Skip to main content

ফুডপান্ডায় সাইকেল বা মোটরসাইকেল দিয়ে কিভাবে টাকা উপার্জন করা যায়


আপনি ছাত্র এবং পড়ালেখার পাশাপাশি কিছু উপার্জন করে খরচ চালাতে চাচ্ছেন তবে এই পোস্ট আপনার জন্য।

আমরা জানব ফুডপান্ডায় কিভাবে রেজিস্ট্রেশন করে এবং কাজের পদ্ধতি - পর্ব ১

আমরা পড়াশোনা করছি, উজ্জ্বল ভবিষ্যতের পথে হাঁটছি। এই সময়টাতে আমরা অন্য কিছু নিয়ে ভাবতে চাই না। পড়াশোনার বাইরে কিছু করতে চাই না। অনেকের পরিবারের পক্ষ থেকেও তেমন কোনো চাপ থাকে না। তাই অনার্স পড়ুয়া আমাদের অনেকেই এখনো পুরোপুরিভাবে পরিবারের উপর নির্ভরশীল। আমরা অনেকেই এখনো দুই টাকা উপার্জনের মুখ দেখতে পারিনি।

অথচ উন্নত বিশ্বে সন্তানের বয়স ১৮ হওয়া মাত্রই সন্তানের সব দায়দায়িত্ব তার নিজের। পড়াশোনাসহ যাবতীয় ব্যয়ভার নিজেকেই বহন করতে হয়। এজন্য সেসব দেশসমূহে শিক্ষার্থীরা পড়াশোনার পাশাপাশি নানামুখী কাজে যুক্ত থাকে। ছোট-বড় বিভিন্ন কাজের মাধ্যমে আত্মনির্ভরতা অর্জন করে থাকে। এক্ষেত্রে তারা লজ্জিত বা আত্মসম্মান হারানোর ভয়ে ভীত নয়। বরং নিজের উপার্জনের টাকায় অন্যরকম একটা তৃপ্তি খুঁজে পায়।

আমাদের দেশে পড়াশোনা শেষ হতে হতে যৌবনের অর্ধেক সময় শেষ। এরপর ভালো একটি চাকরি খুঁজতে খুঁজতে জুতা ক্ষয় হতে থাকে। তারপরও সবার ভাগ্যে চাকরি নামক সোনার হরিণ ধরা দেয় না। যার চাচা-মামার জোর আছে, কাড়ি কাড়ি টাকা আছে, চাকরি যেন তারই প্রাপ্য। তাই কাঙ্ক্ষিত গন্তব্যে পৌঁছাতে কিছুটা সময় লেগে যায়। মাঝখানের পথটায় অনেককেই বেকার থাকতে হয়। ব্যর্থতার সার্টিফিকেট ঝুলিয়ে চরম হতাশায় ভুগতে হয়। এজন্য ছাত্রাবস্থা থেকে কিছু করা উচিৎ। পড়াশোনার পাশাপাশি অন্যান্য বিষয়েও পারদর্শিতা অর্জন করা উচিৎ। আর তাই আপনি পড়াশোনার পাশাপাশি অনেক কাজে দক্ষ হয়ে উপার্জনের পথ খুঁজে নিতে পারেন-

আজ আমরা সাইকেল বা মোটরসাইকেল দিয়ে কিভাবে টাকা উপার্জন করা যায় তা জানব।

বাইক চালানো আমাদের অনেকেরই নেশা। আর এই নেশাটাকেই এবার পড়াশোনার পাশাপাশি পেশা হিসেবে বেছে নিতে পারেন। ঢাকায় বর্তমানে বাইক সার্ভিস বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। আপনার যদি বাইক থাকে, তাহলে আপনিও রাইডার হিসেবে যুক্ত হয়ে বেশ ভালো আয় করতে পারেন।
রাইডিং হিসেবে সার্ভিস দিতে গিলে প্রথমে যে নামটি আসে তা ফুডপান্ডা।
ফুডপান্ডা চিনেন না এমন মানুষ কম আছে , খাবার আর ফুডপান্ডা যেন পরিপূরক।
আপনি যদি ছাত্র বা ছাত্রী হয়ে ফুডপান্ডায় রাইড শেয়ার করতে চান তবে ফুডপান্ডা আপনাকে টাকা উপার্জনের সুযোগ করে দিবে ,
ফুডপান্ডায় দুইভাবে টাকা উপার্জন করা যায়, প্রথমত সাইকেল দিয়ে আবার মোটর সাইকেল দিয়ে , আপনি চাইলে যেকোন একটি দিয়ে রাইড শেয়ার করতে পারেন ।
ফুডপান্ডায় কিভাবে যোগ দিবেন?

