Skip to main content

Posts

Showing posts from April, 2019

বিচ্যুত আচরণ কি

বিচ্যুত আচরণ হলো, প্রচলিত সামাজিক আচরণের বাইরে গিয়ে মানুষ যেসকল আচরণ করে থাকে তাকে বিচ্যুত আচরণ বলে। এক কথায় বলা যায়, কোন ব্যক্তি যখন সামাজিক রীতিনীতি আইন কানুন ও আদর্শ অনুসারে কাজ করে না তখন সে ব্যক্তিকে বিচ্যুত ব্যক্তি এবং ঐ ব্যক্তির আচরণকে বিচ্যুত আচরণ বলে। মদ্যপান, বাবা-মা গুরুজন বয়োজ্যেষ্ঠদের সামনে ধূমপান করা, বিয়ে না করে একত্রে বসবাস করা ইত্যাদি বিচ্যুত আচরণের অন্তর্ভুক্ত। তবে বিচ্যুত আচরণের ধরন বিভিন্ন সমাজিক প্রেক্ষাপটে ভিন্ন হয়ে থাকে।

নারী সহিংসতা প্রতিরোধে বাংলাদেশ সরকারের পদক্ষেপ উল্লেখ কর

নারী   নির্যাতন   প্রতিরোধ   কর্মসূচিঃ মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের আওতায় ১৯৮৬ সালে নির্যাতিত নারীদের আইনগত পরামর্শ ও সহায়তা প্রদানের  লক্ষ্যে ১ জন আইন কর্মকর্তার সমন্বয়ে ৪টি পদ নিয়ে মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয়ে নারী নির্যাতন প্রতিরোধ সেলের কার্যক্রম শুরু হয়। ১৯৮৬ সালেই নারী নির্যাতন প্রতিরোধ কার্যক্রম জেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার কার্যালয় ও উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার কার্যালয়ে সম্প্রসারিত হয়। ইউনিয়ন পর্যায়েও  নারী নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটি গঠন করা হয়। এ কার্যক্রমকে আরো শক্তিশালী ও বেগবান করার জন্য জন্য মহিলা সহায়তা কর্মসূচি প্রকল্প নামে একটি উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। এ প্রকল্পের আওতায় ৬টি বিভাগীয় শহরে নারী নির্যাতন প্রতিরোধকল্পে ৬টি সহায়তা কেন্দ্র স্থাপন করা হয়। বর্ণিত প্রকল্পটি বর্তমানে রাজস্বখাতভূক্ত হয়ে মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের কর্মসূচি হিসেবে নারী নির্যাতন প্রতিরোধ ও নারীর নিরাপদ আশ্রয় কেন্দ্র হিসেবে গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা রাখছে। নারী   ও   শিশু   নির্যাতন   নিরোধ   কমিটি   এবং   প্রতিরোধ   সেল মহিলা সহায়...

১৯৪০ সালের লাহোর প্রস্তাব ব্যাখ্যা কর

লাহোর প্রস্তাব: ভারতীয় মুসলমানদের সামাজিক, সাংস্কৃতিক পরিচিতি এবং অধিকার রক্ষার জন্য ১৯০৬ সালে মুসলিম লীগ গঠিত হওয়ার পর থেকে মুসলমানদের পক্ষে কোথা বলা শুরু করে যা থেকে শুরু হয় বিভাজন। অবশেষে মুসলমানদের অধিকার রক্ষার জন্য আলাদা রাষ্ট্র গঠনের দাবি উঠে। এই দাবির মধ্য দিয়ে ব্রিটিশ ভারতে মুসলিম জাতীয়তাবাদের উত্থান হয়েছিল। এই দাবির আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হচ্ছে লাহোর প্রস্তাব। ১৯৪০ সালের ২৩ মার্চ লাহোরে অনুষ্ঠিত মুসলিম লীগের সম্মেলনে যোগ দিয়ে শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক যে ভাষণ দেন তা ঐতিহাসিক লাহোর প্রস্তাব নামে পরিচিত। লাহোর প্রস্তাবের তিনটি প্রধান বিষয় ছিল। ১. ভারতবর্ষের প্রতিটি এলাকাকে ভৌগলিক অবস্থান অনুযায়ী আলাদাভাবে চিহ্নিত করতে হবে। ২. উত্তর-পশ্চিম এবং দক্ষিণ-পূর্ব ভারতের মুসলিম অধ্যুষিত এলাকাগুলোকে এমনভবে চিহ্নিত করতে হবে যাতে পরবর্তীতে আলাদা স্বাধীন এবং সার্বভৌমত্ব রাষ্ট্র গঠন করতে পারে। ৩. রাষ্ট্রগুলো সংখ্যালগু সম্প্রদায়ের ধর্মীয়, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক এবং প্রশাসনিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে।

উন্নয়ন অর্থনীতি বলতে কি বুঝ?

