Skip to main content

সংস্কৃতি কী? রাজনীতি অধ্যয়নে রাজনৈতিক সংস্কৃতির গুরুত্ব আলােচনা কর।


সংস্কৃতি : সংস্কৃতির ইংরেজি প্রতিশব্দ হলাে Culture। Culture শব্দটি এসেছে ল্যাটিন শব্দ Colere থেকে। Colere শব্দের অর্থ হলাে কর্ষণ করা। সুতরাং বুৎপত্তিগত অর্থে সংস্কৃতি বলতে বুঝায় কর্ষণের মাধ্যমে প্রাপ্ত বিষয়।


সাধারণভাৰে সংস্কৃতি বলতে বুঝায় মার্জিত রুচি বা অভ্যসজাত উৎকর্ষ। সহজভাবে বলা যায়, সংস্কৃতি হলাে শিক্ষা ও চর্চার দ্বারা পরিশীলিত এবং মার্জিত রুচিসম্পন্ন আচার অনুষ্ঠান।

প্রামাণ্য সংজ্ঞা : নিম্নে সংস্কৃতির কতিপয় সংজ্ঞা উপস্থাপন করা হলাে :

এডওয়ার্ল্ড টেইলার এর মতে, “সমাজের সমষ্টিগত জ্ঞান, বিশ্বাস, কলা, নৈতিকতা, রীতিনীতি, আইন, মানুষের অর্জিত বিভিন্ন অভ্যাস ও দক্ষতা সবকিছুরই জটিল মিশ্র রূপ হলো সংস্কৃতি।”

Malinowski এর মতে “সংস্কৃতি হলাে মানুষের তৈরি বস্তু এবং একটি উপায় যার মাধ্যমে সে তার উদ্দেশ্য সাধন করে।”

Jones এর মতে, Culture is the sumtotal of mans creation" অর্থাৎ, মানব সৃষ্ট সকল কিছুরই সমষ্টিই হলাে সংস্কৃতি।

ম্যাকাইভার এর মতে, "Our culture is what we are," অর্থাৎ, আমরা যে অবস্থায় আছি, তাই সংস্কৃতি।




রাজনৈতিক সংস্কৃতির গুরুত্ব বা প্রয়ােজনীয়তা : নিম্নে রাজনৈতিক সংস্কৃতির গুরুত্ব বা প্রয়ােজনীয়তা আলােচনা করা হলাে :

১, পরিবর্তন ব্যাখ্যা : প্রতিটি সমাজ ও সংস্কৃতিই পরিবর্তনশীল। সমাজ ও সংস্কৃতিতে পরিবর্তন সূচিত হওয়ার সাথে সাথে মানুষের সমাজ জীবন ও আচরণেও পরিবর্তন আসে। মানুষ নতুনত্বের ধারায় আলােড়িত হয়। রাজনৈতিক সংস্কৃতি সমাজ ও সংস্কৃতি পরিবর্তন সংক্রান্ত যাবতীয় অধ্যয়নে অংশগ্রহণ করে। এতে পরিবর্তনের ধারা, ফলাফল, কারণ, সময়, উদ্দেশ্য প্রভৃতি বিষয় নিয়ে আলােচনা করে। অতীত ঐতিহ্য ও ধর্ম প্রক্রিয়া পরিবর্তিত হয়ে কিভাবে বর্তমান রূপ লাভ করে। অর্থাৎ অতীত থেকে বর্তমান পেয়েছে, সে বিষয়ে এ তথ্য প্রদান করে। তবে রাজনৈতিক সংস্কৃতি সর্ব উন্নয়নকে স্বরান্বিত করতে পারে না।

২. রাজনৈতিক ব্যাখ্যা প্রদান : প্রত্যেক দেশের রাজনৈতিক ব্যবস্থা ও রাজনৈতিক সংস্কৃতি ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত। বাজনৈতিক ব্যবস্থায় বিশ্লেষণ রাজনৈতিক সংস্কৃতি 'রুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। রাজনৈতিক সংস্কৃতির সাথে বজনীতির কতিপয় বিষয়ে সংশ্লিষ্টতা, সেগুলাে মানব আচরণ ও মনোভাবের সাথে সম্পর্কযুক্ত। এ ধরনের সম্পর্ক রাজনৈতিক ব্যবস্থার বিশ্লেষণে সহায়ক ভূমিকা পালন করে।