ফুডপান্ডাকে আপনার পার্টটাইম উপার্জনের মাধ্যম হিসেবে নিতে চাইলে প্রথমে নিচের দেয়া লিংকে ক্লিক করুন

রেজিস্ট্রেশন করতে লিংকে ক্লিক করার পর নিছের ছবির মত পেইজ আসবে।
প্রথমে আপনি কোথায় কাজ করতে চান তা নির্বাচন করুন ।
স্থান নির্বাচন করার পর কি দিয়ে কাজ করবেন তা নির্বাচন করুন । ফুডপান্ডায় সাধারণত সাইকেল এবং মোটরসাইকেল দিয়ে রাইড দেয়া যায় ,আপনি যেটা দিয়ে কাজ করবেন তা নির্বাচন করুন।
সর্বশেষ আপনার নাম ,ইমেইল এবং মোবাইল নাম্বার দিন , 
নিচের সম্মতিতে ঠিক চিহ্ন দিন এবং জমা দিন লেখায় ক্লিক করুন , 
ব্যাস হয়ে গেল রেজিস্ট্রেশন , এখন আপনার নির্বাচিত জেলার কোথায় ফুডপান্ডার অফিস বা হাব আছে তা গুগলে সার্চ দিয়ে দেখে রবিবার থেকে বৃহস্পতিবার বেলা ১১ টায়  চলে যান অফিসে। বাকি কাজ কতৃপক্ষ করে দেবে ।
যাওয়ার সময় জন্ম নিবন্ধন/ আইডি কার্ড মূলকপি ও ফটোকপি এবং নিজের এবং মা/বাবার আইডি কার্ডের ফটোকপি ও ছবি নিয়ে যাবেন।

ফুডপান্ডায় একদিনে ৩-৫ ঘন্টা কাজ করে আপনি ৩০০-৮০০ টাকা উপার্জন করতে পারবেন। তবে এলাকা বা জেলার পার্থক্য অনুযায়ী তা কমবেশী হতে পারে।

Comments

Popular posts from this blog

রাজনীতি অধ্যয়নে গতানুগতিক পদ্ধতি ও আধুনিক পদ্ধতির পার্থক্য

গতানুগতিক ও আধুনিক পদ্ধতির পার্থক্য :  রাজনীতি বিশ্লেষণে গতানুগতিক ও আধুনিক পদ্ধতির মধ্যে পার্থক্য আলােচনা করা হলাে :   ১, রাজনীতির সংজ্ঞা ও প্রকৃতিগত পার্থক্য : গতানুগতিক পদ্ধতির অনুসারিগণ রাজনীতির সংজ্ঞা ও প্রকৃতি নির্ধারণ করেছেন রাষ্ট্র, সরকার ও সার্বভৌমত্ব ইত্যাদির নিরিখে । তাদের সংজ্ঞা ছিল খুবই সংকীর্ণ। অন্যদিকে, আধুনিক পদ্ধতির অনুসারিগণ রাজনৈতিক ক্ষমতা, কর্তত্ব, প্রভাব এবং বিরোধের প্রেক্ষাপটে সংজ্ঞায়িত করার প্রয়াস করেছেন। আধুনিক সংজ্ঞায় রাজনীতির পরিধি ব্যাপক ও বিস্তৃত। সুতরাং রাজনীতির সংজ্ঞা ও প্রকৃতিগত দিক থেকে উভয় পদ্ধতির মধ্যে 'পার্থক্য লক্ষণীয়। ২, উদ্দেশাগত পার্থক্যঃ গতানুগতিক পদ্ধতির উদ্দেশ্য ছিল আদর্শ রাজনৈতিক জীবনের অনুসন্ধান করা। কোনটি মহৎ এবং আদর্শরূপ তাই তখন অনুসন্ধান করা হতাে। কিন্তু আধুনিক পদ্ধতির লক্ষ্য হলাে বাস্তবভিত্তিক ঘটনার উপস্থাপন। এখানে অভিজ্ঞতালব্ধ ও প্রয়োগযোগ্য তত্ত্ব গঠনের লক্ষ্যে রাজনৈতিক অনুসন্ধান কার্য পরিচালিত হয়। ৩. পদ্ধতিগত পার্থক্য : গতানুগতিক অধ্যয়ন পদ্ধতির ক্ষেত্রে পদ্ধতি হিসেবে ব্যবহৃত হতাে দার্শনিক, ঐতিহাসিক, অবরােহমূলক, ত...