উন্নয়ন অর্থনীতি:- অর্থনৈতিক উন্নয়ন এমন একটি প্রক্রিয়াকে বোঝায় যা উদীয়মান অর্থনীতিগুলিকে উন্নতমান অর্থনীতিতে পরিণত করে। অন্যভাবে বলা যায়, যে প্রক্রিয়ায় নিম্ন জীবিত মানের দেশগুলিতে উচ্চ জীবনযাত্রার মানদণ্ডে পরিণত হয়। অর্থনৈতিক উন্নয়ন সেই প্রক্রিয়াকে বোঝায় সর্বসমেত শারিরীক অবস্থা, কুশল, এবংউইং একাডেমিক স্তরের জনসংখ্যা উন্নত করে। উন্নয়নকালে, কৃষি থেকে শিল্পে এবং পরে তা পরিষেবায় জনসংখ্যা স্থানান্তর হয়। প্রত্যেক বার দোকান থেকে কেনাকাটা করার সময় এবং স্থানীয় বা রাষ্ট্র বিক্রয় ট্যাক্স দেওয়ার মাধ্যমে আপনি অর্থনৈতিক উন্নয়ন তহবিলে সাহায্য করতে পারেন। যেমন ধরুন নতুন জুতো কিনলেন বা কর প্রদান করলেন। তার কিছু শতাংশ অর্থ অর্থনৈতিক উন্নয়ন তহবিলে প্রোজেক্টের দিকে যায়।  উন্নয়ন অর্থনীতি কাকে বলে আলোচনায় সাধারণ অর্থে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হল জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন। উন্নত জীবনযাত্রার মান বলতে বোঝায় শিক্ষার উচ্চস্তর, শ্রমিকের আয়, স্বাস্থ্য ও জীবনযাপন।

২০১১ সালের জাতীয় নারী উন্নয়ন নীতি এর লক্ষসমূহ লিখ

জাতীয় নারী উন্নয়ন নীতি- ২০১১ এর লক্ষসমূহ নিম্নরুপ :- .১ বাংলাদেশ সংবিধানের আলোকে রাষ্ট্রীয় ও গণজীবনের সকল ক্ষেত্রে নারী পুরুষের সমান অধিকার প্রতিষ্ঠা করা। .২ রাষ্ট্রীয়, সামাজিক ও পারিবারিক জীবনের সকল ক্ষেত্রে নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। .৩ নারীর অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, সামাজিক, প্রশাসনিক ও আইনগত ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করা। .৪  নারীর মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা করা। .৫ আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের মূল ধারায় নারীর পূর্ণ ও সম অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা। .৬ নারীকে শিক্ষিত ও দক্ষ মানবসম্পদ রূপে গড়ে তোলা। .৭ নারী সমাজকে দারিদ্র্যের অভিশাপ থেকে মুক্ত করা। .৮ নারী পুরুষের বিদ্যমান বৈষম্য নিরসন করা। .৯ সামাজিক ও অর্থনৈতিক পরিমন্ডলে নারীর অবদানের যথাযথ স্বীকৃতি প্রদান করা। .১০ নারী ও কন্যা শিশুর প্রতি সকল প্রকার নির্যাতন দূর করা। .১১ নারী ও কন্যা শিশুর প্রতি বৈষম্য দূর করা। .১২ রাজনীতি, প্রশাসন ও অন্যান্য কর্মক্ষেত্রে, আর্থ-সামাজিক কর্মকান্ড, শিক্ষা, সংস্কৃতি ও ক্রীড়া এবং পারিবারিক জীবনের সর্বত্র     নারী পুরুষের সমানাধিকার প্রতিষ্ঠা করা। .১৩ নারীর স্বার্থের অনুকূল প্রযুক্তি উদ্ভাবন ও ...

