Skip to main content

'রাজনীতি ও উন্নয়নে নারী' সাজেশন

 খ বিভাগ

১. নারী নির্যাতন বলতে কি বুঝ

২. সেক্স ও জেন্ডারের মধ্যে পার্থক্য দেখাও

৩. নারীর ক্ষমতায়নে Ngo এর ভূমিকা লিখ

৪. রাজনীতিতে নারীর অংশগ্রহণ বলতে কি বুঝ

৫. জাতীয় সংসদে নারীদের সংরক্ষিত আসনের প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা কর

৬. নারী দশকের লক্ষ্য কি

৭. পুরুষতান্ত্রিক মতাদর্শ কি

৮. নিরাপদ মাতৃত্ব বলতে কি বুঝ

৯. নারীর ক্ষমতায়ন বলতে কি বুঝ

১০. উদারপন্থী নারীবাদ কি

১১. নারী উন্নয়নের এপ্রোচগুলো কী

১২. নারীর অদৃশ্য অবদান কি

১৩. পুজিবাদে নারীর অবস্থান নির্ণয় কর

১৪. শিক্ষাক্ষেত্রে বাংলাদেশে নারীর অবস্থান উল্লেখ কর

১৫. নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে বাংলাদেশ সরকার কতৃক গৃহীত উদ্যোগ গুলো কি

১৬. লিঙ্গভিত্তিক সন্ত্রাসের সংজ্ঞা দাও।


গ বিভাগ 


১. নারী ও রাজনীতি অধ্যয়নের প্রয়োজনীয়তা আলোচনা কর।

২. বাংলাদেশের জাতীয় অর্থনীতিতে নারীর অবদান আলোচনা কর।

৩. নারীর উপর বিশ্বায়নের প্রভাব আলোচনা কর।

৪. নারী উন্নয়নে গণমাধ্যমের ভূমিকা আলোচনা কর।

৫. বাংলাদেশের রাজনীতিতে নারীর অংশগ্রহণের প্রতিবন্ধকতা সমূহ আলোচনা কর।

৬. বাংলাদেশের সমাজে নারী নিরাপত্তার হুমকি কি কি।

৭. PFA এর লক্ষ্য, উদ্দেশ্য ও কৌশলসমূহ আলোচনা কর।

৮. নারীর প্রতি সন্ত্রাস দূরীকরণের উপায়সমূহ আলোচনা কর।

৯. বাংলাদেশের নারী আন্দোলনের মূল ইস্যুসমূহ আলোচনা কর।

১০. নারীর অধস্থনতা বলতে কি বুঝ?  নারীর অধস্থনতার কারণসমূহ আলোচনা কর।

১১. নারী অধিকার বলতে কি বুঝ? বাংলাদেশের সংবিধানে সন্নিবেশিত নারী অধিকারসমূহ আলোচনা কর।

১২. শিক্ষাক্ষেত্রে নারীদের পশ্চাৎপদতার কারণ কি?

১৩. নারী উন্নয়নের জন্য বাংলাদেশ সরকার কতৃক গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপ ব্যাখ্যা কর।

১৪. নারীর প্রতি সকল প্রকার বৈষম্য বিলোপসাধন (সিডও) বস্তুতপক্ষে একটি নারী অধিকার সনদ- তোমার মতামত দাও

১৫. বাংলাদেশের প্রশাসনে ও স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় নারীর অবস্থান ব্যাখ্যা কর।

