Skip to main content

Posts

Showing posts with the label Approaches to the Study of Politic

সংস্কৃতি কী? রাজনীতি অধ্যয়নে রাজনৈতিক সংস্কৃতির গুরুত্ব আলােচনা কর।

সংস্কৃতি : সংস্কৃতির ইংরেজি প্রতিশব্দ হলাে Culture। Culture শব্দটি এসেছে ল্যাটিন শব্দ Colere থেকে। Colere শব্দের অর্থ হলাে কর্ষণ করা। সুতরাং বুৎপত্তিগত অর্থে সংস্কৃতি বলতে বুঝায় কর্ষণের মাধ্যমে প্রাপ্ত বিষয়। সাধারণভাৰে সংস্কৃতি বলতে বুঝায় মার্জিত রুচি বা অভ্যসজাত উৎকর্ষ। সহজভাবে বলা যায়, সংস্কৃতি হলাে শিক্ষা ও চর্চার দ্বারা পরিশীলিত এবং মার্জিত রুচিসম্পন্ন আচার অনুষ্ঠান। প্রামাণ্য সংজ্ঞা : নিম্নে সংস্কৃতির কতিপয় সংজ্ঞা উপস্থাপন করা হলাে : এডওয়ার্ল্ড টেইলার এর মতে, “সমাজের সমষ্টিগত জ্ঞান, বিশ্বাস, কলা, নৈতিকতা, রীতিনীতি, আইন, মানুষের অর্জিত বিভিন্ন অভ্যাস ও দক্ষতা সবকিছুরই জটিল মিশ্র রূপ হলো সংস্কৃতি।” Malinowski এর মতে “সংস্কৃতি হলাে মানুষের তৈরি বস্তু এবং একটি উপায় যার মাধ্যমে সে তার উদ্দেশ্য সাধন করে।” Jones এর মতে, Culture is the sumtotal of mans creation" অর্থাৎ, মানব সৃষ্ট সকল কিছুরই সমষ্টিই হলাে সংস্কৃতি। ম্যাকাইভার এর মতে, "Our culture is what we are," অর্থাৎ, আমরা যে অবস্থায় আছি, তাই সংস্কৃতি। রাজনৈতিক সংস্কৃতির গুরুত্ব বা প্রয়ােজনীয়তা : নিম্নে রাজনৈত...

সাজেশন । রাজনীতি অধ্যয়ন পদ্ধতি । রাষ্ট্রবিজ্ঞান ৩য় বর্ষ

অনার্স ৩য় বর্ষ, বিভাগ রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিষয় : রাজনীতি অধ্যয়ন পদ্ধতি বিষয় কোড: ২৩১৯০৭ ক. বিভাগ অতিসংক্ষিপ্ত প্রশ্নাত্তর ১. পরিভাষা (Terminology) কী? উত্তর: যে শব্দ কোনো জ্ঞানক্ষেত্রে বিশেষার্থ প্রকাশ করে তাই পরিভাষা। ২.পূবানুমানের তিনটি বৈশিষ্ট্য লেখ। উত্তর: ১. বাস্তব অবিজ্ঞতা ভিত্তিক, ২. প্রমাণসাপেক্ষ ও ৩. সুষ্পষ্টতা। ৩. AGIL কী? উত্তর: AGIL হলো ট্যালকট পারসন কর্তৃক উদ্ভাবিত একটি অবস্থা, যেখানে তিনি চারটি কাজের কথা উল্লেখ করেছেন। ৪. তত্ত্ব স্তরের প্রথম স্তর কোনটি? উত্তর: তত্ত্ব স্তরের প্রথম স্তর হলো সমস্যা নির্বাচন। ৫. গ্রেপ ভাইন কী? উত্তর: গ্রেপ ভাইন হলো সংগঠনের আনুষ্ঠানিক যোগাযোগ কাঠামো। ৬. আউটপুটের দুটি দিক কী? উত্তর: আউটপুটের দুটি দিক হলো— ১. বিধি প্রণয়ন ও ২. বিধি প্রয়োগ। ৭. চলক কী? উত্তর: স্তানকালপাত্রভেদে যে রাশি ভিন্ন ভিন্ন মান গ্রহণ করে তাই চলক। ৮. তিনজন প্রাতিষ্ঠানিক অধ্যায়ন পদ্ধতি অনুসরণকারী রাষ্ট্রবিজ্ঞানির নাম লেখ। উত্তর: তিনজন প্রাতিষ্ঠানিক অধ্যায়ন পদ্ধতি অনুসরণকারী রাষ্ট্রবিজ্ঞানির নাম হলো—১. ওয়াল্টার বেজহট, ২. ডব্লিউ। ৯. রাজনীতি অধ্যায়নের একটি সনাতন পদ্ধতির নাম লেখ। উত্...

