Skip to main content

Posts

Showing posts with the label Peace and Conflict Studies

সাজেশন । শান্তি এবং সংঘাত অধ্যায়ন পরিচিতি । রাষ্ট্রবিজ্ঞান ৩য় বর্ষ

অনার্স ৩য় বর্ষ, বিভাগ রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিষয় : শান্তি এবং সংঘাত অধ্যায়ন পরিচিতি বিষয় কোড: 231909 ক. বিভাগ অতিসংক্ষিপ্ত প্রশ্নত্তর ১. ’Peace’ শব্দটি ল্যাটিন কোন শব্দ থেকে উৎপত্তি হয়েছে? উত্তর: ল্যাটিন শব্দ ‘Pax’ থেক ‘Peace’ শব্দটির উৎপত্তি হয়েছে এবং এর অর্থ শান্তি। ২. শালম শব্দের অর্থ কী? উত্তর: শালম শব্দের অর্থ শান্তি। ৩. কে প্রথম শান্তি সৃষ্টি বা বিনির্মাণ প্রত্যয়টি ব্যবহার করেন? উত্তর: জোহান গালতুং প্রথম শান্তি সৃষ্টি বা বিনির্মাণ প্রত্যয়টি ব্যবহার করেন। ৪. বিশ্বশান্তি দিবস কোনটি? উত্তর: বিশ্বশান্তি দিবস ২১ সেপ্টমবর। ৫. “Peace is a process way of solving problems’’.- উক্তিটি কার? উত্তর: “Peace is a process way of solving problems’’.- উক্তিটি জন. এফ কেনেডির। ৬. ‘Understanding Conflict and War’ গ্রন্থটির লেখক কে? উত্তর: ‘Understanding Conflict and War’ গ্রন্থটির লেখক Rummel. ৭. ‘লীগ অব নেশনস’ কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়? উত্তর: ‘লীগ অব নেশনস’ ১৯২০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। ৮. জাতিসংঘের নিরাপত্তাা পরিষদের স্থায়ী সদস্য কত? উত্তর: জাতিসংঘের নিরাপত্তাা পরিষদের স্থায়ী সদস্য ৫টি। ৯. ভেটো কী? উত্তর: প্রস্তা...

শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়ন কী?

শান্তি ও সংর্ষ অধ্যয়ন : শান্তি ও সংঘর্ষ বিষয়ের মূল প্রতিপাদ্য বিষয় হচ্ছে যুদ্ধ সংঘাত নিরসন। এগুলােকে শান্তিপূর্ণ উপায়ে নিয়ন্ত্রণ। শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়নের সংজ্ঞা প্রদানের ক্ষেত্রে তাত্ত্বিকদের মধ্যে মতানৈক্য পরিলক্ষিত হয়। তাত্ত্বিকগণ বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে ভিন্ন ভিন্নভাবে শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়নের সংজ্ঞা প্রদান করেছেন। Perry and Hinds শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়নের সংজ্ঞা দিতে গিয়ে বলেছেন যে, “শান্তি এবং সংঘর্ষ অধ্যয়নের বিষয়বস্তু হিসেবে ব্যক্তি, গােষ্ঠী ও বিভিন্ন জাতির মধ্যকার প্রতিযােগিতা, শান্তি ও যুদ্ধের প্রকৃতি, মানব সভ্যতার যথাযথ ইতিহাস, বিভিন্ন জাতির মধ্যে পারস্পরিক নির্ভরশীলতা, মানবাধিকার ও মানবজাতির বিভিন্নতার প্রতি সম্মান, মানুষের ইতিবাচক মূল্যবােধ গঠনের ক্ষেত্রে পরিবেশ সৃষ্টিকরণ এবং বিভিন্ন ব্যক্তি ও সম্পর্কের প্রতি ইতিবাচক মূল্যবােধের এক সম্মিলিত প্রকাশ।” অধ্যাপক মােঃ রফিকুল ইসলাম এর মতে , “শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়ন সামাজিক বিজ্ঞানের একটি শাখা যা শান্তি ও শান্তি সংশ্লিষ্ট তাত্ত্বিক বিষয়ের অবতারণা করে।” জোহান গালং (Johan Gultung) এর মতে, "Peace and conflict studie...

জাতিগত সংঘাত কী?