এলিট বলতে কী বুঝ? মসকা ও প্যারেটোর এলিট তত্নের একটি তুলনামূলক আলােচনা তুলে ধর।

এলিট (Elite) : এটি শটির আভিধানিক অর্থ হলাে উৎকৃষ্ট শ্রেণির ব্যাক্তিবর্গ। সাধারণত এলিট বলতে সমাজের সেসব ব্যাক্তিবর্গকে বুঝায় যারা সমাজে এখন বিশেষ স্থান দখল করে মানসম্মান ও প্রভাব প্রতিপত্তি বিস্তার করে বসবাস করেন। প্রামান্য সংজ্ঞা : বিভিন্ন চিন্তাবিদ ও দার্শনিক বিভিন্নভাবে এলিটদের সংজ্ঞা প্রদান কৰোছেন। নিম্নে তাদের কতিপয় সংজ্ঞা উপস্থাপন করা হলাে। T, B Battomore এর মতে, “সমাজে উচ্চ মর্যাদাসম্পন্ন যে কোন বৃত্তিমূলক বিশেষ করে পেশাভিত্তিক গৌষ্টিই এলিট। H,D Lasswell বলেছেন, “যে কোন সুবিধা লাভের অধিকাংশ উপভােগকারী কতিপয় ব্যক্তি এলিট, আর অবশিষ্টরা হচ্ছে সাধারণ লােক।” Robert Michels বলেছেন, “সকল রাজনৈতিক দলে নেতৃত্ব প্রদান করে কতিপয় ব্যক্তি, এ কতিপয় ব্যক্তিই হলেন এলিট। C. W. Mills , "Who decide whatever is decided if major consequence." মসকা ও প্যারেটোর এলিট তত্নের একটি তুলনামূলক আলােচনা সমাজ ও রাজনীতি বিশ্লেষণের তত্ত্ব হিসেবে এলিট তত্ত্ব একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে আছে এবং এ তত্ত্বের জনপ্রিয়তা উত্তরােত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে। উনবিংশ শতাব্দীর শেষে এবং বিংশ শতাব্দীর প্রথমভাগে...

শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়নের গুরুত্ব বা প্রয়ােজনীয়তা

শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়নের গুরুত্ব অপরিসীম। সমাজবিজ্ঞানের একটি নতুন বিষয়ের অন্তর্ভুক্ত হলেও শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়ন এর গুরুত্ব পৃথিবীর অনেক দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি পাঠ্যবিষয় হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, ইংল্যান্ড, ভারত ও বাংলাদেশের অনেক বিশ্ববিদ্যালয়েও এর স্বীকৃতির পরিচয় পাওয়া। যায়। ক্রমাগত বিষয়টির গুরুত্ব বাড়ছে এবং এটি একটি একাডেমিক বিষয় হিসেবে প্রতিষ্ঠিত। শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়নের গুরুত্ব : শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়ন একদিকে যেমন শান্তির ধারণা সম্পর্কে তথ্য দেয়। অন্যদিকে তা সংঘর্ষ বিষয়ক নানা তথ্য প্রদান করে থাকে। নিম্নে শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়নের গুরুত্ব আলােচনা করা হলাে : ১ . ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের মধ্যে শান্তি স্থাপন করে : শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়ন বিভিন্ন ব্যক্তির মধ্যে শান্তির সম্পর্ক ব্যক্তিগত শান্তি, প্রতিবেশীর মধ্যে শান্তি, আন্তঃগােষ্ঠীর মধ্যে শান্তি, বৈবাহিক শান্তি, রাষ্ট্র ও সভ্যতার মধ্যে কিভাবে শান্তি অর্জন করা যায় সে সম্পর্কে আলােচনা করে। এ আলােচনা পর্যালােচনা মানবসমাজের প্রভূত উপকার সাধন করে। ২. মূল্যবােধের উপর গুরুত্ব প্রদা...