Skip to main content

Posts

Showing posts from September, 2021

মুজিব নগর সরকারের কর্ম তৎপরতা

মুজিবনগর সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ Advisory Council of Mujibnagar Government  মুজিবনগর সরকারকে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ে উপদেশ প্রদান করার জন্য মুক্তিযুদ্ধ সমর্থনকারী বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দকে নিয়ে ৮ সদস্য বিশিষ্ট একটি উপদেষ্টা পরিষদ গঠন করা হয়। পরিষদের কাঠামাে নিম্নরূপ : উপদেষ্টা পরিষদের কাঠামাে। মাওলানা-আবদুল হামিদ খান ভাসানী    -  কমিটির প্রধান   -   ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-ন্যাপ (ভাসানী), চীনপন্থী। তাজউদ্দিন আহমদ  -    আহ্বায়ক  -    মুজিবনগর সরকারের প্রতিনিধি : অধ্যাপক মােজাফফর আহমদ।  -    সদস্য।   -   ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-ন্যাপ (ওয়ালী), মস্কোপন্থী কমরেড মনি সিং    -  সদস্য   -   কমিউনিস্ট পার্টি, মস্কোপন্থী মনােরঞ্জন ধর   -   সদস্য -      পাকিস্তান জাতীয় কংগ্রেস, ভারতপন্থী।  খােন্দকার মােশতাক আহমেদ   -   সদস্য    -  মুজিবনগর সরকারের প্রতিনিধি   ক্যাপ্টেন মনসুর আলী   - ...

ফুডপান্ডায় সাইকেল বা মোটরসাইকেল দিয়ে কিভাবে টাকা উপার্জন করা যায়

আপনি ছাত্র এবং পড়ালেখার পাশাপাশি কিছু উপার্জন করে খরচ চালাতে চাচ্ছেন তবে এই পোস্ট আপনার জন্য। আমরা জানব ফুডপান্ডায় কিভাবে রেজিস্ট্রেশন করে এবং কাজের পদ্ধতি - পর্ব ১ আমরা পড়াশোনা করছি, উজ্জ্বল ভবিষ্যতের পথে হাঁটছি। এই সময়টাতে আমরা অন্য কিছু নিয়ে ভাবতে চাই না। পড়াশোনার বাইরে কিছু করতে চাই না। অনেকের পরিবারের পক্ষ থেকেও তেমন কোনো চাপ থাকে না। তাই অনার্স পড়ুয়া আমাদের অনেকেই এখনো পুরোপুরিভাবে পরিবারের উপর নির্ভরশীল। আমরা অনেকেই এখনো দুই টাকা উপার্জনের মুখ দেখতে পারিনি। অথচ উন্নত বিশ্বে সন্তানের বয়স ১৮ হওয়া মাত্রই সন্তানের সব দায়দায়িত্ব তার নিজের। পড়াশোনাসহ যাবতীয় ব্যয়ভার নিজেকেই বহন করতে হয়। এজন্য সেসব দেশসমূহে শিক্ষার্থীরা পড়াশোনার পাশাপাশি নানামুখী কাজে যুক্ত থাকে। ছোট-বড় বিভিন্ন কাজের মাধ্যমে আত্মনির্ভরতা অর্জন করে থাকে। এক্ষেত্রে তারা লজ্জিত বা আত্মসম্মান হারানোর ভয়ে ভীত নয়। বরং নিজের উপার্জনের টাকায় অন্যরকম একটা তৃপ্তি খুঁজে পায়। আমাদের দেশে পড়াশোনা শেষ হতে হতে যৌবনের অর্ধেক সময় শেষ। এরপর ভালো একটি চাকরি খুঁজতে খুঁজতে জুতা ক্ষয় হতে থাকে। তারপরও সবার ভাগ্যে চাকরি নামক সোনার হরিণ ধরা দেয়...

সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়

মুজিবনগর সরকার গঠনের প্রেক্ষাপট ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ বাংলাদেশের জনগণের উপর পাকিস্তান সামরিক বাহিনী কর্তৃক গণহত্যা শুরুর দুদিন পর অর্থাৎ  ২৭ মার্চ ভারতের পার্লামেন্টে প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরাগান্ধী কর্তৃক বাংলাদেশের স্বাধীনতার পক্ষে উত্থাপিত ও সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত এক প্রস্তাব পাস হয়। উক্ত প্রস্তাবে বলা হয় যে, যদি ভারত সরকার জানতে পারে যে, পাকিস্তান কর্তৃক বাঙালিরা আক্রান্ত হয়েছে এবং বাংলাদেশ সরকার গঠন করা হয়েছে, তবে ভারত সরকার বাংলাদেশকে সহযােগিতা করার কথা বিবেচনা করবে। ১৯৭১ সালের ১ এপ্রিল তাজউদ্দিন আহমদ ও ব্যারিস্টার আমীরুল ইসলাম ভারতীয় সীমান্ত রক্ষীর সহায়তায় দিল্লীতে পৌছান। সেখানে তাজউদ্দিন আহমদ প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরাগান্ধীর সাথে সাক্ষাৎ করে দেশের অভ্যন্তরিন সাবিক অবস্থা বর্ণনা করেন ইন্দিরাগান্ধী এ কথাই স্পষ্ট করে দেন বাংলাদেশ সরকার গঠিত হলে ভারত সরকার বাংলাদেশকে সাহায্য করবে। বৈঠক শেষে তাজউদ্দিন আহমদ দিল্লীতে বসে নিজেকে প্রধানমন্ত্রী করে একটি সরকার গঠন করেন এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রহমানকে তার প্রেসিডেন্ট হিসেবে ঘােষণা করেন। অতঃপর তিনি ঘােষণাটি ভারত সরকারের নিকট পেশ করে তাদের স...

বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতা ঘােষণা .. মুক্তিযুদ্ধের প্রারম্ভিক

বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতা ঘােষণা ..  Declaration of Independence by Bangabandhu   স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ইতিহাসে বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতা ঘােষণা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা। আর সেজন্য ২৬ মার্চ, দিনটি বাঙালি জাতির জীবনের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি দিন। মূলত ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতা ঘােষণার পর থেকে এদেশে প্রত্যক্ষ মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়ে যায় এবং ৯ মাসের ব্যবধানে ১৬ ডিসেম্বর এ যুদ্ধের পরিসমাপ্তি ঘটে। আর আমরা | লাভ করি স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ। তাই বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘােষণা এদেশের মুক্তিসংগ্রামের সকল প্রেরণার উৎস। (ক) ২৬ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘােষণা   '' হাসান হাফিজুর রহমান সম্পাদিত 'বাংলাদেশের স্বাধীনত যুদ্ধঃ দলিলপত্র’ শীর্ষক ১৫ খণ্ডে রচিত গন্থে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ সংক্রান্ত দলিলপত্র ও তথ্য সকলিত রয়েছে। বঙ্গবন্ধু প্রদত্ত স্বাধীনতা ঘােষণার বাণীটি উক্ত গ্রন্থে লিপিবদ্ধ আছে। তাই বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের উপর লিখিত উক্ত গ্রন্থ অত্যন্ত মূল্যবান দলিল। উক্ত গ্রন্থের ৩য় খণ্ডের ১ম পৃষ্ঠায় শেখ মুজিব প্রদত্ত বাণীটি সন্নিবেশিত রয়েছে। ১...

১৯৭২ সালের বাংলাদেশের সংবিধানের মূল বৈশিষ্ট্যসমূহ

  ১৯৭২ সালের বাংলাদেশের সংবিধানের মূল বৈশিষ্ট্যসমূহ The Salient Features of the Constitution of Bangladesh of 1972 যে কোন দেশের সংবিধান নির্দিষ্ট কতকগুলাে বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠে। বাংলাদেশের সংবিধান-এর ব্যতিক্রম নয়। বাংলাদেশের সংবিধান বিভিন্ন দিক হতে বৈশিষ্ট্যপূর্ণ ও অনন্য। বাংলাদেশের সংবিধান সম্পর্কে অধ্যাপক রওনক জাহান (Professor Rounaq Jahan) লিখেছেন যে, "The Constitution of Bangladesh is an interesting document since it is an attempt to facilitate political development in Bangladesh according to the Indian model. The Constitution incorporates a number of provisions with an eye to ensure the stability of the system." PS বাংলাদেশের সংবিধান হচ্ছে একটি কৌতুহলােদ্দীপক দলিল, কারণ এতে ভারতীয় মডেল অনুসারে বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত করার একটি প্রচেষ্টা। এ পদ্ধতিতে স্থায়িত্বের জন্য সংবিধানে কতিপয় শর্তের অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করা হয়েছে । ভারতীয় মডেল অনুসরণ করে ১৯৭২ সালের বাংলাদেশ সংবিধানে আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ ও গণপরিষদ সদস্যবৃন্দ চারটি প্রধান বৈশিষ্ট্য অ...