বর্তমান বিশ্বে জাতিগত সংঘাত সমস্যা প্রকটরূপে আত্মপ্রকাশ করেছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে জাতিগত সংঘাতের কারণে কাভিখত অগ্রগতি অর্জিত হচ্ছে না। জাতিগত সংঘাত রাজনৈতিক অস্থিরতার অন্যতম কারণ। জাতিগত সংঘাতে সমাজব্যবস্থার মত পার্থক্য দেখা দেয়। যার ফলশ্রুতিতে রাজনৈতিক অস্থিরতার জন্ম দেয়।। জাতিগত সংঘাত : জাতিগত সংঘাত বলতে যখন কোন দেশে বসবাসরত বিভিন্ন জাতি ও উপজাতির মধ্যে বিভিন্ন স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে বিবাদ বা দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে রূপলাভ করে তখন তাকে জাতিগত সংঘাত বলে। বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন জাতি বসবাস করে। এই সকল ভিন্ন ভিন্ন জাতিগুলাের ভিন্ন ভিন্ন আদর্শ ও সংস্কৃতি বিদ্যমান। ফলে এক জাতি অন্যজাতিকে তাদের সমকক্ষ মনে করে না। বিদ্যমান জাতিগুলাের মধ্যে কোন জাতি বেশি সুযােগ সুবিধা ভােগ করে আবার কোন জাতি কম সুযােগ সুবিধা ভােগ করে ফলে উভয় জাতির মধ্যে নিজ নিজ স্বার্থ নিয়ে দ্বন্দ্ব ও সংঘাত শুরু হয়। যার চুড়ান্ত রূপ হলাে জাতিগত সংঘাত। পৃথিবীর বিভিন্ন রাষ্ট্রে জাতিগত সংঘাত বিদ্যমান। যেমন- শ্রীলংকার তামিল ও সিংহলি জাতিগত দ্বন্দ্ব। . পরিশেষে বলা যায় যে, জাতিগত সংঘাত একটি রাজনৈতিক ব্যবস্থার রাজনৈতিক অস্থি...

শান্তি আন্দোলন কী?

শান্তি আন্দোলন এমন একটি সামাজিক আন্দোলন যা একটি বিশেষ যুদ্ধের সমাপ্তির মাধ্যমে একটি শান্তিপূর্ণ আদর্শ অর্জন করতে চেষ্টা করে অথবা, আন্তঃমানবিক বিশেষ পরিস্থিতিতে বিশ্বশান্তি অর্জনের জন্য সংঘর্ষ প্রশমিত করার চেষ্টা করে। আর এক্ষেত্রে শান্তিবাদ, অহিংস প্রতিরােধ, কূটনীতি, বয়কট, নৈতিকতা, যুদ্ধ বিরােধী প্রার্থীকে সমর্থন, নির্দেশনা এবং লবি ইত্যাদির মাধ্যমে উদ্দেশ্য সাধন করতে হয়। যে কোন আন্দোলনের ন্যায় শান্তি আন্দোলন একটি পরিবর্তনশীল প্রক্রিয়া। জাতিগত সংঘাত কী? শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়ন কী? Second Track Diplomacy' কী ? ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে শান্তির ধারণা কী? শান্তি আন্দোলন : শান্তির যে কোন ধারণাকে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য পরিচালিত যে কোন আন্দোলনের নামই । শান্তি আন্দোলন। এ আন্দোলন একজন ব্যক্তিকে কেন্দ্র করেও পরিচালিত হতে পারে অথবা সংগঠনও করতে পারে অথবা রাষ্ট্র করতে পারে। সুতরাং শান্তি আন্দোলনের কোন সীমা পরিসীমা নির্ধারণ সম্ভব নয়। গ্রামাণ্য সংজ্ঞা : শান্তি আন্দোলনের সংজ্ঞা দিতে গিয়ে Ho-Won Jeong বলেন, “সাধারণত প্রথাগতভাবে শান্তি আন্দোলনের আকাক্ষা হচ্ছে, যুদ্ধ বিলােপের ধারণাটি এতটাই অবশ্যম্ভা...

'Second Track Diplomacy' কী ?

বর্তমান আধুনিক রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থায় Diplomacy বা কুটনীতি খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। জাতীয় আধের সাথে মিল রেখে রাষ্ট্রের সাথে রাষ্ট্রের পারস্পরিক বােঝাপড়ার সম্পর্ক তৈরিতে কূটনীতি একচ্ছত্র কার্যকরী কলা কৌশল হিসেবে অবস্থিত না থাকলেও এটি যে সেই সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার ব্যাপারে   এ পর্যন্ত যতগুলাে কলাকৌশল আবিষ্কৃত হয়েছে তার মধ্যে প্রধান এ বিষয়ে কোনাে মতভেদ নাই। কুটনৈতিক কার্যাবলি পরিচালিত হয় Foreign service-এর অন্তর্ভুক্ত রাষ্ট্রীয় দূতাবাস বাণিজ্য দূতাবাস কুটনৈতিক দূতাবাস প্রভৃতি কার্যালয়ের মাধ্যমে। আধুনিক রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থায় এই কূটনৈতিক ব্যবস্থাকে Track I এবং Track II এই দুই শ্রেণিতে দেখানাে হয়ে থাকে। জাতিগত সংঘাত কী? শান্তি আন্দোলন কী? শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়ন কী? ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে শান্তির ধারণা কী? Second Track Diplomacy; যখন দুটি রাষ্ট্রের কূটনীবিদরা সমঝােতা প্রতিষ্ঠায় ব্যর্থ হয়, তখন ঐ রাষ্ট্রগুলাের প্রধানরা নিজেদের মধ্যে আলাপ আলােচনা করে তাকে Second Track Diplomacy বলে। Second Track Diplomacy বলতে এমন এক শ্রেণির কূটনীতিকে নির্দেশ করে যারা প্রতি অর্থে কূটনীতি ...

ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে শান্তির ধারণা কী?

ধর্মীয় বিশ্বাসের মাধ্যমে প্রায়শই মানবজীবনের যাবতীয় সমস্যাসহ অন্য ব্যক্তির সাথে পরস্পর বিপরীতমুখী চন্তা ভাবনাকে চিহ্নিত ও পরিচিত ঘটানাের সুযােগ বা ক্ষেত্র তৈরি করা হয়। কেউ শান্তি প্রত্যাশা করলে তাকে মানব পরিবেশ, প্রাকৃতিক পরিবেশের প্রতি শ্রদ্ধা থাকতে হবে। কেননা, শান্তি ও স্রষ্টার সৃষ্টির মাঝে সম্পর্ক রয়েছে। ইহুদি ও খ্রিস্টানগণ মনেপ্রাণে বিশ্বাস করেন যে, একমাত্র ঈশ্বরের সাথে ব্যক্তিগত সম্পর্ক ও সান্নিধ্য স্থাপনের মধ্যেই প্রকৃত শান্তি নাহত। খ্রিস্টানরা দাবি দরেন যে, যিশুখ্রিস্ট পৃথিবীতে ‘ঈশ্বরের শান্তির রাজ্য প্রতিষ্ঠা করবেন, যেখানে ব্যক্তি, সামজ ও সকল সৃষ্টি শয়তানের আতওতামুক্ত থাকবে। এই ঈশ্বরের রাজ্যে মানুষ প্রবেশ করবে এবং শান্তিতে বসবাস করবে। এই শান্তির রাজ্যে যিশুখ্রিস্টের সাথে তাদের ব্যক্তিগত সম্পর্ক তৈরি হবে। জাতিগত সংঘাত কী? শান্তি আন্দোলন কী? শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়ন কী? Second Track Diplomacy' কী ? বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীরা বিশ্বাস করে যে, কেবলমাত্র সকল প্রকার কষ্ট, দুঃখদুর্দশা শেষে শান্তি লাভ করা সম্ভব। সকল ধরনের কষ্টকে তারা শান্তি লাভের অন্যতম উপায় হিসেবে মনে করে। বৌদ্ধ দার্...

শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়নের গুরুত্ব বা প্রয়ােজনীয়তা

শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়নের গুরুত্ব অপরিসীম। সমাজবিজ্ঞানের একটি নতুন বিষয়ের অন্তর্ভুক্ত হলেও শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়ন এর গুরুত্ব পৃথিবীর অনেক দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি পাঠ্যবিষয় হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, ইংল্যান্ড, ভারত ও বাংলাদেশের অনেক বিশ্ববিদ্যালয়েও এর স্বীকৃতির পরিচয় পাওয়া। যায়। ক্রমাগত বিষয়টির গুরুত্ব বাড়ছে এবং এটি একটি একাডেমিক বিষয় হিসেবে প্রতিষ্ঠিত। শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়নের গুরুত্ব : শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়ন একদিকে যেমন শান্তির ধারণা সম্পর্কে তথ্য দেয়। অন্যদিকে তা সংঘর্ষ বিষয়ক নানা তথ্য প্রদান করে থাকে। নিম্নে শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়নের গুরুত্ব আলােচনা করা হলাে : ১ . ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের মধ্যে শান্তি স্থাপন করে : শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়ন বিভিন্ন ব্যক্তির মধ্যে শান্তির সম্পর্ক ব্যক্তিগত শান্তি, প্রতিবেশীর মধ্যে শান্তি, আন্তঃগােষ্ঠীর মধ্যে শান্তি, বৈবাহিক শান্তি, রাষ্ট্র ও সভ্যতার মধ্যে কিভাবে শান্তি অর্জন করা যায় সে সম্পর্কে আলােচনা করে। এ আলােচনা পর্যালােচনা মানবসমাজের প্রভূত উপকার সাধন করে। ২. মূল্যবােধের উপর গুরুত্ব প্রদা...