Skip to main content

Posts

Showing posts with the label World Politics

Russia-Ukraine Crisis: রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ! বিশ্বের অন্য দেশ গুলো কোন দিকে এগুচ্ছে?

Russia-Ukraine Crisis: রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ! কার পাশে কোন দেশ? চীন  কোন পক্ষে? ইতোমধ্যে কিয়েভের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছে মস্কো। এদিকে স্নায়ুযুদ্ধের প্রায় ৪০ বছর পর ফের দু’ভাগে বিভক্ত বিশ্ব। একদিকে ইউক্রেনের পাশে দাঁড়িয়েছে আমেরিকা এবং রাশিয়াকে সমর্থন করছে চিন। এই পরিস্থিতিকে অনেকেই ‘তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধর’ আগের মুহূর্ত বলে ব্যাখ্যা করছেন। এবার এক নজরে দেখে নেওয়া যাক বিশ্বের কোন দেশ কোন পক্ষকে সমর্থন করছে। রাশিয়ার পাশে চিন এক্ষেত্রে অনায়াসে আমেরিকার শত্রু কিউবার সমর্থন পাবে রাশিয়া। আগেই চিন জানিয়ে দিয়েছে যে এই লড়াইয়ে রাশিয়ার পাশে রয়েছে তারা। কোন দিকে ইরান-উত্তর কোরিয়া? এছাড়া একসময়ে সোভিয়েত ইউনিয়নের অংশ থাকা আর্মেনিয়া, কাজাখস্তান, কর্গিস্তান, তাজিকিস্তান এবং বেলারুসের সমর্থন পাচ্ছেন ভ্লাদিমির পুতিন। আফগানিস্তানের তালিবান শাসক কায়েম হওয়ার পর সুরক্ষার স্বার্থে পশ্চিম এশিয়ার দেশগুলো রাশিয়াকেই সমর্থন করবে। আজারবাইজান এবং মধ্য প্রাচ্যের ইরানকেও পাশে পাবে মস্কো। এদিকে পারমাণবিক যুদ্ধ শুরু হলে উত্তর কোরিয়ারও সমর্থন পাবে রাশিয়া। ন্যাটো-র ভূমিকা ন্যাটো অন্তর্ভুক্ত ইউরোপিয় দেশগুলোকে পাশে পাবে ...

'রাজনীতি ও উন্নয়নে নারী' সাজেশন

  খ বিভাগ ১. নারী নির্যাতন বলতে কি বুঝ ২. সেক্স ও জেন্ডারের মধ্যে পার্থক্য দেখাও ৩. নারীর ক্ষমতায়নে Ngo এর ভূমিকা লিখ ৪. রাজনীতিতে নারীর অংশগ্রহণ বলতে কি বুঝ ৫. জাতীয় সংসদে নারীদের সংরক্ষিত আসনের প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা কর ৬. নারী দশকের লক্ষ্য কি ৭. পুরুষতান্ত্রিক মতাদর্শ কি ৮. নিরাপদ মাতৃত্ব বলতে কি বুঝ ৯. নারীর ক্ষমতায়ন বলতে কি বুঝ ১০. উদারপন্থী নারীবাদ কি ১১. নারী উন্নয়নের এপ্রোচগুলো কী ১২. নারীর অদৃশ্য অবদান কি ১৩. পুজিবাদে নারীর অবস্থান নির্ণয় কর ১৪. শিক্ষাক্ষেত্রে বাংলাদেশে নারীর অবস্থান উল্লেখ কর ১৫. নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে বাংলাদেশ সরকার কতৃক গৃহীত উদ্যোগ গুলো কি ১৬. লিঙ্গভিত্তিক সন্ত্রাসের সংজ্ঞা দাও। গ বিভাগ   ১. নারী ও রাজনীতি অধ্যয়নের প্রয়োজনীয়তা আলোচনা কর। ২. বাংলাদেশের জাতীয় অর্থনীতিতে নারীর অবদান আলোচনা কর। ৩. নারীর উপর বিশ্বায়নের প্রভাব আলোচনা কর। ৪. নারী উন্নয়নে গণমাধ্যমের ভূমিকা আলোচনা কর। ৫. বাংলাদেশের রাজনীতিতে নারীর অংশগ্রহণের প্রতিবন্ধকতা সমূহ আলোচনা কর। ৬. বাংলাদেশের সমাজে নারী নিরাপত্তার হুমকি কি কি। ৭. PFA এর লক্ষ্য, উদ্দেশ্য ও কৌশলসমূহ আলোচনা কর। ৮...