রাজনৈতিক উন্নয়ন কী একটি বহুমাত্রিক প্রক্রিয়া?

রাজনৈতিক উন্নয়ন কী একটি বহুমাত্রিক প্রক্রিয়া? উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দেখাও। অথবী, রাজনৈতিক উন্নয়ন কোন এক বিষয় নয় এটি একটি সামগ্রিক ধারণী।” রাজনৈতিক উন্নয়ন একটি বহুমাত্রিক প্রক্রিয়া : রাজনৈতিক উন্নয়নের বিষয়টি কোন একক বিষয় নয়, এটি বিভিন্ন বিষয়ের সাথে সম্পৃক্ত। আর এ সম্পৃক্ততার প্রমাণ মেলে রাজনীতি সম্পর্কে বিভিন্ন লেখক, বিশেষজ্ঞ ও । রবিজ্ঞানীদের বিভিন্নমুখী চিন্তাচেতনা থেকে। নিমে কতিপয় রাষ্ট্রবিজ্ঞানীর রাজনীতি সম্পর্কিত ধারণা তুলে ধরা হলাে। ১. লুসিয়াল পাইয়েয় ধারণা ; লুসিয়ান পাই রাজনৈতিক উন্নয়নকে যেসথ মাত্রিকতার ভিত্তিতে ব্যাখ্যা করেছেন তা নিম্নে তুলে ধরা হলাে : ক, রাজনৈতিক উন্নয়ন ঘটার পূর্বশর্ত হলাে অর্থনৈতিক উন্নয়ন  খ. শিল্পায়িত সমাজের সমত্র রাজনীতি হলাে অর্থনৈতিক উন্নয়ন।  গ, রাজনৈতিক উন্নয়ন হলাে রাজনৈতিক আধুনিকীকরণের নির্দেক;  ঘ, রাজনৈতিক উন্নয়ন অর্থনৈতিক জাতিভিত্তিক রাষ্ট্র গঠন;  ঙ. রাজনৈতিক উন্নয়ন বলতে জনগণের সংগঠিত সক্রিয়তা ও অংশগ্রহণ বুঝায়ঃ চ, রাজনৈতিক উন্নয়ন প্রশাসনিক ও আইনগত উন্নয়নের সাথে সম্পৃক্ত; ছ,. রাজনৈতিক উন্নয়ন হলাে গণতন্ত্র...

রাজনৈতিক সামাজিকীকরণ কী? রাজনীতি অধ্যয়নে রাজনৈতিক সামাজিকীকরণের গুরুত্ব আলােচনা কর।

রাজনৈতিক সামাজিকীকরণ : সাধারণভাবে রাজনৈতিক সামাজিকীকরণকে রাজনৈতিক ব্যবস্থার সঙ্গে ব্যক্তির আর্থীকরণের প্রক্রিয়া হিসেবে চিহ্নিত করা যায়। এ অর্থে রাজনৈতিক সামাজিকীকরণ হচ্ছে এমন এক পদ্ধতি যার মাধ্যমে ব্যক্তি একই রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গিসম্পন্ন সংস্কৃষ্টির দীক্ষা লাভ করে। | Allian R. Ball এর মতে, “রাজনৈতিক ব্যবস্থা সম্পর্কে বিশ্বাস না মূল্যবােধের প্রতিষ্ঠা ও বিকাশই হচ্ছে রাজনৈতিক সামাজিকীকরণ।”  ডেভি ইন এশং জ্যাক ভেনিস এর ভাষায়, “রাজনৈতিক সামাজিকীকরণ সে পন্থাকে নির্দেশ করে যার মাধ্যমে সমান্স এক প্রজন্ম থেকে আরেক প্রজননার নিকট রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি যেমন- জনি, মনােভাব বা আদর্শ এবং মূল্যবােধ সঞ্চার করে থাকে।” Herbert Hyman এর মতে, “রাজনৈতিক সামাজিকীকরণ হচ্ছে আবেগতাড়িত ও বাহ্যিক রাজনৈতিক ভাবধারা, যা আচার আচরণ শিক্ষা লাভের এক বিরামহীন প্রক্রিয়া।” অতএব বলা যায়, যে প্রক্রিয়ার সাহায্যে ব্যক্তি যে কোন রাজনৈতিক ব্যবস্থার বিভিন্ন পর্যায়ের সাথে সম্পর্কযুক্ত হয় এবং রাজনৈতিক অংশগ্রহণ করতে উদ্ধ হয় তাই হলাে রাজনৈতিক সামাজিকীকরণ। এর সাহায্যে ব্যক্তি রাজনৈতিক সংস্কৃতির সাথে পরিচিত হয়ে উঠে। রাজনীতি ...