৩, বিভিন্ন উপাদানের মিশ্রণ ঘটানাে ; রাজনৈতিক সংস্কৃতি যেসব উপাদানে সমন্বয়ে গঠিত হয় সেগুলো ব্যষ্টিক ও শটির মধ্যকার যােগসূত্র স্থাপনে সহায়ক রাজনৈতিক সংস্কৃতি। রাজনৈতিক সংস্কৃতি ব্যক্তির আচরণ ও মনােভাব উপসংস্কৃতিসহ বিভিন্ন উপাদানের সমন্বয়ে গঠিত হয়। তাছাড়া রাজনৈতিক সংস্কৃতি রাজনৈতিক ও অরাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি আদা পাথক্য নিরূপণ করে। এভাবে মুল কাজনৈতিক ধারায় প্রবাহিত হয়ে রাজনৈতিক সংস্কৃতি নিজের অস্তিত্বকে রক্ষা করে সাথে সাথে সংস্কৃতিকেও সমুন্নত রাখে।


৪,. জাতীয় সংহতি অর্জন : রাজনৈতিক সংস্কৃতির গুরুত্ব হিসেবে বলা যায় রাজনৈতিক সংস্কৃতি জাতীয় সংহতি বা একাত্মতা সৃষ্টি করে। রাজনৈতিক সংস্কৃতি জাতীয়তাবাদের চেতনায় উদ্বুদ্ধ করে।

৫. গােষ্ঠী ও উপগােষ্ঠী সম্পর্কিত আলােচনাঃ সংস্কৃতি যেমন সংকীর্ণ বিষয় নয়, তেমনি একই সাথে রাজনীতিও এলট বিস্তৃত বিষয়। একই রাজনীতি ও সংস্কৃতির অন্তর্গত বিভিনুগােষ্ঠী উপগােষ্ঠীকে নিয়ে রাজনৈতিক সংস্কৃতি আলােচনা করে। বিভিন্ন উপগােষ্ঠীর সংস্কৃতি আলােচনা করতে গিয়ে রাজনৈতিক সাংস্কৃতিক গােষ্ঠী ও উপগােষ্ঠীর মধ্যকার পার্থক্য নিরূপণ করে। এভাবে গােষ্ঠীর তুলনায় উপযোগীর বিভিন্ন সমস্যা এবং প্রত্যাশা সম্পর্কে জানা সহজ হয়।

৬, জাতি গঠন ও জাতীয় রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা : আধুনিক বিশ্বে কিছু কিছু বৃহৎ রাষ্ট্র ভেঙে জাতীয় রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে। আবার কিছু কিছু রাষ্ট্রের অখণ্ডতা বিপন্ন হয়েছে। জাতি গঠন ও জাতীয় রাষ্টের প্রতিষ্ঠা না করতে পারলে এদের অখণ্ডতা বিপন্ন হতে পারে। জাতি গঠন ও জাতীয় রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার মতাে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে। রাজনৈতিক সংস্কৃতি প্রসঙ্গে Myron Weiner বলেছেন, “যেখানে (ভারত) কেবল এলিট ও Mass সংস্কৃতি নয়, বরং বিভিন্নমুখী Mass সংস্কৃতি পরস্পর দ্বন্দ্বে লিপ্ত, যা জাতি গঠনের ক্ষেত্রে সমস্যার সৃষ্টি করেছে।" জাতি গঠনের বিষয়টি উন্নয়নশীল দেশগুলােতে বেশি প্রয়ােগ করা যায় । উন্নয়নশীল দেশে একই জাতি ও জাতীয় রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা গেলে উন্নয়ন প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত হয়।

৭, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ; একটি দেশে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা সর্বতােভাবে রাষ্ট্রের উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করে তোলে। সরকার, রাজনীতি, রাজনৈতিক দলের কার্যপ্রক্রিয়াকে স্বাভাবিক গতিতে প্রবাহিত করার জন্য রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষা অপরিহার্য। রাজনৈতিক সংস্কৃতি রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষার্থে সহায়তা করে।


৮, রাজনৈতিক সামাজিকীকরণ : রাজনৈতিক সামাজিকীকরণের সাথে রাজনৈতিক সংস্কৃতির সম্পর্ক অত্যন্ত গভীর। ব্যক্তিকে সামাজিকীকরণ প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে তার পারিপার্শ্বিকতার সাথে পরিচিত করে দেয়া হয়। সামাজিকীকরণের বিশেষ পর্যায়ে মানুষ সংস্কৃতির সাথে পরিচিত হয়। রাজনৈতিক সংস্কৃতি বা রাজনৈতিক কৃষ্টি ব্যক্তিকে রাজনৈতিক সামাজিকীকরণের আওতায় আনতে সহায়তা করে।

