Skip to main content

Posts

Showing posts with the label Politics and Government in South Asia

ভারতের প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা ও কার্যাবলি আলােচনা করাে।

ভারতের প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা ও কার্যাবলি:- প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা ও কার্যাবলি ভারতের সংসদীয় শাসনব্যবস্থায় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনিই প্রকৃত শাসক। সংবিধানের ৭৫(১) নং ধারা অনুসারে প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত হন। প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা ও কার্যাবলিকে নিম্নলিখিত কয়েকটি ভাগে ভাগ করে আলােচনা করা যেতে পারে। ১. লােকসভার নেতা: ক). লােকসভার সংখ্যাগরিষ্ঠ দল বা জোটের নেতা হিসেবে | প্রধানমন্ত্রী তাঁর মন্ত্রীসভা গঠন করেন। খ). লােকসভার কার্যক্রম তিনি স্থির করেন। প্রধানমন্ত্রী লােকসভার কার্যপরিচালনা সংক্রান্ত উপদেষ্টা কমিটির সদস্য। গ). লােকসভার অধিবেশন কখন ডাকা হবে, কতদিন চলবে, কোন্ কোন্ বিষয়ের ওপর আলােচনা চলবে সে-সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী নিজে সিদ্ধান্ত নেন। অধিবেশন স্থগিত রাখা বা লােকসভা ভেঙে দেওয়ার ব্যাপারে রাষ্ট্রপতিকে তিনি পরামর্শ দিতে পারেন। ঘ).প্রধানমন্ত্রী সরকারের প্রধান মুখপাত্র হিসেবে লােকসভায় সরকারি নীতিগুলি ব্যাখ্যা করে থাকেন। গুরুত্বপূর্ণ বিলের ওপর বক্তৃতা ও সরকারি দৃষ্টিভঙ্গিকে সমর্থন করাও তাঁর প্রধান দায়িত্ব। কোনাে মন্ত্রী লােকসভায় বিতর্কে অ...

ভারতের সর্বশেষ নির্বাচনে বিজেপির বিজয়ের কারণ গুলো কী কী?

 ভারতের সর্বশেষ নির্বাচনে বিজেপির বিজয়ের কারণ:- রাষ্ট্রবিজ্ঞানী সুহাস পালশিকার বলছেন, কংগ্রেসের পর ভারতে বিজেপি দ্বিতীয় কোনো দল যারা “প্রভাবশালী একটি রাজনৈতিক দল ব্যবস্থা“ গড়ে তুলতে সমর্থ হয়েছে। প্রথম ছিল ইন্দিরা গান্ধীর নেতৃত্বাধীন কংগ্রেস যারা ৫০ বছরেরও বেশি সময় ধরে ভারত শাসন করেছে। কিন্তু ১৯৮৪ সালে রাজীব গান্ধীর নেতৃত্বাধীন কংগ্রেসের পর বিজেপিই একমাত্র এবং প্রথম দল যারা নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে। মি. পালশিকার বলছেন, ইন্দিরা গান্ধীর পর নরেন্দ্র মোদী “একমাত্র রাজনৈতিক নেতা যিনি সত্যিকার অর্থে প্রায় পুরোটা ভারত জুড়ে সাধারণ মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য হতে পেরেছেন।“ ১.মোদীর ‘সম্মোহন‘ বিজেপির নির্বাচনী সাফল্যের মূলেই রয়েছে মি. মোদীর সম্মোহনী ব্যক্তিত্ব এবং সেই সাথে ধর্মীয় মেরুকরণ ও কট্টর জাতীয়তাবাদী রাজনীতির প্রসার। বিজেপির এই রাজনীতির প্রচার এবং প্রসারের পেছনে রয়েছে অক্লান্ত নিবেদিতপ্রাণ কর্মীর বিশাল এক নেটওয়ার্ক। এসব কর্মীর অনেকেই বিজেপির আদর্শিক পথ-প্রদর্শক কট্টর হিন্দু সংগঠন আরএসএস-এর (রাষ্ট্রীয় স্বয়ং-সেবক সংঘ) বা তাদের “জঙ্গি সহোদর“ বিশ্ব হিন্দু পরিষদের (ভিএ...

