Skip to main content

Posts

Showing posts with the label Political and constitutional Development in British India (1757 to 1947)

শের-ই বাংলাকে কৃষক-প্রজার মুক্তির অগ্রদূত বলা হয় কেন?

কৃষক-প্রজার মুক্তি দূত: ফজলুল হক ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদী ও ঔপনিবেশিক শাসক ও শােষকগােষ্ঠী ১৭৫৭ সালের পলাশী যুদ্ধের পর তাদের শাসন ও শােষণ ব্যবস্থাকে সুদৃঢ় করার জন্য জমিদার, মজুতদার ও মহাজন শ্রেণীর সৃষ্টি করে। ফলে | এই জমিদার ও মহাজন শ্রেণীই ঔপনিবেশিক ব্রিটিশ সরকারের শক্তির প্রধান উৎস হয়ে দাঁড়ায় এবং প্রায় দু'শ' বছরকাল অত্যাচারী জমিদারের সহায়তায় ব্রিটিশ শােষকগােষ্ঠী এ দেশের সাধারণ কৃষক প্রজাদের উপর নির্মম অত্যাচার ও শােষণের ষ্টিম রােলার চালায়। ব্রিটিশ শােষকগােষ্ঠীর প্রতিনিধি তক্কালীন বড়লাট লর্ড কর্ণওয়ালিশ ১৭৯৩ সালে চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের প্রবর্তন করেন। এই চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের নামে তহশীলদারগণ জমিদারশ্রেণীতে উত্তীর্ন হয়। জমিদারগণ ইচ্ছে মত খাজনা নির্ধারণ এবং আদায়ের সুযােগ পায়। চিরস্থায়ী ব্যবস্থা অনুযায়ী জমিদার প্রজার কাছ থেকে কোটি কোটি টাকা খাজনা আদায় করতে পারত এবং ঔপনিবেশিক সরকারকে | দিতাে মাত্র তিন কোটি টাকা। কিন্তু জমিদার দ্বারা প্রজাপীড়ন রােধ করবার আইনগত কোন ব্যবস্থা না  থাকায় জমিদার হয়ে ওঠেন একজন প্রভাবশালী রাজা। এই টাকা আদায় করার জন্য জমিদারগণ  কৃষক-প্রজা পী...

সাজেশন। ব্রিটিশ ভারতে রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক উন্নয়ন । রাষ্ট্রবিজ্ঞান ২য় বর্ষ

অনার্স ২য় বর্ষ, বিভাগ রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিষয়: ব্রিটিশ ভারতে রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক উন্নয়ন সাজেশন বিষয় কোড: ২২১৯০১ ক বিভাগ: অতিসংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর ১. ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি কখন গঠিত হয়? উত্তর: ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ১৬০০ খ্রিষ্টাব্দে গঠিত হয়। ২. কত খ্রিষ্টাব্দে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ভারতে আগমন করেন? উত্তর: ১৬০১ খ্রিষ্টাব্দে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ভারতে আগমন করেন। ৩. লর্ড ক্লাইভ কে ছিলেন? উত্তর: লর্ড ক্লাইভ কে ছিলেন ইংরেজ সেনাপতি ও গভর্নর। ৪. কত খ্রিষ্টাব্দে পলাশির যুদ্ধ সংঘটিত হয়? উত্তর: ১৭৫৭ খ্রিষ্টাব্দে ২৩ জুন পলাশির যুদ্ধ সংঘটিত হয়। ৫. দ্বৈতশাসন কাকে বলে? উত্তর: ১৭৬৫ খ্রিষ্টাব্দে কোম্পানি দেওয়ানি লাভ করে বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার রাজস্ব এবং নিজামত শাসনের জন্য যে দ্বৈত পদ্ধতির শাসন কাঠামো প্রবর্তন করে তাকে দ্বৈত শাসন বলে। ৬. ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহের নেতা কে ছিলেন? উত্তর: ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহের নেতা ছিলেন ফকির মজনু শাহ। ৭. আলীগড় আন্দেলনের প্রধান রূপকার কে ছিলেন? উত্তর: আলীগড় আন্দেলনের প্রধান রূপকার ছিলেন স্যার সৈয়দ আহমদ খান। ৮. ফরায়েজি আন্দেলনের অগ্রদূত কে? উত্তর: ফরায়েজি আন্দেল...