৯. ভবিষ্যদ্বাণী : যে কোন তত্ত্ব বা প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে ভবিষ্যদ্বাণী করার ক্ষমতা একটি বিশেষ গুণ হিসেবে বিবেচিত হয়। রাজনৈতিক সংস্কৃতি ব্যক্তির সাথে রাজনীতির সম্পর্ক বজায় রেখে রাজনীতির বর্তমান ও অতীত বিশ্লেষণ করে এবং বর্তমান ও অতীত অবস্থার প্রেক্ষিতে ভবিষ্যৎকে বিশ্লেষণ করতে পারে। এভাবেই রাজনৈতিক সংস্কৃতি ভবিষ্যৎ বিশ্লেষণ করতে পারে।

১০. রাজনৈতিক কাঠামোর বিশ্লেষণ : Sidney Verba বলেছেন, “রাজনৈতিক সংস্কৃতি ও কাঠামাের মধ্যে সম্পর্কের চক্র বিদ্যমান"। একটি সমাঙ্গে রাজনৈতিক কাঠামাে জনগণের মনােভাব ও আচরণের অনুশীলনের মাধ্যমে গড়ে উঠে। জনগণের মনােভাব ও আচরণ সামাজিকীকরণ প্রক্রিয়ায় গড়ে উঠে। সামাজিকীকরণে বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে ব্যক্তি বিশেষ বিশেষ সংস্কৃতির সাথে পরিচিতি লাভ করে। এ সংস্কৃতিই বিভিন্ন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে রাজনৈতিক কাঠামাে গড়ে তােলে।

উপসংহার : উপযুক্ত আলােচনার পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায় যে, রাজনৈতিক সংস্কৃতি মূলত একটি রাজনৈতিক ব্যবস্থা সম্পর্কে ব্যক্তির মনােভাব ও মূল্যবােধ, যা আধুনিক রাজনীতি বিশ্লেষণে একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। আর এ রাজনৈতিক সংস্কৃতির গঠন, সংরক্ষণ ও সঞ্চালনের প্রক্রিয়াই হলাে রাজনৈতিক সামাজিকীকরণ। তাই পরিশেষে বলতে হয় রাজনৈতিক সংস্কৃতি যে কোন দেশের Political situation পরিবর্তন সামাজিকীকরণ ঘটানাে ব্যক্তি আচার আচরণকে প্রভাবিত ও পরিবর্তন করতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেই চলেছে।

Comments

Popular posts from this blog

রাজনীতি অধ্যয়নে গতানুগতিক পদ্ধতি ও আধুনিক পদ্ধতির পার্থক্য

গতানুগতিক ও আধুনিক পদ্ধতির পার্থক্য :  রাজনীতি বিশ্লেষণে গতানুগতিক ও আধুনিক পদ্ধতির মধ্যে পার্থক্য আলােচনা করা হলাে :   ১, রাজনীতির সংজ্ঞা ও প্রকৃতিগত পার্থক্য : গতানুগতিক পদ্ধতির অনুসারিগণ রাজনীতির সংজ্ঞা ও প্রকৃতি নির্ধারণ করেছেন রাষ্ট্র, সরকার ও সার্বভৌমত্ব ইত্যাদির নিরিখে । তাদের সংজ্ঞা ছিল খুবই সংকীর্ণ। অন্যদিকে, আধুনিক পদ্ধতির অনুসারিগণ রাজনৈতিক ক্ষমতা, কর্তত্ব, প্রভাব এবং বিরোধের প্রেক্ষাপটে সংজ্ঞায়িত করার প্রয়াস করেছেন। আধুনিক সংজ্ঞায় রাজনীতির পরিধি ব্যাপক ও বিস্তৃত। সুতরাং রাজনীতির সংজ্ঞা ও প্রকৃতিগত দিক থেকে উভয় পদ্ধতির মধ্যে 'পার্থক্য লক্ষণীয়। ২, উদ্দেশাগত পার্থক্যঃ গতানুগতিক পদ্ধতির উদ্দেশ্য ছিল আদর্শ রাজনৈতিক জীবনের অনুসন্ধান করা। কোনটি মহৎ এবং আদর্শরূপ তাই তখন অনুসন্ধান করা হতাে। কিন্তু আধুনিক পদ্ধতির লক্ষ্য হলাে বাস্তবভিত্তিক ঘটনার উপস্থাপন। এখানে অভিজ্ঞতালব্ধ ও প্রয়োগযোগ্য তত্ত্ব গঠনের লক্ষ্যে রাজনৈতিক অনুসন্ধান কার্য পরিচালিত হয়। ৩. পদ্ধতিগত পার্থক্য : গতানুগতিক অধ্যয়ন পদ্ধতির ক্ষেত্রে পদ্ধতি হিসেবে ব্যবহৃত হতাে দার্শনিক, ঐতিহাসিক, অবরােহমূলক, ত...