সাজেশন । দক্ষিণ এশিয়ার সরকার ও রাজনীতি । রাষ্ট্রবিজ্ঞান ৩য় বর্ষ

অনার্স ৩য় বর্ষ, বিভাগ রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিষয়  দক্ষিণ এশিয়ার সরকার ও রাজনীতি,  ভারত, পাকিস্তান, নেপাল ও শ্রীলংকা। বিষয় কোড: 231905 ক-বিভাগ: অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন উত্তর ১. ‘Pakistan: Failure in National Integration’ গ্রন্থের রচয়িতা কে? উত্তর: ‘Pakistan: Failure in National Integration’ গ্রন্থের রচয়িতা হলেন অধ্যাপক রওনক জাহান। ২. দক্ষিণ এশিয়ার দেশসমূহের আবির্ভাব ঘটে কখন? উত্তর: দক্ষিণ এশিয়ার দেশসমূহের আবির্ভাব ঘটে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী 1947 সালের পর। ৩. সার্কের রূপকার কে? উত্তর: সার্কের রূপকার হলেন বাংলাদেশের সাবেক প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। ৪. শ্রীলংকার রাষ্ট্রীয় নাম কী? উত্তর: শ্রীলংকার রাষ্ট্রীয় নাম গণতান্ত্রিক সমাজতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র শ্রীলঙ্কা। ৫. ‘A Framework for Political Analysis’ গ্রন্থটির লেখক কে? উত্তর: ‘A Framework for Political Analysis’ গ্রন্থটির লেখক ডেভিড ইস্টন। ৬. পাকিস্তানের সাংবিধানিক নাম কী? উত্তর: পাকিস্তানের সাংবিধানিক নাম হলো ইসলামী প্রজাতন্ত্রি পাকিস্তান। ৭. ভারতের আইনসভার উচ্চকক্ষের নাম কী? উত্তর ভারতের আইনসভার উচ্চকক্ষের নাম হল রাজ্যসভা। ৮. ...

নেপালের সংবিধানের বৈশিষ্ট্যসমূহ আলোচনা কর।

নেপালের সংবিধানের বৈশিষ্ট্য The Features of the Constitution of 1990 of Nepal নিচে ১৯৯০ সালের নেপালের নতুন সংবিধানের কয়েকটি বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করা হলােঃ ১। প্রস্তাবনা নতুন সংবিধানের প্রস্তাবনায় বলা হয়েছে- “যেহেতু আমরা উপলব্ধি করেছি যে, স্বাধীন ও সার্বভৌম নেপালে কর্তৃত্বের উৎস জনগণের মধ্যে নিহিত এবং কাজেই সময় সময় আমরা সরকার পরিচালনায় জনগণের ইচ্ছার অনুরূপ আমাদের মতামত প্রকাশের আগ্রহ প্রকাশ করেছি; সেহেতু এখন আমরা জনগণের ইচ্ছাকে সমুন্নত রেখে রাষ্ট্রীয় কর্তৃত্ব ও সার্বভৌম ক্ষমতা সংবিধান কার্যকর হওয়ার পর থেকে সংবিধান অনুযায়ী কার্যকর করা হবে, আমি রাজা বীরেন্দ্র বীর বিক্রম শাহদেব, আমার উপর অর্পিত কর্তৃত্ব অনুসারে এ সংবিধান কার্যকর ও জারি করলাম।" ("Whereas we are convinced that in the independent, sovereign Nepal, the source of authority inherent in the people and therefore, have from time to time, made known our desire to conduct the government of the country in consonance with the popular will; Now therefore, keeping in view the desire of the people that the state authority...

পাকিস্তান জাতি গঠনের সমস্যা চিহ্নিত কর।

পাকিস্তান জাতি গঠনের সমস্যা: ১৯৪৭ হতে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত পাকিস্তানে যেসব কারণে রাজনৈতিক সংহতি অর্জিত হয় নি, তা নিচে আলােচনা করা হলােঃ ১। একাত্মতার সংকট (The Indentity Crisis)ঃ ১৯৭১ সালের পূর্বে তৎকালীন পাকিস্তানে জাতীয় সংহতির সমস্যা ছিল সবচেয়ে মারাত্মক সমস্যা এবং এ সমস্যা সমাধান করতে ব্যর্থ হওয়ার ফলেই শেষ পর্যন্ত ১৯৭১ সালে পাকিস্তানের পূর্ব অংশ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় এবং বাংলাদেশ একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। একাত্মতার সংকট মীমাংসা করার দু'টি পদ্ধতি রয়েছে। একটি হচ্ছে "Blood and Iron Policy" অর্থাৎ বলপূর্বক ঐক্য আনয়ন করা, আঞ্চলিক চেতনা ও আনুগত্যের জোরপূর্বক অবমাননা করা। আঞ্চলিক ভাষা ও সংস্কৃতির উচ্ছেদ করে একটি জাতীয় সংস্কৃতি গড়ে তােলা। আর দ্বিতীয় পদ্ধতি হচ্ছে পারস্পরিক সহযােগিতা, সহানুভূতি ও সমঝােতার পদ্ধতি, বিভিন্নতার মাঝে ঐক্য সাধনের পদ্ধতি। পাকিস্তানে ১৯৪৭ সাল হতে শুরু করে পশ্চিম পাকিস্তানি শাসক এলিটগণ সর্বদাই প্রথমােক্ত পদ্ধতিটি অনুসরণ করেছেন। পাকিস্তানের বিভিন্ন অঞ্চল বিশেষত পূর্ববাংলার আঞ্চলিক ভাষা, সংস্কৃতি ও স্বাতন্ত্র্যকে জোরপূর্বক ...

