Skip to main content

'Second Track Diplomacy' কী ?

বর্তমান আধুনিক রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থায় Diplomacy বা কুটনীতি খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়।

জাতীয় আধের সাথে মিল রেখে রাষ্ট্রের সাথে রাষ্ট্রের পারস্পরিক বােঝাপড়ার সম্পর্ক তৈরিতে কূটনীতি একচ্ছত্র কার্যকরী কলা কৌশল হিসেবে অবস্থিত না থাকলেও এটি যে সেই সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার ব্যাপারে  এ পর্যন্ত যতগুলাে কলাকৌশল আবিষ্কৃত হয়েছে তার মধ্যে প্রধান এ বিষয়ে কোনাে মতভেদ নাই। কুটনৈতিক কার্যাবলি পরিচালিত হয় Foreign service-এর অন্তর্ভুক্ত রাষ্ট্রীয় দূতাবাস বাণিজ্য দূতাবাস কুটনৈতিক দূতাবাস প্রভৃতি কার্যালয়ের মাধ্যমে। আধুনিক রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থায় এই কূটনৈতিক ব্যবস্থাকে Track I এবং Track II এই দুই শ্রেণিতে দেখানাে হয়ে থাকে।

জাতিগত সংঘাত কী?

শান্তি আন্দোলন কী?

শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়ন কী?

ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে শান্তির ধারণা কী?


Second Track Diplomacy; যখন দুটি রাষ্ট্রের কূটনীবিদরা সমঝােতা প্রতিষ্ঠায় ব্যর্থ হয়, তখন ঐ রাষ্ট্রগুলাের প্রধানরা নিজেদের মধ্যে আলাপ আলােচনা করে তাকে Second Track Diplomacy বলে। Second Track Diplomacy বলতে এমন এক শ্রেণির কূটনীতিকে নির্দেশ করে যারা প্রতি অর্থে কূটনীতি নয়। এ শ্রেণির কূটনীতিক বর্গ তাদের কার্যাবলির অন্তর্ভুক্ত নয় কিন্তু সেসকল কার্যক্রম পরিচালনা করে থ ক। কখনাে কখনাে তাদের দপ্তরে আবার কখনাে কখনাে দপ্তরের বাইরে এসে তাদের কার্যক্রম সম্পাদন করে থাকে। Second Track Diplomacy প্রথম বা Track I Diplomacy এর কাজে সহায়তা করে থাকে। তাই বলে Second Track Diplomacy প্রথম বা Track I এর সহযােগী নয়। এ শ্রেণির কূটনীতিকগণ সংঘর্ষ নিবারণের জন্য বিভিন্নভাবে তাদের দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে।

সাধারণভাবে Second Track Diplomacy দ্বন্দ্ব নিরসনের পেশাদার প্রচেষ্টা মাত্র। এটি একটি বেসরকারি উদ্যোগ এবং এর কাঠামােগত মিথস্ক্রিয়া হলাে, এটা সব সময় খােলা দৃঢ় সঙ্কল্প, প্রায়ই কল্যাণময় আর কৌশলগতভাবে আশাবাদী এবং সেবা ক্ষেত্রে বিশ্লেষণের উপর ভিত্তি করে করা হয়।


পরিশেষে বলা যায় যে, Second Track Diplomacy এর অন্তর্নিহিত ভাবনাটি হলাে, এটি প্রকৃত বা সম্ভাব্য সংঘাত বা সমাধান করে থাকে, মানুষের ক্ষমতা মর্মস্পর্শী সদিচ্ছা ও যুক্তিবাদিতা দ্বারা শিথিল করে। বৈজ্ঞানিক ও সাংস্কৃতিক বিনিময় Second track Diplomacy এর উদাহরণ । Track I Diplomacy এর ভালাে বিকল্প হতে পারে Second Track Diplomacy. পররাষ্ট্রনীতিতে উভয়ের একে অপরের প্রয়ােজন

