Skip to main content

সাজেশন। ব্রিটিশ ভারতে রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক উন্নয়ন । রাষ্ট্রবিজ্ঞান ২য় বর্ষ


অনার্স ২য় বর্ষ, বিভাগ রাষ্ট্রবিজ্ঞান

বিষয়: ব্রিটিশ ভারতে রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক উন্নয়ন
সাজেশন

বিষয় কোড: ২২১৯০১

ক বিভাগ: অতিসংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর
রাষ্ট্রবিজ্ঞান সাজেশন: ব্রিটিশ ভারতে রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক উন্নয়ন



১. ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি কখন গঠিত হয়?
উত্তর: ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ১৬০০ খ্রিষ্টাব্দে গঠিত হয়।

২. কত খ্রিষ্টাব্দে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ভারতে আগমন করেন?
উত্তর: ১৬০১ খ্রিষ্টাব্দে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ভারতে আগমন করেন।

৩. লর্ড ক্লাইভ কে ছিলেন?
উত্তর: লর্ড ক্লাইভ কে ছিলেন ইংরেজ সেনাপতি ও গভর্নর।

৪. কত খ্রিষ্টাব্দে পলাশির যুদ্ধ সংঘটিত হয়?
উত্তর: ১৭৫৭ খ্রিষ্টাব্দে ২৩ জুন পলাশির যুদ্ধ সংঘটিত হয়।

৫. দ্বৈতশাসন কাকে বলে?
উত্তর: ১৭৬৫ খ্রিষ্টাব্দে কোম্পানি দেওয়ানি লাভ করে বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার রাজস্ব এবং নিজামত শাসনের জন্য যে দ্বৈত পদ্ধতির শাসন কাঠামো প্রবর্তন করে তাকে দ্বৈত শাসন বলে।

৬. ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহের নেতা কে ছিলেন?
উত্তর: ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহের নেতা ছিলেন ফকির মজনু শাহ।

৭. আলীগড় আন্দেলনের প্রধান রূপকার কে ছিলেন?
উত্তর: আলীগড় আন্দেলনের প্রধান রূপকার ছিলেন স্যার সৈয়দ আহমদ খান।

৮. ফরায়েজি আন্দেলনের অগ্রদূত কে?
উত্তর: ফরায়েজি আন্দেলনের অগ্রদূত ছিলেন হাজি শরীয়তুল্লাহ।

৯. ব্রাক্ষ্মসমাজের প্রতিষ্ঠাতা কে ছিলেন?
উত্তর: ব্রাক্ষ্মসমাজের প্রতিষ্ঠাতা রাজা ছিলেন রামমোহন রায়।

১০. সর্বভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠাতা কে ছিলেন?
উত্তর: সর্বভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন অ্যালান অক্টোভিয়ান হিউম।

১১. ১৯০৫ সাল কেন বিখ্যাত?
উত্তর: ১৯০৫ সাল বঙ্গভঙ্গের জন্য বিখ্যাত।

১২. কত সালে বঙ্গভঙ্গ রদ করা হয়?
উত্তর: ১৯১১ সালের ১২ ডিসেম্বর বঙ্গভঙ্গ রদ করা হয়।

১৩. অটোমান সম্রাজ্য বলতে কোন দেশকে বোঝানো হয়েছে?
উত্তর: অটোমান সম্রাজ্য বলতে তুরস্ককে বোঝানো হয়েছে।

১৪. অসহযোগ আন্দেলনে নেতৃত্ব দেন কে?
উত্তর: অসহযোগ আন্দেলনে নেতৃত্ব দেন মহাত্মা গান্ধী।

১৫. বাংলা প্রদেশের প্রথম মুখ্যমন্ত্রী নিযুক্ত হন কে?
উত্তর: বাংলা প্রদেশের প্রথম মুখ্যমন্ত্রী নিযুক্ত হন শেরে বাংলা এ. কে.ফজলুল হক।

১৬. ‘নিখিল বঙ্গপ্রজা সমিতি’ কে গঠন করেন?
উত্তর: ‘নিখিল বঙ্গপ্রজা সমিতি’ স্যার আব্দুর রহিম গঠন করেন।

১৭. অবিভক্ত বাংলার শেষ মুখ্যমন্ত্রী কে ছিলেন?
উত্তর: অবিভক্ত বাংলার শেষ মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী।

১৮. কত সালে প্রথম বিশ^যুদ্ধ হয়?
উত্তর: ১৯১৪ সালে প্রথম বিশ^যুদ্ধ হয়।

১৯. ১৯১৯ সালের ভারত শাসন আইনের অপর নাম কী?
উত্তর: ১৯১৯ সালের ভারত শাসন আইনের অপর নাম মন্টেগু-চেমসফোর্ড সংস্কার আইন।

২০. ‘বেঙ্গল প্যাক্ট’ কত সালে স্বাক্ষরিত হয়?
উত্তর: ‘বেঙ্গল প্যাক্ট’ ১৯২৩ সালে ১৬ ডিসেম্বর স্বাক্ষরিত হয়?

