Skip to main content

Posts

Showing posts from October, 2019

English ( Suggestion)

স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র

স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র মুজিবনগর, বাংলাদেশ  তারিখ: ১০ এপ্রিল ১৯৭১ যেহেতু ১৯৭০ সালের ৭ ডিসেম্বর থেকে ১৯৭১ সালের ১৭ জানুয়ারি পর্যন্ত বাংলাদেশে অবাধ নির্বাচনের মাধ্যমে শাসনতন্ত্র রচনার উদ্দেশ্যে প্রতিনিধি নির্বাচিত করা হয়েছিল; এবং যেহেতু এই নির্বাচনে বাংলাদেশের জনগণ ১৬৯টি আসনের মধ্যে আওয়ামী লীগ দলীয় ১৬৭ জন প্রতিনিধি নির্বাচিত করেছিল; এবং যেহেতু জেনারেল ইয়াহিয়া খান ১৯৭১ সনের ৩রা মার্চ তারিখে শাসনতন্ত্র রচনার উদ্দেশ্যে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের অধিবেশন আহ্বান করেন; এবং যেহেতু তিনি আহূত এই অধিবেশন স্বেচ্ছাচার এবং বেআইনীভাবে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেন; এবং যেহেতু পাকিস্তান কর্তৃপক্ষ তাদের প্রতিশ্রুতি পালন করার পরিবর্তে বাংলাদেশের জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে পারষ্পরিক আলোচনাকালে ন্যায়নীতি বহির্ভূত এবং বিশ্বাসঘাতকতামূলক যুদ্ধ ঘোষণা করেন; এবং যেহেতু উল্লিখিত বিশ্বাসঘাতকতামূলক কাজের জন্য উদ্ভূত পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশের সাড়ে সাত কোটি মানুষের অবিসংবাদিত নেতা শেখ মুজিবুর রহমান জনগণের আত্মনিয়ন্ত্রণাধিকার অর্জনের আইনানুগ অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য ১৯৭১ সাল...

Poster

 আগের পোস্টে আমরা পোস্টারের ভাল দিক নিয়ে লিখেছি, আজ জানব পোস্টারের খারাপ দিক বা সমস্যাগত পোস্টার। পোস্টারের ভাল দিক জানতে ক্লিক করুন  Corruption / Food Adulteration / Militancy / Eve Teasing/ Toll Collection / Acid Throwing / Drug Addiction / Smoking / Unfair Means in The Exams.  সকল খারাপ দিক। নিচের পোস্টার টি লক্ষ করুন.. ➲A poster against Militancy is given below :- বিষয় যেহেতু  Militancy তাই লিখেছি,যদি বিষয়  Corruption / Smoking / Eve Teasing হয়,তাহলে  Militancy স্থলে অন্য বিষয় টি লিখবেন। আর অবশ্যই পোস্টার ঘর আকারে লিখবেন,উপরের কলাম বড় করে লিখবেন এবং ৫টি বাক্য লিখতে ভুলবেন না। পোস্টারের কিছু টেমপ্লেট আপনাদের অনুশীলনের জন্য নিচে দেয়া হল, উত্তর লেখা সময়-  Ans. A poster Against............ Is Given  Below নীল কালিতে লেখা  X এর স্থলে পরীক্ষায় দেওয়া প্রশ্নে যেটি যানতে তথা আপনি যে বিষয়টি নিয়ে লিখবেন,সেই বিষয়ের নাম লিখবেন।

Poster

আপনার সুবিধার জন্য আমরা টপিক টি সরাসরি এবং সংক্ষেপে আলোচনা করব,আপনি যদি কিছু না বুঝে থাকেন আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন। তাহলে চলুন শুরু করা যাক।  Poster ২ প্রকার - ১. ভালো দিক,(আনন্দদায়ক) ২. খারাপ দিক,( সমস্যা) ভালো দিক হল, Concert/ Drama/ Cultural Function / Picnic /  Excursion / Study Tour ইত্যাদি।  যেমনঃ   ➽ A poster about  Picnic   is given below.  উপরোক্ত চিত্রটি হল পোস্টার।পরীক্ষায় যদি আনন্দদায়ক কোন বিষয়ে লিখতে বলা হয় তাহলে এ পোস্টার টি লিখে দিবেন, বি.দ্রঃ পোস্টারের আগে  A poster.........  Below লাইন টি লিখতে ভুলবেন না,আর about picnic যেহেতু বিষয়ের নাম তাই পরীক্ষায় যেটি থাকবে সে বিষয় টি লিখবেন।আর অবশ্যই পেন্সিল দিয়ে সারি ও কলাম করে লিখবেন।