১৬. জাতিসংঘ কতৃক গৃহীত নারী উন্নয়নের পদক্ষেপ সমূহ আলোচনা কর।

১৭. ইসলামে নারীর অধিকার ও মর্যাদা আলোচনা কর।

১৮. নারী আন্দোলনের ইতিহাস আলোচনা কর।

Comments

Popular posts from this blog

রাজনীতি অধ্যয়নে গতানুগতিক পদ্ধতি ও আধুনিক পদ্ধতির পার্থক্য

গতানুগতিক ও আধুনিক পদ্ধতির পার্থক্য :  রাজনীতি বিশ্লেষণে গতানুগতিক ও আধুনিক পদ্ধতির মধ্যে পার্থক্য আলােচনা করা হলাে :   ১, রাজনীতির সংজ্ঞা ও প্রকৃতিগত পার্থক্য : গতানুগতিক পদ্ধতির অনুসারিগণ রাজনীতির সংজ্ঞা ও প্রকৃতি নির্ধারণ করেছেন রাষ্ট্র, সরকার ও সার্বভৌমত্ব ইত্যাদির নিরিখে । তাদের সংজ্ঞা ছিল খুবই সংকীর্ণ। অন্যদিকে, আধুনিক পদ্ধতির অনুসারিগণ রাজনৈতিক ক্ষমতা, কর্তত্ব, প্রভাব এবং বিরোধের প্রেক্ষাপটে সংজ্ঞায়িত করার প্রয়াস করেছেন। আধুনিক সংজ্ঞায় রাজনীতির পরিধি ব্যাপক ও বিস্তৃত। সুতরাং রাজনীতির সংজ্ঞা ও প্রকৃতিগত দিক থেকে উভয় পদ্ধতির মধ্যে 'পার্থক্য লক্ষণীয়। ২, উদ্দেশাগত পার্থক্যঃ গতানুগতিক পদ্ধতির উদ্দেশ্য ছিল আদর্শ রাজনৈতিক জীবনের অনুসন্ধান করা। কোনটি মহৎ এবং আদর্শরূপ তাই তখন অনুসন্ধান করা হতাে। কিন্তু আধুনিক পদ্ধতির লক্ষ্য হলাে বাস্তবভিত্তিক ঘটনার উপস্থাপন। এখানে অভিজ্ঞতালব্ধ ও প্রয়োগযোগ্য তত্ত্ব গঠনের লক্ষ্যে রাজনৈতিক অনুসন্ধান কার্য পরিচালিত হয়। ৩. পদ্ধতিগত পার্থক্য : গতানুগতিক অধ্যয়ন পদ্ধতির ক্ষেত্রে পদ্ধতি হিসেবে ব্যবহৃত হতাে দার্শনিক, ঐতিহাসিক, অবরােহমূলক, ত...

এলিট বলতে কী বুঝ? মসকা ও প্যারেটোর এলিট তত্নের একটি তুলনামূলক আলােচনা তুলে ধর।

এলিট (Elite) : এটি শটির আভিধানিক অর্থ হলাে উৎকৃষ্ট শ্রেণির ব্যাক্তিবর্গ। সাধারণত এলিট বলতে সমাজের সেসব ব্যাক্তিবর্গকে বুঝায় যারা সমাজে এখন বিশেষ স্থান দখল করে মানসম্মান ও প্রভাব প্রতিপত্তি বিস্তার করে বসবাস করেন। প্রামান্য সংজ্ঞা : বিভিন্ন চিন্তাবিদ ও দার্শনিক বিভিন্নভাবে এলিটদের সংজ্ঞা প্রদান কৰোছেন। নিম্নে তাদের কতিপয় সংজ্ঞা উপস্থাপন করা হলাে। T, B Battomore এর মতে, “সমাজে উচ্চ মর্যাদাসম্পন্ন যে কোন বৃত্তিমূলক বিশেষ করে পেশাভিত্তিক গৌষ্টিই এলিট। H,D Lasswell বলেছেন, “যে কোন সুবিধা লাভের অধিকাংশ উপভােগকারী কতিপয় ব্যক্তি এলিট, আর অবশিষ্টরা হচ্ছে সাধারণ লােক।” Robert Michels বলেছেন, “সকল রাজনৈতিক দলে নেতৃত্ব প্রদান করে কতিপয় ব্যক্তি, এ কতিপয় ব্যক্তিই হলেন এলিট। C. W. Mills , "Who decide whatever is decided if major consequence." মসকা ও প্যারেটোর এলিট তত্নের একটি তুলনামূলক আলােচনা সমাজ ও রাজনীতি বিশ্লেষণের তত্ত্ব হিসেবে এলিট তত্ত্ব একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে আছে এবং এ তত্ত্বের জনপ্রিয়তা উত্তরােত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে। উনবিংশ শতাব্দীর শেষে এবং বিংশ শতাব্দীর প্রথমভাগে...

শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়নের গুরুত্ব বা প্রয়ােজনীয়তা

শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়নের গুরুত্ব অপরিসীম। সমাজবিজ্ঞানের একটি নতুন বিষয়ের অন্তর্ভুক্ত হলেও শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়ন এর গুরুত্ব পৃথিবীর অনেক দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি পাঠ্যবিষয় হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, ইংল্যান্ড, ভারত ও বাংলাদেশের অনেক বিশ্ববিদ্যালয়েও এর স্বীকৃতির পরিচয় পাওয়া। যায়। ক্রমাগত বিষয়টির গুরুত্ব বাড়ছে এবং এটি একটি একাডেমিক বিষয় হিসেবে প্রতিষ্ঠিত। শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়নের গুরুত্ব : শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়ন একদিকে যেমন শান্তির ধারণা সম্পর্কে তথ্য দেয়। অন্যদিকে তা সংঘর্ষ বিষয়ক নানা তথ্য প্রদান করে থাকে। নিম্নে শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়নের গুরুত্ব আলােচনা করা হলাে : ১ . ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের মধ্যে শান্তি স্থাপন করে : শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়ন বিভিন্ন ব্যক্তির মধ্যে শান্তির সম্পর্ক ব্যক্তিগত শান্তি, প্রতিবেশীর মধ্যে শান্তি, আন্তঃগােষ্ঠীর মধ্যে শান্তি, বৈবাহিক শান্তি, রাষ্ট্র ও সভ্যতার মধ্যে কিভাবে শান্তি অর্জন করা যায় সে সম্পর্কে আলােচনা করে। এ আলােচনা পর্যালােচনা মানবসমাজের প্রভূত উপকার সাধন করে। ২. মূল্যবােধের উপর গুরুত্ব প্রদা...