২১. কার উদ্যোগে বেঙ্গল প্যাক্ট চুক্তি সম্পাদিত হয়?
উত্তর: কংগ্রেস নেতা চিত্তরঞ্জন দাশের উদ্যোগে বেঙ্গল প্যাক্ট চুক্তি সম্পাদিত হয়।

২২. প্রথম গালটেবিল বৈঠক কোথায় অনুষ্ঠিত হয়?
উত্তর: প্রথম গালটেবিল বৈঠক লন্ডনে অনুষ্ঠিত হয়?

২৩. কত সালে আইনে কেন্দ্রে দ্বৈতশাসন প্রবর্তিত হয়?
উত্তর: ১৯৩৫ সালে আইনে কেন্দ্রে দ্বৈতশাসন প্রবর্তিত হয়।

২৪. লাহোর প্রস্তাব উন্থাপন করেন কে?
উত্তর: লাহোর প্রস্তাব উন্থাপন করেন বাংলার কৃতী সন্তান এ. কে.ফজলুল হক।

২৫. দ্বি-জাতি তত্ত্বের প্রবক্তা কে ছিলেন?
উত্তর: দ্বি-জাতি তত্ত্বের প্রবক্তা ছিলেন মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ।

২৬. ১৯৪৬ সালের মন্ত্রিমিশনের প্রধান কে ছিলেন?
উত্তর: ১৯৪৬ সালের মন্ত্রিমিশনের প্রধান ছিলেন স্যার স্ট্যাফোর্ড ক্রিপস।

২৭. বড়লাট মাউনাটব্যাটেনের শাসনতান্ত্রিক পরিকল্পনা কী নামে পরিচিত?
উত্তর: বড়লাট মাউনাটব্যাটেনের শাসনতান্ত্রিক ৩জুন পরিকল্পনা নামে পরিচিত।

২৮. ৩রা জুন পরিকল্পনা কী?
উত্তর: ভারতের সাম্পদায়িক পরিস্থিতি অবলোকন করে মাউন্টব্যাটেন ব্রিটিশ সরকারের সাথে পরামর্শ করে যে গুরুত্বপূর্ণ পরিকল্পনা প্রণয়ন করেন ইতিহাসে তা মাউন্টব্যাটেন পরিকল্পনা ৩জুন নামে পরিচিত।

২৯. ব্রিটিশ ভারতের সর্বশেষ ‘ভাইসরয়’ কে ছিলেন?
উত্তর: ব্রিটিশ ভারতের সর্বশেষ ‘ভাইসরয়’ ছিলেন লর্ড মাউন্টব্যাটেন।

৩০. The Spirit of Islam গ্রন্থটির লেখক কে?
উত্তর: The Spirit of Islam গ্রন্থটির লেখক সৈয়দ আমির আলি।

খ বিভাগ: সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন

১. ভারতে কীভাবে বৃটিশ শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়?
২. ১৭৫৭ সালে পলাশির যুদ্ধে সিরাজউদ্দৌলার পরাজয়ের কারণসমূহ আলোচনা কর।
৩. সংক্ষেপে পলাশির যুদ্ধের পটভূমি লেখ।
৪. দ্বৈত শাসনব্যবস্থা বলতে কী বোঝ?

দ্বৈত শাসন
৫. চিররস্থায়ী বন্দোবস্তের ফলাফল বর্ণনা কর।
৬. নীলবিদ্রোহ সম্পর্কে সংক্ষেপে আলোচনা কর।
৭. আলিগড় আন্দোলন কী?
৮. সমাজ সংস্কারে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের অবদান উল্লেখ কর।
৯. ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য কী ছিল?
১০. বঙ্গভঙ্গ (১৯০৫) কী?
১১. খেলাফত আন্দোলনের ব্যর্থতার কারণসমূহ লেখ।
১২. শের-ই বাংলাকে কৃষক-প্রজার মুক্তির অগ্রদূত বলা হয় কেন?
১৩. জিন্নাহর ‘দ্বিজাতি তত্ত্ব’ ব্যাখ্যা কর।
১৪. বেঙ্গল প্যাক্ট কী?
১৫. প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন কী?
১৬. লাহোর প্রস্তাবের বৈশিষ্ট্যসমূহ আলোচনা কর।
১৭. ক্রিপস মিশন কী?
১৮. মন্ত্রী মিশন পরিকল্পনা কী?
১৯. মাউন্ট ব্যাটেন পরিকল্পনার বৈশিষ্ট্যগুলো লিখ।


