্নরূপ : উপদেষ্টা পরিষদের কাঠামাে। মাওলানা-আবদুল হামিদ খান ভাসানী    -  কমিটির প্রধান   -   ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-ন্যাপ (ভাসানী), চীনপন্থী। তাজউদ্দিন আহমদ  -    আহ্বায়ক  -    মুজিবনগর সরকারের প্রতিনিধি : অধ্যাপক মােজাফফর আহমদ।  -    সদস্য।   -   ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-ন্যাপ (ওয়ালী), মস্কোপন্থী কমরেড মনি সিং    -  সদস্য   -   কমিউনিস্ট পার্টি, মস্কোপন্থী মনােরঞ্জন ধর   -   সদস্য -      পাকিস্তান জাতীয় কংগ্রেস, ভারতপন্থী।  খােন্দকার মােশতাক আহমেদ   -   সদস্য    -  মুজিবনগর সরকারের প্রতিনিধি   ক্যাপ্টেন মনসুর আলী   - ...