Skip to main content

Posts

Showing posts with the label Liberation war

মুজিব নগর সরকারের কর্ম তৎপরতা

মুজিবনগর সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ Advisory Council of Mujibnagar Government  মুজিবনগর সরকারকে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ে উপদেশ প্রদান করার জন্য মুক্তিযুদ্ধ সমর্থনকারী বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দকে নিয়ে ৮ সদস্য বিশিষ্ট একটি উপদেষ্টা পরিষদ গঠন করা হয়। পরিষদের কাঠামাে নিম্নরূপ : উপদেষ্টা পরিষদের কাঠামাে। মাওলানা-আবদুল হামিদ খান ভাসানী    -  কমিটির প্রধান   -   ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-ন্যাপ (ভাসানী), চীনপন্থী। তাজউদ্দিন আহমদ  -    আহ্বায়ক  -    মুজিবনগর সরকারের প্রতিনিধি : অধ্যাপক মােজাফফর আহমদ।  -    সদস্য।   -   ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-ন্যাপ (ওয়ালী), মস্কোপন্থী কমরেড মনি সিং    -  সদস্য   -   কমিউনিস্ট পার্টি, মস্কোপন্থী মনােরঞ্জন ধর   -   সদস্য -      পাকিস্তান জাতীয় কংগ্রেস, ভারতপন্থী।  খােন্দকার মােশতাক আহমেদ   -   সদস্য    -  মুজিবনগর সরকারের প্রতিনিধি   ক্যাপ্টেন মনসুর আলী   - ...

বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতা ঘােষণা .. মুক্তিযুদ্ধের প্রারম্ভিক

বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতা ঘােষণা ..  Declaration of Independence by Bangabandhu   স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ইতিহাসে বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতা ঘােষণা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা। আর সেজন্য ২৬ মার্চ, দিনটি বাঙালি জাতির জীবনের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি দিন। মূলত ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতা ঘােষণার পর থেকে এদেশে প্রত্যক্ষ মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়ে যায় এবং ৯ মাসের ব্যবধানে ১৬ ডিসেম্বর এ যুদ্ধের পরিসমাপ্তি ঘটে। আর আমরা | লাভ করি স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ। তাই বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘােষণা এদেশের মুক্তিসংগ্রামের সকল প্রেরণার উৎস। (ক) ২৬ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘােষণা   '' হাসান হাফিজুর রহমান সম্পাদিত 'বাংলাদেশের স্বাধীনত যুদ্ধঃ দলিলপত্র’ শীর্ষক ১৫ খণ্ডে রচিত গন্থে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ সংক্রান্ত দলিলপত্র ও তথ্য সকলিত রয়েছে। বঙ্গবন্ধু প্রদত্ত স্বাধীনতা ঘােষণার বাণীটি উক্ত গ্রন্থে লিপিবদ্ধ আছে। তাই বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের উপর লিখিত উক্ত গ্রন্থ অত্যন্ত মূল্যবান দলিল। উক্ত গ্রন্থের ৩য় খণ্ডের ১ম পৃষ্ঠায় শেখ মুজিব প্রদত্ত বাণীটি সন্নিবেশিত রয়েছে। ১...

মুক্তিযুদ্ধে বিমান বাহিনী- ১৯৭১ যুদ্ধকৌশল ও সামরিক শক্তির বিন্যাস

১৭. মুক্তিযুদ্ধে বিমান বাহিনীঃ ২৫ মার্চের গণহত্যা - বাংলাদেশ মুক্তিবাহিনী গঠন ১৯৫৪ এর যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন - ৭১ এর অসহযোগ আন্দোলন ক। পাকিস্তান বিমান বাহিনী ত্যাগ করে আসা বাঙ্গালী অফিসার, ক্যাডেট ও বিমানসেনারা সেপ্টেম্বর ১৯৭১ পর্যন্ত। স্থলযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। মােট প্রায় ৩৫ জন অফিসার ও ক্যাডেট এবং প্রায় ৫০০ বিমানসেনা পাকিস্তান পক্ষ ত্যাগ করে মুক্তিযুদ্ধে যােগদান করেন। এইসব বিমান বাহিনীর সদস্যরা যদিও স্থলযুদ্ধে খুবই বিরােচিত ভুমিকা রাখছিলেন। তবুও তাদের মধ্যে একটি স্বাধীন বিমান বাহিনী গঠনের চেতনা খুব প্রবল ভাবে কাজ করছিল। এই চেতনা নিয়েই কিছু সংখ্যক মুক্তিযােদ্ধা পাইলট ভারতীয় বিমান বাহিনী, ভারতীয় সরকার এবং বাংলাদেশ ফোর্সেস (বিডি এফ) এর সাথে বিভিন্ন রকমের আলােচনা চালিয়ে যাচ্ছিলেন। খ। কিলাে ফ্লাইট : ১৯৭১ এর সেপ্টেম্বর এর মাঝামাঝি ভারত সরকার অস্থায়ী বাংলাদেশ সরকারকে একটি স্বাধীন বিমান বাহিনী গঠনের জন্য আমেরিকায় তৈরী ১টি পুরানাে ডিসি-৩ বিমান, কানাডার তৈরী ১টি অটার বিমান এবং ফ্রান্সের তৈরী ১টি এ্যালুয়েট-৩ হেলিকপ্টার দেয়। এর সাথে ভারতের নাগাল্যান্ডের ডিমাপুরে একটি দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের প...

২৫ মার্চের গণহত্যা - বাংলাদেশ মুক্তিবাহিনী

১১. অপারেশন সার্চলাইট ও ২৫ মার্চের গণহত্যাঃ ২৫ মার্চ পাকিস্তান সেনাবাহিনী পূর্ব পাকিস্তানের বড় শহরগুলােতে গণহত্যা শুরু করে। তাদের পূর্বপরিকল্পিত এই। গণহত্যাটি "অপারেশন সার্চলাইট" নামে পরিচিত। এ গণহত্যার পরিকল্পনার অংশ হিসেবে আগে থেকেই পাকিস্তান আর্মিতে কর্মরত সকল বাঙালি অফিসারদের হত্যা কিংবা গ্রেফতার করার চেষ্টা করা হয়। ঢাকার পিলখানায়, ঢাকার রাজারবাগ পুলিশ লাইন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রামের ই বি আর সিসহ সারাদেশের সামরিক আধাসামরিক । সৈন্যদেরকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। এই হত্যাকান্ডের কথা যেন বহির্বিশব না জানতে পারে সে জন্য আগেই সকল বিদেশি সাংবাদিকদের গতিবিধির উপর নিয়ন্ত্রণ আরােপ করা হয় এবং অনেককে দেশ থেকে বের করে দেয়া হয়। তবে ওয়াশিংটন পােস্টের বিখ্যাত সাংবাদিক সাইমন ড্রিং জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বাংলাদেশের রিপাের্ট প্রকাশ করেন। এর মধ্য দিয়ে বিশ্ব এই গণহত্যা সম্পর্কে অবগত হয়। আলােচনার নামে প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়ার কালক্ষেপণও এই গণহত্যা পরিকল্পনারই অংশ ছিল। ২৫ মার্চ রাত প্রায় সাড়ে এগারােটার দিকে পাকিস্তানি বাহিনী তাদের হত্যাযজ্ঞ শুরু করে। পাকিস্তানিদের অপারেশনের অন্...