গ বিভাগ: রচনামূলক প্রশ্ন

১. ১৭৫৭ সালে পলাশির যুদ্ধে সিরাজউদ্দৌলার পরাজয়ের কারণসমূহ আলোচনা কর।
২. ১৮৫৭ সালের সিপাহী বিদ্রোহের কারণ ও ফলাফল আলোচনা কর।
৩. সমাজকল্যাণের ক্ষেত্রে ঈশ^রচন্দ্র বিদ্যাসাগরের অবদান আলোচনা কর।
৪. ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস প্রতিষ্ঠার পটভূমি আলোচনা কর।
৫. বঙ্গভঙ্গ রদের কারণ ও প্রতিক্রিয়া আলোচনা কর।
৬. ১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গের কারণ ও ফলাফল বর্ণনা কর।
৭. ১৯০৬ সালে মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যসমূহ আলোচনা কর।
৮. খিলাফত কী? খিলাফত আন্দোলনের কারণ ও গুরুত্ব আলোচনা কর।
৯. খিলাফত আন্দোলনের কারণ কী? উপমহাদেশের মুসলিম রাজনীতির ওপর এর প্রভাব আলোচনা কর।
১০. অসহযোগ আন্দোলনের কারণ ও ফলাফল আলোচনা কর।
১১. স্বায়ত্তশাসন সংক্রান্ত লর্ড রিপনের প্রস্তাবের প্রেক্ষাপট উল্লেখপূর্বক প্রস্তাব আলোচনা কর।
১২. ১৮৯২ সালের ভারতীয় কাউন্সিল আইনের পটভূমি কী ছিল? এ আইনের প্রধান বৈশিষ্ট্যসমূহ আলোচনা কর।
১৩. লক্ষ্মৌ চুক্তির বৈশিষ্ট্যসমূহ তুলে ধর।
১৪. ভারতীয় উপমহাদেশে সাংবিধানিক অগ্রগতির ক্ষেত্রে ১৯১৬ সালের লক্ষ্মৌ চুক্তির গুরুত্ব বর্ণনা কর।
১৫. ১৯১৯ সালের ভারত শাসন আইনের প্রধান বৈশিষ্ট্যসমূহ আলোচনা কর।
১৬. দ্বৈত শাসন কী? ১৯১৯ সালের দ্বৈত শাসনব্যবস্থার কার্যকারীতা আলোচনা কর।
১৭. বেঙ্গল প্যাক্ট কী? ১৯২৩ সালের বেঙ্গল প্যাক্টের শর্তাবলী বর্ণনা কর।
১৮. ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনের বৈশিষ্ট্যসমূহ আলোচনা কর।

উত্তরঃ- ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইন

১৯. ১৯৪০ সালের লাহোর প্রস্তাবের বৈশিষ্টসমূহ আলোচনা কর।

১৯৪০ সালের লাহোর প্রস্তাব
২০. ১৯৪২ সালের ক্রিপস মিশনের সাংবিধানিক প্রস্তাবসমূহ আলোচনা কর। এ প্রস্তাবসমূহ ব্রিটিশ ভারতের প্রধান প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর ওপর কেমন প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছিল?
২১. মন্ত্রী মিশন পরিকল্পনার বৈশিষ্ট্যসমূহ লেখ। এ পরিকল্পনা কেন ব্যর্থ হয়েছিল?

Comments

Popular posts from this blog

রাজনীতি অধ্যয়নে গতানুগতিক পদ্ধতি ও আধুনিক পদ্ধতির পার্থক্য

গতানুগতিক ও আধুনিক পদ্ধতির পার্থক্য :  রাজনীতি বিশ্লেষণে গতানুগতিক ও আধুনিক পদ্ধতির মধ্যে পার্থক্য আলােচনা করা হলাে :   ১, রাজনীতির সংজ্ঞা ও প্রকৃতিগত পার্থক্য : গতানুগতিক পদ্ধতির অনুসারিগণ রাজনীতির সংজ্ঞা ও প্রকৃতি নির্ধারণ করেছেন রাষ্ট্র, সরকার ও সার্বভৌমত্ব ইত্যাদির নিরিখে । তাদের সংজ্ঞা ছিল খুবই সংকীর্ণ। অন্যদিকে, আধুনিক পদ্ধতির অনুসারিগণ রাজনৈতিক ক্ষমতা, কর্তত্ব, প্রভাব এবং বিরোধের প্রেক্ষাপটে সংজ্ঞায়িত করার প্রয়াস করেছেন। আধুনিক সংজ্ঞায় রাজনীতির পরিধি ব্যাপক ও বিস্তৃত। সুতরাং রাজনীতির সংজ্ঞা ও প্রকৃতিগত দিক থেকে উভয় পদ্ধতির মধ্যে 'পার্থক্য লক্ষণীয়। ২, উদ্দেশাগত পার্থক্যঃ গতানুগতিক পদ্ধতির উদ্দেশ্য ছিল আদর্শ রাজনৈতিক জীবনের অনুসন্ধান করা। কোনটি মহৎ এবং আদর্শরূপ তাই তখন অনুসন্ধান করা হতাে। কিন্তু আধুনিক পদ্ধতির লক্ষ্য হলাে বাস্তবভিত্তিক ঘটনার উপস্থাপন। এখানে অভিজ্ঞতালব্ধ ও প্রয়োগযোগ্য তত্ত্ব গঠনের লক্ষ্যে রাজনৈতিক অনুসন্ধান কার্য পরিচালিত হয়। ৩. পদ্ধতিগত পার্থক্য : গতানুগতিক অধ্যয়ন পদ্ধতির ক্ষেত্রে পদ্ধতি হিসেবে ব্যবহৃত হতাে দার্শনিক, ঐতিহাসিক, অবরােহমূলক, ত...