Explain the Lahore resolution of 1940

Since the formation of the Muslim League in 1906 to protect the social, cultural identity and rights of Indian Muslims, the divisions that began to speak out on behalf of the Muslims began. Eventually there was a demand for a separate state to protect the rights of Muslims. This demand led to the rise of Muslim nationalism in British India. The official announcement of this demand is the Lahore proposal. The speech delivered by Sher-e-Bangla AK Fazlul Huq at the conference of the Muslim League held in Lahore on 23 March 1940 is known as the historic Lahore Proposal. The Lahore resolution had three main points. 1. Each area of India has to be identified separately according to its geographical location. 2. The Muslim-dominated areas of north-west and south-east India need to be identified in such a way that they can later form separate independent and sovereign states. 3. States will ensure the religious, social, cultural, political, economic and administrative security of the minority ...

দ্বৈত শাসন কী? ১৯১৯ সালের দ্বৈত শাসন ব্যবস্থার কার্যকারিতা আলোচনা কর।

দ্বৈত শাসনব্যবস্থা : দ্বৈত শাসনের কথা বলতে সাধারণত দুই ধরনের শাসনব্যবস্থাকে বুঝায়। অন্যদিকে, দ্বৈত । | শাসন বলতে প্রশাসনে দু’টি কর্তৃপক্ষের উপস্থিতি বুঝায়। এছাড়া দ্বৈত শাসনের আলােচনায় Dyarchy শব্দটি এসে যায়। Dyarchy শব্দটি দু’টি গ্রিক শব্দের যৌগিক। Di শব্দের অর্থ Twice বা দুই এবং Archic শব্দের অর্থ Rule বা শাসন। এ থেকে বুঝা যায় যে, Dyarchy শব্দের অর্থ দুই সরকার বা দ্বৈত শাসনব্যবস্থা। দ্বৈত শাসনের মূল কথা হলাে, সরকারের | বিভিন্ন বিষয়সমূহকে দু'ভাগে ভাগ করে শাসন করা। ১৯১৯ সালের ভারত শাসন আইন অনুযায়ী এ প্রাদেশিক সরকারের . বিষয়গুলােকে দু'ভাগে ভাগ করা হয়। যথা : ১. সংরক্ষিত বিষয় (Reserved subject) ও ২. হস্তান্তরিত বিষয় (Transferred subject)। সংরক্ষিত বিষয়সমূহ প্রাদেশিক গভর্নর তার শাসন পরিষদের সহায়তা ও পরামর্শক্রমে শাসন করতেন। সংরক্ষিত বিষয়গুলাে ছিল বিচার, পুলিশ, জল সরবরাহ, অর্থ, কলকারখানা, জলবিদ্যুৎ, সংবাদপত্র, গৃহনির্মাণ, ভূমি রাজস্ব, কৃষি ঋণ ইত্যাদি। অন্যদিকে, হস্তান্তরিত বিষয়সমূহ শিক্ষা, জনস্বাস্থ্য, কৃষি, স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন, পূর্ত বিভাগ, সমবায়, আবগারি বিভাগ ইত...

চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের প্রধান বৈশিষ্ঠগুলো লিখ।

চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের প্রধান বৈশিষ্ট নিম্নে দেয়া হল - ১. জমিদার গণ বংশানুক্রমিক স্থায়ী ও একচ্ছত্র জমির মালিক হবে।এ নিজস্ব জমি তারা যথেচ্ছ ভাবে ব্যবহার বা হস্তান্তর করতে পারবে এবং এতে সরকারি অনুমতির প্রয়োজন হবে না। ২. এ বন্দোবস্তে নিয়ম করা হয় যে, জমির খাজনা চিরস্থায়ী ভাবে এবং একবারই নির্ধারিত হবে। ৩. রায়তগণ হবেন জমিদারদের অধিনস্থ প্রজা। তবে আইনে রায়তদের প্রতি সু ব্যবহার এবং রায়তের সাথে সু সম্পর্ক স্থাপনের জন্য জমিদারদের প্রতি আহবান জানানো হয়।  ৪. প্রজার সাথে তাদের দায়িত্ব অধিকার নির্ধারণে সরকারের কোন সম্মতি নিতে হবে না। ৫. চিরস্থায়ী বন্দোবস্তে বিচার, পুলিশ ও শুল্ক আদায় সংক্রান্ত ক্ষমতা জমিদারদের হাতে না থেকে সরকারের হাতে ন্যস্ত থাকবে। চিরস্থায়ী বন্দোবস্তঃ  ১৭৯৩ সালে কর্নওয়ালিস প্রশাসন কর্তৃক ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি  সরকার ও বাংলার ভূমি মালিকদের (সকল শ্রেণির জমিদার   ও স্বতন্ত্র তালুকদারদের) মধ্যে সম্পাদিত একটি স্থায়ী চুক্তি। এর প্রবক্তা লর্ড কর্নওয়ালিস।  এ চুক্তির আওতায় জমিদার ঔপনিবেশিক রাষ্ট্রব্যবস্থায় ভূ-সম্পত্তির নিরঙ্কুশ স্বত্ব...