নারীবাদ কি? নারীবাদের উদ্ভব ও ক্রমবিকাশ আলোচনা কর

নারীবাদঃ নারীবাদ ১৮৮০ সালে বৈশ্বিক আন্দোলন হিসেবে ফ্রান্সে, ১৮৯০ সালে যুক্তরাজ্যে এবং ১৯১০ সালে যুক্তরাষ্টে নারীবাদ শব্দটির প্রচলন হয়। নারীবাদ হলো নারী ও পুরুষের মধ্যকার সমতার একটি মতবাদ, যাতে নারীর ওপর পুরুষের আধিপত্য বিস্তার রোধে নারীদের সংগঠিত হওয়ার উপর এবং সামাজিক জীব হিসেবে সমঅধিকার ও দায়িত্বের ভিত্তিতে নারী-পুরুষের জন্য সমাজকে নিরাপদ আবাসস্থলে রূপান্তরিত করার উপর গুরুত্ব দেয়। নারীবাদের উদ্ভব ও ক্রমবিকাশঃ- নারীবাদেরর সুদীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে।তবে কোথায়,কখন,কে নারীর প্রতি বৈষম্য এবং নারী-পরুষ সমানাধিকারের প্রশ্ন প্রথম উস্থাপন করেছিলেন,সে সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি।ফরাসি গবেষক,লেখক ও বুদ্ধিজীবি সিমন দ্য বুভোয়ার (Simone de Beauvoir) এর মতে,যে মহিলা নারীর স্বপক্ষে প্রথম কলম তুলে ধরেছিলেন তার নাম খ্রিষ্টিন ডি পিজান (Christine de Pusan)।১৯৬২ সালে ওলান্দাজ নারী মার্গারেট লকাস রচিত 'Female Orations)' বা নারী ভাষণ বিশ্বের ইতিহাসে প্রথম 'নারীবাদী সাহিত্য' হিসেবে পরিচিত হয়।সেখানে নারীর পরাধিনতা ও অসম অধিকারের বিষয়টি বিধৃত হয়েছে।এছাড়া নারীবাদের ইতিহা...

১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইন ব্যাখ্যা কর।

কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষেত্রেঃ ১) ভারতীয় যুক্তরাষ্ট্র গঠন : এই আইনে ব্রিটিশ ভারত ও দেশীয় রাজ্যগুলিকে নিয়ে একটি যুক্তরাষ্ট্র গঠনের কথা বলা হয়। দেশীয় রাজ্যগুলির যুক্তরাষ্ট্রে যোগ দেওয়া ঐচ্ছিক হিসাবে গন্য হয়। ২) দ্বিকক্ষবিশিষ্ট আইনসভা : কেন্দ্রে পাঁচ বছর মেয়াদি দ্বিকক্ষবিশিষ্ট আইনসভা গঠনের সিন্ধান্ত নেওয়া হয়। নিম্নকক্ষ ফেডারেল এসেম্বলি ৩৭৫ জন এবং উচ্চকক্ষ কাউন্সিল অব স্টেট ২৬০ জন সদস্য নিয়ে গঠিত হবে বলে ঘোষিত হয়। ৩) সাম্প্রদায়িক নির্বাচন : মুসলিম ও তফসিল সদস্যদের জন্য পৃথক নির্বাচনের ব্যবস্হা করা হয়। ৪) মন্ত্রিপরিষদের দায়িত্ব : গভর্নর জেনারেলের অধীনে একটি কেন্দ্রীয় মন্ত্রিপরিষদের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের শাসনভার দেওয়া হয়। মন্ত্রীরা কাজের জন্য আইনসভার কাছে দায়বদ্ধ থাকবেন বলে জানানো হয়। ৫) শাসন ক্ষমতা বিভক্তিকরণ :  কেন্দ্রীয় সরকারের শাসন ক্ষমতকে সংরক্ষিত ও হস্তান্তরিত এই দুভাগে ভাগ করা হয়। প্রতিরক্ষা, বৈদেশিক, ব্যাংক ইত্যাদি সংরক্ষিত বিষয়ে গভর্নর জেনারেলের হাতে চূড়ান্ত ক্ষমতা দেওয়া হয়। ৬) গভর্নর জেনারেলের চূড়ান্ত ক্ষমতা : গভর্নর জেনারেল শাসন পরিচালনায় ...