ভারতীয় সংবিধানের বিকাশ , বৈশিষ্ট্য , ও সংবিধান সংশােধন পদ্ধতি

  ভারতের সংবিধানের বিকাশঃ ১৯৪৭ সালের ২০ শে আগস্ট বি. আর. আম্বেদকরের নেতৃত্বে একটি খসড়া সংবিধান তৈরীর জন্য কমিটি গঠন করা হয়। ১৯৪৮ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি এ কমিটি গণপরিষদে একটি খসড়া সংবিধান পেশ করে। সুদীর্ঘ আলাপ আলােচনার পর সংবিধানটি গৃহীত হয়। অন্যান্য দেশের মত ভারতের সংবিধানও একটি গতিশীল দলিল। বিগত বছরগুলােতে কেবল আয়তনের দিক থেকেই নয়, বক্তব্য ও উদ্দেশ্যের দিক থেকেও সংবিধানের বহু পরিবর্তন এবং বিকাশ সাধিত হয়েছে। সাংবিধানিক রীতি-নীতিঃ ভারতের সংবিধানের অনুপূরকরূপে সাংবিধানিক নীতি-নীতির উদ্ভব ঘটেছে। এতে সংবিধানিক আইনের অপূর্ণতা দূর করা সম্ভব হয়েছে এবং সংবিধানের গতিশীল চরিত্রও অব্যহত থেকেছে। ভারতের সংবিধানে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক এই রীতির দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। সাংবিধানিক নজিরও সংবিধান বিকাশের একটি কার্যকরী মাধ্যম। তবে নজির যেমন সৃষ্টি হয়েছে তা লংঘিতও হয়েছে। রাজনীতির দ্রুত পট পরিবর্তনের ফলে প্রকৃতপক্ষে নজির রাজনৈতিক সুবিধা অর্জনের মাধ্যমে পরিণত হয়েছে। সুপ্রীমকোর্টে বিচারপতি নিয়ােগ, প্রধানমন্ত্রীর মৃত্যুর পর অস্থায়ী প্রধানমন্ত্রী নিয়ােগ ইত্যাদি ক্ষেত্রে সাধারণত সাংবিধানিক নজ...

দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর রাজনৈতিক বৈশিষ্ট্য

  দক্ষিণ এশিয়া রাজনৈতিক ভাবে খুবই গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল। এই অঞ্চলে জনসংখ্যা পৃথিবীর অন্যান্য অঞ্চলের চেয়ে তুলনামূলকভাবে বেশি। যার কারণে বিশ্ব রাজনীতিতে এই অঞ্চলের গুরুত্ব অন্যান্য অঞ্চলের চেয়ে বেশি। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের আগ থেকে এই অঞ্চলের মানুষ ব্রিটিশ ঔপনিবেশকতা মুক্তির জন্য আন্দোলন শুরু করে। তবে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর এই আন্দোলন অত্যন্ত দ্রুত গতিতে বাড়তে থাকে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আগেই এই আন্দোলন দমাতে ব্রিটিশ সরকার হিমশিম খেতে শুরু করে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ব্রিটিশ সরকার তাদের সাম্রাজ্যগুলো পরিচালনা করতে ব্যার্থ হয় যার কারণে ভারতবর্ষে তাদের আর টিকে থাকা সম্ভব হয় না। এই ভারতবর্ষ থেকে তাদের চির বিদায় নিতে হয় ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের বাতি নিভিয়ে। শুরু হয় ভারতবর্ষের সোনালীদিন। দক্ষিন এশিয়ার দেশগুলো হল, ভারত, পাকিস্তান, বাংলাদেশ, নেপাল, ভুটান, মালদ্বীপ, শ্রিলংকা। এই পর্বে আলোচনা করব দক্ষিণ এশিয়ার এই দেশগুলোর রাজনৈতিক বৈশিষ্ট্য নিয়ে। ধর্ম ভিত্তিক রাজনীতিঃ   দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর রাজনীতিতে ধর্মের যথেষ্ট প্রভাব লক্ষ্য করা যায়। এই অঞ্চলে মানুষ ধর্মীয় দল নিয়ে রাজনীতি করতে খুবই পছন্দ করে। রা...