১৯৪০ সালের লাহোর প্রস্তাব ব্যাখ্যা কর

লাহোর প্রস্তাব: ভারতীয় মুসলমানদের সামাজিক, সাংস্কৃতিক পরিচিতি এবং অধিকার রক্ষার জন্য ১৯০৬ সালে মুসলিম লীগ গঠিত হওয়ার পর থেকে মুসলমানদের পক্ষে কোথা বলা শুরু করে যা থেকে শুরু হয় বিভাজন। অবশেষে মুসলমানদের অধিকার রক্ষার জন্য আলাদা রাষ্ট্র গঠনের দাবি উঠে। এই দাবির মধ্য দিয়ে ব্রিটিশ ভারতে মুসলিম জাতীয়তাবাদের উত্থান হয়েছিল। এই দাবির আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হচ্ছে লাহোর প্রস্তাব। ১৯৪০ সালের ২৩ মার্চ লাহোরে অনুষ্ঠিত মুসলিম লীগের সম্মেলনে যোগ দিয়ে শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক যে ভাষণ দেন তা ঐতিহাসিক লাহোর প্রস্তাব নামে পরিচিত। লাহোর প্রস্তাবের তিনটি প্রধান বিষয় ছিল। ১. ভারতবর্ষের প্রতিটি এলাকাকে ভৌগলিক অবস্থান অনুযায়ী আলাদাভাবে চিহ্নিত করতে হবে। ২. উত্তর-পশ্চিম এবং দক্ষিণ-পূর্ব ভারতের মুসলিম অধ্যুষিত এলাকাগুলোকে এমনভবে চিহ্নিত করতে হবে যাতে পরবর্তীতে আলাদা স্বাধীন এবং সার্বভৌমত্ব রাষ্ট্র গঠন করতে পারে। ৩. রাষ্ট্রগুলো সংখ্যালগু সম্প্রদায়ের ধর্মীয়, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক এবং প্রশাসনিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে।

১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইন ব্যাখ্যা কর।

কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষেত্রেঃ ১) ভারতীয় যুক্তরাষ্ট্র গঠন : এই আইনে ব্রিটিশ ভারত ও দেশীয় রাজ্যগুলিকে নিয়ে একটি যুক্তরাষ্ট্র গঠনের কথা বলা হয়। দেশীয় রাজ্যগুলির যুক্তরাষ্ট্রে যোগ দেওয়া ঐচ্ছিক হিসাবে গন্য হয়। ২) দ্বিকক্ষবিশিষ্ট আইনসভা : কেন্দ্রে পাঁচ বছর মেয়াদি দ্বিকক্ষবিশিষ্ট আইনসভা গঠনের সিন্ধান্ত নেওয়া হয়। নিম্নকক্ষ ফেডারেল এসেম্বলি ৩৭৫ জন এবং উচ্চকক্ষ কাউন্সিল অব স্টেট ২৬০ জন সদস্য নিয়ে গঠিত হবে বলে ঘোষিত হয়। ৩) সাম্প্রদায়িক নির্বাচন : মুসলিম ও তফসিল সদস্যদের জন্য পৃথক নির্বাচনের ব্যবস্হা করা হয়। ৪) মন্ত্রিপরিষদের দায়িত্ব : গভর্নর জেনারেলের অধীনে একটি কেন্দ্রীয় মন্ত্রিপরিষদের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের শাসনভার দেওয়া হয়। মন্ত্রীরা কাজের জন্য আইনসভার কাছে দায়বদ্ধ থাকবেন বলে জানানো হয়। ৫) শাসন ক্ষমতা বিভক্তিকরণ :  কেন্দ্রীয় সরকারের শাসন ক্ষমতকে সংরক্ষিত ও হস্তান্তরিত এই দুভাগে ভাগ করা হয়। প্রতিরক্ষা, বৈদেশিক, ব্যাংক ইত্যাদি সংরক্ষিত বিষয়ে গভর্নর জেনারেলের হাতে চূড়ান্ত ক্ষমতা দেওয়া হয়। ৬) গভর্নর জেনারেলের চূড়ান্ত ক্ষমতা : গভর্নর জেনারেল শাসন পরিচালনায় ...