আমরা পড়াশোনা করছি, উজ্জ্বল ভবিষ্যতের পথে হাঁটছি। এই সময়টাতে আমরা অন্য কিছু নিয়ে ভাবতে চাই না। পড়াশোনার বাইরে কিছু করতে চাই না। অনেকের পরিবারের পক্ষ থেকেও তেমন কোনো চাপ থাকে না। তাই অনার্স পড়ুয়া আমাদের অনেকেই এখনো পুরোপুরিভাবে পরিবারের উপর নির্ভরশীল। আমরা অনেকেই এখনো দুই টাকা উপার্জনের মুখ দেখতে পারিনি।
অথচ উন্নত বিশ্বে সন্তানের বয়স ১৮ হওয়া মাত্রই সন্তানের সব দায়দায়িত্ব তার নিজের। পড়াশোনাসহ যাবতীয় ব্যয়ভার নিজেকেই বহন করতে হয়। এজন্য সেসব দেশসমূহে শিক্ষার্থীরা পড়াশোনার পাশাপাশি নানামুখী কাজে যুক্ত থাকে। ছোট-বড় বিভিন্ন কাজের মাধ্যমে আত্মনির্ভরতা অর্জন করে থাকে। এক্ষেত্রে তারা লজ্জিত বা আত্মসম্মান হারানোর ভয়ে ভীত নয়। বরং নিজের উপার্জনের টাকায় অন্যরকম একটা তৃপ্তি খুঁজে পায়।আমাদের দেশে পড়াশোনা শেষ হতে হতে যৌবনের অর্ধেক সময় শেষ। এরপর ভালো একটি চাকরি খুঁজতে খুঁজতে জুতা ক্ষয় হতে থাকে। তারপরও সবার ভাগ্যে চাকরি নামক সোনার হরিণ ধরা দেয় না। যার চাচা-মামার জোর আছে, কাড়ি কাড়ি টাকা আছে, চাকরি যেন তারই প্রাপ্য। তাই কাঙ্ক্ষিত গন্তব্যে পৌঁছাতে কিছুটা সময় লেগে যায়। মাঝখানের পথটায় অনেককেই বেকার থাকতে হয়। ব্যর্থতার সার্টিফিকেট ঝুলিয়ে চরম হতাশায় ভুগতে হয়। এজন্য ছাত্রাবস্থা থেকে কিছু করা উচিৎ। পড়াশোনার পাশাপাশি অন্যান্য বিষয়েও পারদর্শিতা অর্জন করা উচিৎ। আর তাই আপনি পড়াশোনার পাশাপাশি অনেক কাজে দক্ষ হয়ে উপার্জনের পথ খুঁজে নিতে পারেন-
আজ আমরা সাইকেল বা মোটরসাইকেল দিয়ে কিভাবে টাকা উপার্জন করা যায় তা জানব।
বাইক চালানো আমাদের অনেকেরই নেশা। আর এই নেশাটাকেই এবার পড়াশোনার পাশাপাশি পেশা হিসেবে বেছে নিতে পারেন। ঢাকায় বর্তমানে বাইক সার্ভিস বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। আপনার যদি বাইক থাকে, তাহলে আপনিও রাইডার হিসেবে যুক্ত হয়ে বেশ ভালো আয় করতে পারেন।
স্থান নির্বাচন করার পর কি দিয়ে কাজ করবেন তা নির্বাচন করুন । ফুডপান্ডায় সাধারণত সাইকেল এবং মোটরসাইকেল দিয়ে রাইড দেয়া যায় ,আপনি যেটা দিয়ে কাজ করবেন তা নির্বাচন করুন।
সর্বশেষ আপনার নাম ,ইমেইল এবং মোবাইল নাম্বার দিন ,
ব্যাস হয়ে গেল রেজিস্ট্রেশন , এখন আপনার নির্বাচিত জেলার কোথায় ফুডপান্ডার অফিস বা হাব আছে তা গুগলে সার্চ দিয়ে দেখে রবিবার থেকে বৃহস্পতিবার বেলা ১১ টায় চলে যান অফিসে। বাকি কাজ কতৃপক্ষ করে দেবে ।
Comments
Post a Comment