এলিট বলতে কী বুঝ? মসকা ও প্যারেটোর এলিট তত্নের একটি তুলনামূলক আলােচনা তুলে ধর।

এলিট (Elite) : এটি শটির আভিধানিক অর্থ হলাে উৎকৃষ্ট শ্রেণির ব্যাক্তিবর্গ। সাধারণত এলিট বলতে সমাজের সেসব ব্যাক্তিবর্গকে বুঝায় যারা সমাজে এখন বিশেষ স্থান দখল করে মানসম্মান ও প্রভাব প্রতিপত্তি বিস্তার করে বসবাস করেন। প্রামান্য সংজ্ঞা : বিভিন্ন চিন্তাবিদ ও দার্শনিক বিভিন্নভাবে এলিটদের সংজ্ঞা প্রদান কৰোছেন। নিম্নে তাদের কতিপয় সংজ্ঞা উপস্থাপন করা হলাে। T, B Battomore এর মতে, “সমাজে উচ্চ মর্যাদাসম্পন্ন যে কোন বৃত্তিমূলক বিশেষ করে পেশাভিত্তিক গৌষ্টিই এলিট। H,D Lasswell বলেছেন, “যে কোন সুবিধা লাভের অধিকাংশ উপভােগকারী কতিপয় ব্যক্তি এলিট, আর অবশিষ্টরা হচ্ছে সাধারণ লােক।” Robert Michels বলেছেন, “সকল রাজনৈতিক দলে নেতৃত্ব প্রদান করে কতিপয় ব্যক্তি, এ কতিপয় ব্যক্তিই হলেন এলিট। C. W. Mills , "Who decide whatever is decided if major consequence." মসকা ও প্যারেটোর এলিট তত্নের একটি তুলনামূলক আলােচনা সমাজ ও রাজনীতি বিশ্লেষণের তত্ত্ব হিসেবে এলিট তত্ত্ব একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে আছে এবং এ তত্ত্বের জনপ্রিয়তা উত্তরােত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে। উনবিংশ শতাব্দীর শেষে এবং বিংশ শতাব্দীর প্রথমভাগে...

শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়নের গুরুত্ব বা প্রয়ােজনীয়তা

শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়নের গুরুত্ব অপরিসীম। সমাজবিজ্ঞানের একটি নতুন বিষয়ের অন্তর্ভুক্ত হলেও শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়ন এর গুরুত্ব পৃথিবীর অনেক দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি পাঠ্যবিষয় হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, ইংল্যান্ড, ভারত ও বাংলাদেশের অনেক বিশ্ববিদ্যালয়েও এর স্বীকৃতির পরিচয় পাওয়া। যায়। ক্রমাগত বিষয়টির গুরুত্ব বাড়ছে এবং এটি একটি একাডেমিক বিষয় হিসেবে প্রতিষ্ঠিত। শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়নের গুরুত্ব : শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়ন একদিকে যেমন শান্তির ধারণা সম্পর্কে তথ্য দেয়। অন্যদিকে তা সংঘর্ষ বিষয়ক নানা তথ্য প্রদান করে থাকে। নিম্নে শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়নের গুরুত্ব আলােচনা করা হলাে : ১ . ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের মধ্যে শান্তি স্থাপন করে : শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়ন বিভিন্ন ব্যক্তির মধ্যে শান্তির সম্পর্ক ব্যক্তিগত শান্তি, প্রতিবেশীর মধ্যে শান্তি, আন্তঃগােষ্ঠীর মধ্যে শান্তি, বৈবাহিক শান্তি, রাষ্ট্র ও সভ্যতার মধ্যে কিভাবে শান্তি অর্জন করা যায় সে সম্পর্কে আলােচনা করে। এ আলােচনা পর্যালােচনা মানবসমাজের প্রভূত উপকার সাধন করে। ২. মূল্যবােধের উপর গুরুত্ব প্রদা...