এলিট তত্ত্ব কী? বাংলাদেশের রাজনীতি বিশ্লেষণে এলিট তত্ত্বের কার্যকারিতা এবং উন্নয়নশীল দেশে এলিটদের অবদান পর্যালােচনা কর।

এলিট তত্ব : আভিধানিক অর্থে এলিটবাদ উৎকৃষ্ট শ্রেণির মুষ্টিমেয় শাসককে বুঝায়। প্রকৃতপক্ষে এলিটবাদের মূল প্রতিপাদ্য বিষয় হলাে সব সমাজেই দুটি প্রধান শ্রেণির অস্তিত্ব লক্ষ্য করা যায়। এক শ্রেণি মুষ্টিমেয় ব্যক্তি (দক্ষ ও নেতৃত্বের গুণাবলি সম্পন্ন) যারা শাসক আর অপর শ্রেণি সংখ্যাগরিষ্ঠ (সাধারণ জনগণ) যারা শাসিত হয়, তাদের সমন্বয়ে গঠিত। এটি হচ্ছে এলিট তত্ত্বের মূলকথা। সুতরাং এলিট তত্ত্ব অনুযায়ী যেভাবেই বা যে কোন কারণেই হােক না কেন প্রতিটি সমাজেই জনসংখ্যার সংখ্যালঘু ক্ষুদ্র অংশ শাসন করে এবং সংখ্যাধিক্য জনগােষ্ঠী শাসিত হয়। নিম্নে বিভিন্ন রাষ্ট্রবিজ্ঞানী প্রদত্ত কতিপয় সংজ্ঞা উপস্থাপন করা হলাে : প্যারেটো তার সুপ্রসিদ্ধ গ্রন্থ ' The Mind and Society' এ এলিটের সংজ্ঞা দিতে গিয়ে বলেছেন, “এলিট হচ্ছে এমন এক জনসমষ্টি যাদের নিজস্ব কর্মক্ষেত্রে সর্বাধিক দক্ষতা রয়েছে।" মসকা তার 'The Rulling Class গ্রন্থে এলিট তত্ত্বের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে বলেছেন, "সকল সমাজেই দু'শ্রেণির জনগণ দেখা যায়, এক শ্রেণি যারা শাসন করে এবং অপর শ্রেণি যারা শাসিত হয়। শাসকশ্রেণি সবসময় সংখ্যায় স্বল্প ক...

এলিট বলতে কী বুঝ? মসকা ও প্যারেটোর এলিট তত্নের একটি তুলনামূলক আলােচনা তুলে ধর।

এলিট (Elite) : এটি শটির আভিধানিক অর্থ হলাে উৎকৃষ্ট শ্রেণির ব্যাক্তিবর্গ। সাধারণত এলিট বলতে সমাজের সেসব ব্যাক্তিবর্গকে বুঝায় যারা সমাজে এখন বিশেষ স্থান দখল করে মানসম্মান ও প্রভাব প্রতিপত্তি বিস্তার করে বসবাস করেন। প্রামান্য সংজ্ঞা : বিভিন্ন চিন্তাবিদ ও দার্শনিক বিভিন্নভাবে এলিটদের সংজ্ঞা প্রদান কৰোছেন। নিম্নে তাদের কতিপয় সংজ্ঞা উপস্থাপন করা হলাে। T, B Battomore এর মতে, “সমাজে উচ্চ মর্যাদাসম্পন্ন যে কোন বৃত্তিমূলক বিশেষ করে পেশাভিত্তিক গৌষ্টিই এলিট। H,D Lasswell বলেছেন, “যে কোন সুবিধা লাভের অধিকাংশ উপভােগকারী কতিপয় ব্যক্তি এলিট, আর অবশিষ্টরা হচ্ছে সাধারণ লােক।” Robert Michels বলেছেন, “সকল রাজনৈতিক দলে নেতৃত্ব প্রদান করে কতিপয় ব্যক্তি, এ কতিপয় ব্যক্তিই হলেন এলিট। C. W. Mills , "Who decide whatever is decided if major consequence." মসকা ও প্যারেটোর এলিট তত্নের একটি তুলনামূলক আলােচনা সমাজ ও রাজনীতি বিশ্লেষণের তত্ত্ব হিসেবে এলিট তত্ত্ব একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে আছে এবং এ তত্ত্বের জনপ্রিয়তা উত্তরােত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে। উনবিংশ শতাব্দীর শেষে এবং বিংশ শতাব্দীর প্রথমভাগে...

