Skip to main content

Posts

Showing posts with the label Political and Constitutional Development in Bangladesh (1971 to date)

সাজেশন ।বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক উন্নয়ন । রাষ্ট্রবিজ্ঞান ৩য় বর্ষ

অনার্স ৩য় বর্ষ, বিভাগ রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিষয় : বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক উন্নয়ন বিষয় কোড: 231901 খ বিভাগ: সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ১. . ভারত স্বাধীনতা আইন পাস হয় কবে? ২. কোন কর্মসূচিকে ব্রিটিশ ম্যাগনাকার্টার সঙ্গে তুলনা করা হয়? ৩. মুক্তিযুদ্ধে যৌথ বাহিনীর সর্বাধিনায়ক কে ছিলেন? ৪. বাংলাদেশের প্রথম প্রধান মন্ত্রীর নাম কি ? ৫. অবিভক্ত বাংলার শেষ মূখ্যমন্ত্রী কে ছিলেন ? ৬. মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য কয়টি রাষ্ট্রীয় খেতাব প্রদান করা হয় এবং কি কি? ৭. বঙ্গবন্ধুর জন্ম দিন ও জাতীয় শিশু দিবস পালিত হয় কবে? ৮. বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা সর্ব প্রথম কবে উত্তোলন করা হয়? ৯ . শেখ মুজিবুর রহমান কবে বঙ্গবন্ধু উপাধি পান ? ১০. সর্ব শেষ ব্রিটিশ গর্ভনর জেনারেলের নাম কি? ১১. বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয় কবে? ১২. মুজিব নগর সরকার গঠন করা হয় কবে? ১৩. আওয়ামী লীগের জন্ম হয় কবে? ১৪. EBDO - এর পূর্ণ রূপ কী? ১৫. সর্ব শেষ ব্রিটিশ গর্ভনর জেনারেলের নাম কি? ১৬. বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয় কবে? ১৭. মুজিব নগর সরকারের গঠন ও স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারি করা হয় কবে? ১৮. শহীদ আসাদ কে ছিলেন? ১৯. শেখ মুজিবুর রহমান কবে বঙ্গবন্ধু উপাধি পান...

বাংলাদেশের সংবিধানে প্রদত্ত মৌলিক অধিকারসমূহ আলোচনা কর

The Fundamental Rights Stated in the Constitution of 1972 মৌলিক অধিকার বলতে মানবজীবনের এমন কতকগুলাে অপরিহার্য সুযােগ সুবিধাকে বুঝায়, যেগুলোর সদ্ব্যবহার দ্বারা কোন ব্যক্তি স্বীয় বিকাশের পথ খুজে পায় এবং মানবজীবনকে পরিপূর্ণভাবে উপলব্ধি করতে পারে। সংবিধানের সংশােধন কিবা দেশে জরুরি অবস্থা জারি ছাড়া মৌলিক অধিকারকে ক্ষুন্ন করা যায় না। মৌলিক অধিকারগুলাের পিছনে সমাজ বা রাষ্ট্রীয় কতৃত্বের নিশ্চয়তা থাকে। আরো পড়ুন  বাংলাদেশ সংবিধানে প্রদত্ত মৌলিক অধিকারের গুরুত্ব । বর্তমানে বিশ্বের প্রায় প্রত্যেকটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র তাদের সংবিধানে মৌলিক অধিকার সন্নিবেশিত করেছে। যেমন- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, ভারত প্রভৃতি রাষ্ট্র। বাংলাদেশের সংবিধানও এর ব্যতিক্রম নয়। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানকেও বেশ কিছু মোলিক অধিকার নিয়ে অলঙ্কৃত করা হয়েছে। বাংলাদেশ সংবিধানের তৃতীয় ভাগে ২৭ নং অনুচ্ছেদ থেকে ৪৭(ক) নং অনুচ্ছেদ পর্যন্ত মৌলিক অধিকার লিপিবদ্ধ করা হয়েছে। সংবিধানে উল্লিখিত মৌলিক অধিকারসমূহ নিম্নরূপঃ ১৯৭২ সালের সংবিধানে প্রদত্ত মৌলিক অধিকারসমূহ। ১। আইনের চোখে সমতাঃ সকল নাগরিক আইনের চোখে সমা...