আফগানিস্তান রাশিয়া যুদ্ধ পরবর্তী তালেবানের ধ্বংসযজ্ঞ ও মার্কিন সেনাদের দুই দশক

বিশ্বের পরাশক্তিগুলোর সঙ্গে আফগানদের যুদ্ধের ইতিহাস হাজার হাজার বছরের। আফগানিস্তানের প্রাগৈতিহাসিক ও ঊনবিংশ শতাব্দীর ইতিহাস জানান দেয় দেশটির রোমাঞ্চকর ও সাহসিকতার কথা। প্রথমে ব্রিটেনের ঔপনিবেশিক শক্তি, সোভিয়েত ইউনিয়ন এবং পরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মতো পরাশক্তির সঙ্গে বরাবরই লড়াই করে গেছে আফগানরা। বিশ্বের সব পরাশক্তির সঙ্গে তালেবান গোষ্ঠীর লড়াইয়ে মধ্যপ্রাচ্যের দেশটি ধ্বংসপ্রায়। হাজার বছরের সংকটে আফগান। আফগানিস্তানের ইতিহাস-ঐতিহ্য সুপ্রাচীন। প্রাগৈতিহাসিক প্রত্নতাত্তিক স্থান খনন করে দেখা গেছে, দেশটির উত্তর অংশ অর্থাৎ আফগানিস্তানের উত্তরাঞ্চলে প্রায় ৫০ হাজার বছর আগে মনুষ্য বসতি ছিল। ধারণা করা হয়, আফগানিস্তানের কৃষি খামার বিশ্বের প্রাচীন খামারগুলোর একটি। আফগানিস্তানের ইতিহাসে বহু সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। তন্মধ্যে উল্লেখ্যযোগ্য হলো- গ্রেকো-বারট্রিয়ান, কুশান, হেফথালিটিস, কাবুল শাহী, সাফারি, সামানি, গজনবী, ঘুরি, খিলজি, কারতি, মুঘল ও সবশেষে হুতাক ও দুররানি সাম্রাজ্য। দেশটির ইতিহাস ঘেঁটে জানা যায়, প্রাক ইসলামী শাসনামলের পূর্বে খ্রিস্টপূর্ব ২০০০ সালের পর মধ্য এশিয়া থেকে এখানে লোক আসতে শুরু ...

তালেবানরা কি ইসলামী রাষ্ট্রের নামে অন্যকিছু করছে?

তালেবান কারা? ১৯৮৯ সাল, আফগানিস্তান থেকে সোভিয়েত ইউনিয়ন (বর্তমান রাশিয়া) সৈন্য প্রত্যাহারের পর যে গৃহযুদ্ধ শুরু হয়, সেই যুদ্ধেই তালেবান গোষ্ঠীর উত্থান। দেশটির দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল ও পাকিস্তানের সীমান্তবর্তী এলাকায় ছিল তাদের দাপট। সংগঠনটি (তালেবান) আফগানিস্তানে দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই ও নিরাপত্তা ফিরিয়ে আনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। তবে সংগঠনটি একই সঙ্গে আফগানিস্তানে ইসলামী অনুশাসনও চালু করে। ১৯৯৮ সাল নাগাদ তারা আফগানিস্তানের প্রায় পুরোটাই নিয়ন্ত্রণ নেয়। তারা ইসলামী শরিয়া শাসনের পাশাপাশি চালু করে নিষ্ঠুর শাস্তির প্রচলন। পুরুষদের দাড়ি রাখা এবং মেয়েদের বোরকা পরতে বাধ্য করা হয়। সে সময় থেকে নিষিদ্ধ করা হয় টিভি, সংগীত এবং সিনেমা। আফগানিস্তানের ক্ষমতা থেকে উৎখাত হওয়ার পর তারা পাকিস্তানের সীমান্ত এলাকায় নতুন করে সংগঠিত হয়। তাদের প্রায় ৮৫ হাজার সশস্ত্র যোদ্ধা আছে বলে মনে করা হয়। ২০০১ সালের পর তারা এখন সবচেয়ে শক্তিশালী অবস্থায় আছে। ইসলামী রাষ্ট্রের নামে ধ্বংসযজ্ঞ যুক্তরাষ্ট্র তাদের দীর্ঘতম যুদ্ধের সমাপ্তি টেনে আফগানিস্তান থেকে বিদায় নিয়েছে। দেশটি তাদের হাজার হাজার সেনা হারিয়েছে। এ ছাড়াও লাখ লাখ আফগান...