Comments

Popular posts from this blog

রাজনীতি অধ্যয়নে গতানুগতিক পদ্ধতি ও আধুনিক পদ্ধতির পার্থক্য

গতানুগতিক ও আধুনিক পদ্ধতির পার্থক্য :  রাজনীতি বিশ্লেষণে গতানুগতিক ও আধুনিক পদ্ধতির মধ্যে পার্থক্য আলােচনা করা হলাে :   ১, রাজনীতির সংজ্ঞা ও প্রকৃতিগত পার্থক্য : গতানুগতিক পদ্ধতির অনুসারিগণ রাজনীতির সংজ্ঞা ও প্রকৃতি নির্ধারণ করেছেন রাষ্ট্র, সরকার ও সার্বভৌমত্ব ইত্যাদির নিরিখে । তাদের সংজ্ঞা ছিল খুবই সংকীর্ণ। অন্যদিকে, আধুনিক পদ্ধতির অনুসারিগণ রাজনৈতিক ক্ষমতা, কর্তত্ব, প্রভাব এবং বিরোধের প্রেক্ষাপটে সংজ্ঞায়িত করার প্রয়াস করেছেন। আধুনিক সংজ্ঞায় রাজনীতির পরিধি ব্যাপক ও বিস্তৃত। সুতরাং রাজনীতির সংজ্ঞা ও প্রকৃতিগত দিক থেকে উভয় পদ্ধতির মধ্যে 'পার্থক্য লক্ষণীয়। ২, উদ্দেশাগত পার্থক্যঃ গতানুগতিক পদ্ধতির উদ্দেশ্য ছিল আদর্শ রাজনৈতিক জীবনের অনুসন্ধান করা। কোনটি মহৎ এবং আদর্শরূপ তাই তখন অনুসন্ধান করা হতাে। কিন্তু আধুনিক পদ্ধতির লক্ষ্য হলাে বাস্তবভিত্তিক ঘটনার উপস্থাপন। এখানে অভিজ্ঞতালব্ধ ও প্রয়োগযোগ্য তত্ত্ব গঠনের লক্ষ্যে রাজনৈতিক অনুসন্ধান কার্য পরিচালিত হয়। ৩. পদ্ধতিগত পার্থক্য : গতানুগতিক অধ্যয়ন পদ্ধতির ক্ষেত্রে পদ্ধতি হিসেবে ব্যবহৃত হতাে দার্শনিক, ঐতিহাসিক, অবরােহমূলক, ত...

এলিট বলতে কী বুঝ? মসকা ও প্যারেটোর এলিট তত্নের একটি তুলনামূলক আলােচনা তুলে ধর।

এলিট (Elite) : এটি শটির আভিধানিক অর্থ হলাে উৎকৃষ্ট শ্রেণির ব্যাক্তিবর্গ। সাধারণত এলিট বলতে সমাজের সেসব ব্যাক্তিবর্গকে বুঝায় যারা সমাজে এখন বিশেষ স্থান দখল করে মানসম্মান ও প্রভাব প্রতিপত্তি বিস্তার করে বসবাস করেন। প্রামান্য সংজ্ঞা : বিভিন্ন চিন্তাবিদ ও দার্শনিক বিভিন্নভাবে এলিটদের সংজ্ঞা প্রদান কৰোছেন। নিম্নে তাদের কতিপয় সংজ্ঞা উপস্থাপন করা হলাে। T, B Battomore এর মতে, “সমাজে উচ্চ মর্যাদাসম্পন্ন যে কোন বৃত্তিমূলক বিশেষ করে পেশাভিত্তিক গৌষ্টিই এলিট। H,D Lasswell বলেছেন, “যে কোন সুবিধা লাভের অধিকাংশ উপভােগকারী কতিপয় ব্যক্তি এলিট, আর অবশিষ্টরা হচ্ছে সাধারণ লােক।” Robert Michels বলেছেন, “সকল রাজনৈতিক দলে নেতৃত্ব প্রদান করে কতিপয় ব্যক্তি, এ কতিপয় ব্যক্তিই হলেন এলিট। C. W. Mills , "Who decide whatever is decided if major consequence." মসকা ও প্যারেটোর এলিট তত্নের একটি তুলনামূলক আলােচনা সমাজ ও রাজনীতি বিশ্লেষণের তত্ত্ব হিসেবে এলিট তত্ত্ব একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে আছে এবং এ তত্ত্বের জনপ্রিয়তা উত্তরােত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে। উনবিংশ শতাব্দীর শেষে এবং বিংশ শতাব্দীর প্রথমভাগে...

শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়নের গুরুত্ব বা প্রয়ােজনীয়তা

শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়নের গুরুত্ব অপরিসীম। সমাজবিজ্ঞানের একটি নতুন বিষয়ের অন্তর্ভুক্ত হলেও শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়ন এর গুরুত্ব পৃথিবীর অনেক দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি পাঠ্যবিষয় হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, ইংল্যান্ড, ভারত ও বাংলাদেশের অনেক বিশ্ববিদ্যালয়েও এর স্বীকৃতির পরিচয় পাওয়া। যায়। ক্রমাগত বিষয়টির গুরুত্ব বাড়ছে এবং এটি একটি একাডেমিক বিষয় হিসেবে প্রতিষ্ঠিত। শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়নের গুরুত্ব : শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়ন একদিকে যেমন শান্তির ধারণা সম্পর্কে তথ্য দেয়। অন্যদিকে তা সংঘর্ষ বিষয়ক নানা তথ্য প্রদান করে থাকে। নিম্নে শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়নের গুরুত্ব আলােচনা করা হলাে : ১ . ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের মধ্যে শান্তি স্থাপন করে : শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়ন বিভিন্ন ব্যক্তির মধ্যে শান্তির সম্পর্ক ব্যক্তিগত শান্তি, প্রতিবেশীর মধ্যে শান্তি, আন্তঃগােষ্ঠীর মধ্যে শান্তি, বৈবাহিক শান্তি, রাষ্ট্র ও সভ্যতার মধ্যে কিভাবে শান্তি অর্জন করা যায় সে সম্পর্কে আলােচনা করে। এ আলােচনা পর্যালােচনা মানবসমাজের প্রভূত উপকার সাধন করে। ২. মূল্যবােধের উপর গুরুত্ব প্রদা...