বাংলাদেশ সংবিধানে প্রদত্ত মৌলিক অধিকারের গুরুত্ব লিখ

বাংলাদেশ সংবিধানে প্রদত্ত মৌলিক অধিকারের গুরুত্ব । Importance of the Fundamental Rights Stated in the Constitution of Bangladesh বাংলাদেশে সংবিধানে নাগরিকের যে সকল মৌলিক অধিকারসমূহ সন্নিবেশিত হয়েছে সেগুলাে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নিচে মৌলিক অধিকারের গুরুত্ব আলােচনা করা হলাে : আরো পড়ুন  ১৯৭২ সালের সংবিধানে প্রদত্ত মৌলিক অধিকারসমূহ। প্রথমত, মৌলিক অধিকার নাগরিকদের সচেতন করে তােলে। এর ফলে নাগরিক জীবনের সকল অনিশ্চয়তা দূরীভূত হয়। দ্বিতীয়ত , মৌলিক অধিকার সংবিধানে উল্লেখ থাকায় সরকার নাগরিক অধিকার খর্ব করে স্বেচ্ছাচারী বা স্বৈরাচারী হতে পারে না। এর ফলে শাসক ও শাসিতের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক সৃষ্টি হয়। তৃতীয়ত , সংবিধানে মৌলিক অধিকারসমূহ সন্নিবেশিত থাকায় এগুলাের কার্যকারিতা নিশ্চিত হয়। অর্থাৎ মৌলিক অধিকারসমূহ শাসনতান্ত্রিক আইনে পরিণত হয়। চতুর্থত, মৌলিক অধিকার ভােগের বিনিময়ে নাগরিকরা রাষ্ট্রের প্রতি কর্তব্য পালন করে। এর ফলে রাষ্ট্রের কল্যাণ হয়। পঞ্চমত, মৌলিক অধিকার সংবিধানে উল্লেখ থাকার ফলে সরকারের প্রকৃতি অনুভব করা যায়। যষ্ঠত , মৌলিক অধিকার নাগরিকের ব্যক্তিত্বের বিকাশ ঘটায় যা জাতীয...

বাংলাদেশে অধিক সংখ্যক রাজনৈতিক দল থাকার কারণসমূহ লিখ।

বাংলাদেশে বহুদলীয় ব্যবস্থা বিদ্যমান এবং ক্রমেই এখানে রাজনৈতিক দলের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। রাজনৈতিক দলের এ সংখ্যা বৃদ্ধির পশ্চাতে বেশ কয়েকটি কারণ রয়েছে। এগুলাে নিম্নরূপঃ বাংলাদেশে বিপুল সংখ্যক রাজনৈতিক দল থাকার কারণঃ ১, বাংলাদেশের আর্থ সামাজিক অবস্থা : বাংলাদেশে যেহেতু মূলত পুজিবাদী অর্থ ব্যবস্থা বিরাজমান কাজেই এখানে ধনী ও দরিদ্রের মধ্যকার ব্যবধান রয়েছে অনেক। আর এ ব্যবধান ক্রমেই বেড়ে চলছে। দেশের সমুদয় সম্পদ গুটিকয়েক ব্যক্তি পরিবারের হাতে কুক্ষিগত। এরাই হচ্ছেন দেশের রাজনীতির চালিকাশক্তি (Moving force)। রাজনৈতিক ক্ষমতাসম্পন্ন ব্যক্তিরাই আবার উক্ত ক্ষমতার সুবাদে নিজেদের জন্য অর্থনৈতিক সুযােগ সুবিধা লাভ করতে ব্যস্ত। পক্ষান্তরে, যাদের হাতে রাজনৈতিক ক্ষমতা নেই তারা তা লাভের জন্য সদা সচেষ্ট থাকেন। এ ক্ষমতা লাভের সহজ উপায় হিসেবে তারা দেশের রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করতে অগ্রসর হয়। আর সে উদ্দেশ্যে তারা রাজনৈতিক দল গঠন করেন। ফলে স্বাভাবিকভাবেই রাজনৈতিক দলের সংখ্যা বৃদ্ধি পেতে থাকে। ২। জাতীয় আদর্শের অনৈক্যঃ বাংলাদেশে অনুন্নত রাজনৈতিক সংস্কৃতির উপস্থিতির কারণে জাতীয় আদর্শের ক্ষেত্...