এলিট বলতে কী বুঝ? মসকা ও প্যারেটোর এলিট তত্নের একটি তুলনামূলক আলােচনা তুলে ধর।

এলিট (Elite) : এটি শটির আভিধানিক অর্থ হলাে উৎকৃষ্ট শ্রেণির ব্যাক্তিবর্গ। সাধারণত এলিট বলতে সমাজের সেসব ব্যাক্তিবর্গকে বুঝায় যারা সমাজে এখন বিশেষ স্থান দখল করে মানসম্মান ও প্রভাব প্রতিপত্তি বিস্তার করে বসবাস করেন। প্রামান্য সংজ্ঞা : বিভিন্ন চিন্তাবিদ ও দার্শনিক বিভিন্নভাবে এলিটদের সংজ্ঞা প্রদান কৰোছেন। নিম্নে তাদের কতিপয় সংজ্ঞা উপস্থাপন করা হলাে। T, B Battomore এর মতে, “সমাজে উচ্চ মর্যাদাসম্পন্ন যে কোন বৃত্তিমূলক বিশেষ করে পেশাভিত্তিক গৌষ্টিই এলিট। H,D Lasswell বলেছেন, “যে কোন সুবিধা লাভের অধিকাংশ উপভােগকারী কতিপয় ব্যক্তি এলিট, আর অবশিষ্টরা হচ্ছে সাধারণ লােক।” Robert Michels বলেছেন, “সকল রাজনৈতিক দলে নেতৃত্ব প্রদান করে কতিপয় ব্যক্তি, এ কতিপয় ব্যক্তিই হলেন এলিট। C. W. Mills , "Who decide whatever is decided if major consequence." মসকা ও প্যারেটোর এলিট তত্নের একটি তুলনামূলক আলােচনা সমাজ ও রাজনীতি বিশ্লেষণের তত্ত্ব হিসেবে এলিট তত্ত্ব একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে আছে এবং এ তত্ত্বের জনপ্রিয়তা উত্তরােত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে। উনবিংশ শতাব্দীর শেষে এবং বিংশ শতাব্দীর প্রথমভাগে...

শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়নের গুরুত্ব বা প্রয়ােজনীয়তা

শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়নের গুরুত্ব অপরিসীম। সমাজবিজ্ঞানের একটি নতুন বিষয়ের অন্তর্ভুক্ত হলেও শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়ন এর গুরুত্ব পৃথিবীর অনেক দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি পাঠ্যবিষয় হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, ইংল্যান্ড, ভারত ও বাংলাদেশের অনেক বিশ্ববিদ্যালয়েও এর স্বীকৃতির পরিচয় পাওয়া। যায়। ক্রমাগত বিষয়টির গুরুত্ব বাড়ছে এবং এটি একটি একাডেমিক বিষয় হিসেবে প্রতিষ্ঠিত। শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়নের গুরুত্ব : শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়ন একদিকে যেমন শান্তির ধারণা সম্পর্কে তথ্য দেয়। অন্যদিকে তা সংঘর্ষ বিষয়ক নানা তথ্য প্রদান করে থাকে। নিম্নে শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়নের গুরুত্ব আলােচনা করা হলাে : ১ . ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের মধ্যে শান্তি স্থাপন করে : শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়ন বিভিন্ন ব্যক্তির মধ্যে শান্তির সম্পর্ক ব্যক্তিগত শান্তি, প্রতিবেশীর মধ্যে শান্তি, আন্তঃগােষ্ঠীর মধ্যে শান্তি, বৈবাহিক শান্তি, রাষ্ট্র ও সভ্যতার মধ্যে কিভাবে শান্তি অর্জন করা যায় সে সম্পর্কে আলােচনা করে। এ আলােচনা পর্যালােচনা মানবসমাজের প্রভূত উপকার সাধন করে। ২. মূল্যবােধের উপর গুরুত্ব প্রদা...