রাজনীতি অধ্যয়নে গতানুগতিক পদ্ধতি ও আধুনিক পদ্ধতির পার্থক্য

গতানুগতিক ও আধুনিক পদ্ধতির পার্থক্য :  রাজনীতি বিশ্লেষণে গতানুগতিক ও আধুনিক পদ্ধতির মধ্যে পার্থক্য আলােচনা করা হলাে :   ১, রাজনীতির সংজ্ঞা ও প্রকৃতিগত পার্থক্য : গতানুগতিক পদ্ধতির অনুসারিগণ রাজনীতির সংজ্ঞা ও প্রকৃতি নির্ধারণ করেছেন রাষ্ট্র, সরকার ও সার্বভৌমত্ব ইত্যাদির নিরিখে । তাদের সংজ্ঞা ছিল খুবই সংকীর্ণ। অন্যদিকে, আধুনিক পদ্ধতির অনুসারিগণ রাজনৈতিক ক্ষমতা, কর্তত্ব, প্রভাব এবং বিরোধের প্রেক্ষাপটে সংজ্ঞায়িত করার প্রয়াস করেছেন। আধুনিক সংজ্ঞায় রাজনীতির পরিধি ব্যাপক ও বিস্তৃত। সুতরাং রাজনীতির সংজ্ঞা ও প্রকৃতিগত দিক থেকে উভয় পদ্ধতির মধ্যে 'পার্থক্য লক্ষণীয়। ২, উদ্দেশাগত পার্থক্যঃ গতানুগতিক পদ্ধতির উদ্দেশ্য ছিল আদর্শ রাজনৈতিক জীবনের অনুসন্ধান করা। কোনটি মহৎ এবং আদর্শরূপ তাই তখন অনুসন্ধান করা হতাে। কিন্তু আধুনিক পদ্ধতির লক্ষ্য হলাে বাস্তবভিত্তিক ঘটনার উপস্থাপন। এখানে অভিজ্ঞতালব্ধ ও প্রয়োগযোগ্য তত্ত্ব গঠনের লক্ষ্যে রাজনৈতিক অনুসন্ধান কার্য পরিচালিত হয়। ৩. পদ্ধতিগত পার্থক্য : গতানুগতিক অধ্যয়ন পদ্ধতির ক্ষেত্রে পদ্ধতি হিসেবে ব্যবহৃত হতাে দার্শনিক, ঐতিহাসিক, অবরােহমূলক, ত...

রাজনীতি অধ্যয়নে গুরুতপূর্ণ গতানুগতিক পদ্ধতিসমূহ আলােচনা কর

রাজনীতি অধ্যয়নে গুরুতপূর্ণ গতানুগতিক পদ্ধতিসমূহ বা , রাজনীতি বিশ্লেষণে গতানুগতিক পদ্ধতিগুলাে গতানুগতিক পদ্ধতিসমূহ : গতানুগতিক পদ্ধতি কয়টি বা কোন কোন পদ্ধতি এর অন্তর্ভুক্ত এ নিয়ে আবার রাষ্ট্রবিজ্ঞানীদের মধ্যে মতপার্থক্য রয়েছে। নিম্নে রাজনীতি অধ্যয়নের গুরুত্বপূর্ণ গতানুগতিক পদ্ধতিসমূহ সংক্ষেপে আলােচনা করা হলাে : ১. ঐতিহাসিক পদ্ধতি : রাজনীতি বিশ্লেষণের ক্ষেত্রে ঐতিহাসিক পদ্ধতি একটি গুরুত্বপূর্ণ পদ্ধতি। ঐতিহাসিক  পদ্ধতি বলতে সংগৃহীত তথ্য বা প্রমাণের ভিত্তিতে অতীত ঘটনাবলির বিশ্লেষণ এবং সাম্প্রতিক কালের রাজনৈতিক ক্রিয়াকলাপ সম্পর্কে সম্ভাব্য অনুসিদ্ধান্তে উপনীত হওয়াকে বুঝায়। এর সাহায্যে অতীতের ঘটনাবলিকে পরীক্ষা নিরীক্ষা করে রাষ্ট্র, শাসনব্যবস্থা, আইন এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানের ভবিষ্যৎস্বরূপ নির্ধারণ করা যায়। এ পদ্ধতির মাধ্যমে রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানসমূহের বিবর্তন কিভাবে হয়েছে তা অনুসন্ধান করা যায়। তাছাড়া রাষ্ট্রের বর্তমান অবস্থা ও গতিপ্রকৃতি সম্পর্কে সম্যক জ্ঞানলাভ করা যায়। এজন্য অনেক রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ঐতিহাসিক পদ্ধতি গ্রহণের পক্ষে মত দিয়েছেন। এ পদ্ধতির সাহায্যে অতীত ও বর্...