মুজিব নগর সরকারের কর্ম তৎপরতা

মুজিবনগর সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ Advisory Council of Mujibnagar Government  মুজিবনগর সরকারকে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ে উপদেশ প্রদান করার জন্য মুক্তিযুদ্ধ সমর্থনকারী বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দকে নিয়ে ৮ সদস্য বিশিষ্ট একটি উপদেষ্টা পরিষদ গঠন করা হয়। পরিষদের কাঠামাে নিম্নরূপ : উপদেষ্টা পরিষদের কাঠামাে। মাওলানা-আবদুল হামিদ খান ভাসানী    -  কমিটির প্রধান   -   ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-ন্যাপ (ভাসানী), চীনপন্থী। তাজউদ্দিন আহমদ  -    আহ্বায়ক  -    মুজিবনগর সরকারের প্রতিনিধি : অধ্যাপক মােজাফফর আহমদ।  -    সদস্য।   -   ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-ন্যাপ (ওয়ালী), মস্কোপন্থী কমরেড মনি সিং    -  সদস্য   -   কমিউনিস্ট পার্টি, মস্কোপন্থী মনােরঞ্জন ধর   -   সদস্য -      পাকিস্তান জাতীয় কংগ্রেস, ভারতপন্থী।  খােন্দকার মােশতাক আহমেদ   -   সদস্য    -  মুজিবনগর সরকারের প্রতিনিধি   ক্যাপ্টেন মনসুর আলী   - ...

সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়

মুজিবনগর সরকার গঠনের প্রেক্ষাপট ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ বাংলাদেশের জনগণের উপর পাকিস্তান সামরিক বাহিনী কর্তৃক গণহত্যা শুরুর দুদিন পর অর্থাৎ  ২৭ মার্চ ভারতের পার্লামেন্টে প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরাগান্ধী কর্তৃক বাংলাদেশের স্বাধীনতার পক্ষে উত্থাপিত ও সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত এক প্রস্তাব পাস হয়। উক্ত প্রস্তাবে বলা হয় যে, যদি ভারত সরকার জানতে পারে যে, পাকিস্তান কর্তৃক বাঙালিরা আক্রান্ত হয়েছে এবং বাংলাদেশ সরকার গঠন করা হয়েছে, তবে ভারত সরকার বাংলাদেশকে সহযােগিতা করার কথা বিবেচনা করবে। ১৯৭১ সালের ১ এপ্রিল তাজউদ্দিন আহমদ ও ব্যারিস্টার আমীরুল ইসলাম ভারতীয় সীমান্ত রক্ষীর সহায়তায় দিল্লীতে পৌছান। সেখানে তাজউদ্দিন আহমদ প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরাগান্ধীর সাথে সাক্ষাৎ করে দেশের অভ্যন্তরিন সাবিক অবস্থা বর্ণনা করেন ইন্দিরাগান্ধী এ কথাই স্পষ্ট করে দেন বাংলাদেশ সরকার গঠিত হলে ভারত সরকার বাংলাদেশকে সাহায্য করবে। বৈঠক শেষে তাজউদ্দিন আহমদ দিল্লীতে বসে নিজেকে প্রধানমন্ত্রী করে একটি সরকার গঠন করেন এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রহমানকে তার প্রেসিডেন্ট হিসেবে ঘােষণা করেন। অতঃপর তিনি ঘােষণাটি ভারত সরকারের নিকট পেশ করে তাদের স...

বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতা ঘােষণা .. মুক্তিযুদ্ধের প্রারম্ভিক

বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতা ঘােষণা ..  Declaration of Independence by Bangabandhu   স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ইতিহাসে বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতা ঘােষণা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা। আর সেজন্য ২৬ মার্চ, দিনটি বাঙালি জাতির জীবনের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি দিন। মূলত ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতা ঘােষণার পর থেকে এদেশে প্রত্যক্ষ মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়ে যায় এবং ৯ মাসের ব্যবধানে ১৬ ডিসেম্বর এ যুদ্ধের পরিসমাপ্তি ঘটে। আর আমরা | লাভ করি স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ। তাই বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘােষণা এদেশের মুক্তিসংগ্রামের সকল প্রেরণার উৎস। (ক) ২৬ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘােষণা   '' হাসান হাফিজুর রহমান সম্পাদিত 'বাংলাদেশের স্বাধীনত যুদ্ধঃ দলিলপত্র’ শীর্ষক ১৫ খণ্ডে রচিত গন্থে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ সংক্রান্ত দলিলপত্র ও তথ্য সকলিত রয়েছে। বঙ্গবন্ধু প্রদত্ত স্বাধীনতা ঘােষণার বাণীটি উক্ত গ্রন্থে লিপিবদ্ধ আছে। তাই বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের উপর লিখিত উক্ত গ্রন্থ অত্যন্ত মূল্যবান দলিল। উক্ত গ্রন্থের ৩য় খণ্ডের ১ম পৃষ্ঠায় শেখ মুজিব প্রদত্ত বাণীটি সন্নিবেশিত রয়েছে। ১...