আইনের ধারাবাহিকতা বলবৎকরণ আদেশ ১৯৭১

মুজিবনগর, বাংলাদেশ, ১০ এপ্রিল ১৯৭১, শনিবার ১২ চৈত্র ১৩৭৭ আমি বাংলাদেশের উপ-রাষ্ট্রপতি এবং অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম, স্বাধীনতা ঘোষণাপত্র প্রদত্ত ক্ষমতাবলে ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল তারিখে এ আদেশ জারি করছি যে, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পর্যন্ত বাংলাদেশে যে সকল আইন চালু ছিল, তা ঘোষণাপত্রের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে একইভাবে চালু থাকবে, তবে প্রয়োজনীয় সংশোধনী সার্বভৌম স্বাধীন বাংলাদেশ গঠনের জন্য করা যাবে। এই রাষ্ট্র গঠন বাংলাদেশের জনসাধারণের ইচ্ছায় হয়েছে। এক্ষণে, সকল সরকারি, সামরিক, বেসামরিক, বিচার বিভাগীয় এবং কূটনৈতিক কর্মকর্তা ও কর্মচারী যারা বাংলাদেশের প্রতি আনুগত্যের শপথ গ্রহণ করেছেন, তারা এতদিন পর্যন্ত নিয়োগবিধির আওতায় যে শর্তে কাজে বহাল ছিলেন, সেই একই শর্তে তারা চাকুরিতে বহাল থাকবেন। বাংলাদেশের সীমানায় অবস্থিত সকল জেলা জজ এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এবং সকল কূটনৈতিক প্রতিনিধি যারা অন্যত্র অবস্থান করছেন, তারা সকল সরকারি কর্মচারীকে স্ব স্ব এলাকায় আনুগত্যের শপথ গ্রহণের ব্যবস্থা করবেন। এই আদেশ ১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চ থেকে কার্যকর করা হয়েছে বলে গণ্য করতে হবে। স্বাক্ষর:-  সৈয়...

বাংলাদেশের সংবিধান

প্রস্তাবনা  সম্পাদনা  (দয়াময়, পরম দয়ালু, আল্লাহের নামে/পরম করুণাময় সৃষ্টিকর্তার নামে।) আমরা, বাংলাদেশের জনগণ, ১৯৭১ খ্রীষ্টাব্দের মার্চ মাসের ২৬ তারিখে স্বাধীনতা ঘোষণা করিয়া জাতীয় মুক্তির জন্য ঐতিহাসিক সংগ্রামের মাধ্যমে স্বাধীন ও সার্বভৌম গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত করিয়াছি; আমরা অঙ্গীকার করিতেছি যে, যে সকল মহান আদর্শ আমাদের বীর জনগণকে জাতীয় মুক্তি সংগ্রামে আত্মনিয়োগ ও বীর শহীদদিগকে প্রাণোৎসর্গ করিতে উদ্বুদ্ধ করিয়াছিল-জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতার সেই সকল আদর্শ এই সংবিধানের মূলনীতি হইবে; আমরা আরও অঙ্গীকার করিতেছি যে, আমাদের রাষ্ট্রের অন্যতম মূল লক্ষ্য হইবে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে এমন এক শোষণমুক্ত সমাজতান্ত্রিক সমাজের প্রতিষ্ঠা- যেখানে সকল নাগরিকের জন্য আইনের শাসন, মৌলিক মানবাধিকার এবং রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক সাম্য, স্বাধীনতা ও সুবিচার নিশ্চিত হইবে; আমরা দৃঢ়ভাবে ঘোষণা করিতেছি যে, আমরা যাহাতে স্বাধীন সত্তায় সমৃদ্ধি লাভ করিতে পারি এবং মানবজাতির প্রগতিশীল আশা-আকাঙ্খার সহিত সঙ্গতি রক্ষা করিয়া আন্তর্জাতিক শান্তি ও সহযোগিতার ক্...

Exam Notice

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ২০১৯ইং সনের সম্মান ২য় বর্ষের পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ করেছে।পরীক্ষা শুরু হবে আগামী ০৯ নভেম্বর ২০১৯। সময়সূচি দেখতে ও ডাউনলোড করতে নিচে ক্লিক করুন। ২০১৯ সনের পরীক্ষার সময়সূচি

নারী উন্নয়নের এপ্রোচগুলো কী? নারী উন্নয়নের জন্য বাংলাদেশ সরকার কতৃক বিভিন্ন পদক্ষেপ আলোচনা কর।

  নারী উন্নয়নের জন্য বাংলাদেশ সরকার কতৃক বিভিন্ন পদক্ষেপঃ-

নিরাপদ মাতৃত্ব বলতে কি বুঝ? নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে বাংলাদেশ সরকার কতৃক গৃহীত উদ্যোগ গুলো কী?

দ্বৈত শাসন কী? ১৯১৯ সালের দ্বৈত শাসন ব্যবস্থার কার্যকারিতা আলোচনা কর।

দ্বৈত শাসনব্যবস্থা : দ্বৈত শাসনের কথা বলতে সাধারণত দুই ধরনের শাসনব্যবস্থাকে বুঝায়। অন্যদিকে, দ্বৈত । | শাসন বলতে প্রশাসনে দু’টি কর্তৃপক্ষের উপস্থিতি বুঝায়। এছাড়া দ্বৈত শাসনের আলােচনায় Dyarchy শব্দটি এসে যায়। Dyarchy শব্দটি দু’টি গ্রিক শব্দের যৌগিক। Di শব্দের অর্থ Twice বা দুই এবং Archic শব্দের অর্থ Rule বা শাসন। এ থেকে বুঝা যায় যে, Dyarchy শব্দের অর্থ দুই সরকার বা দ্বৈত শাসনব্যবস্থা। দ্বৈত শাসনের মূল কথা হলাে, সরকারের | বিভিন্ন বিষয়সমূহকে দু'ভাগে ভাগ করে শাসন করা। ১৯১৯ সালের ভারত শাসন আইন অনুযায়ী এ প্রাদেশিক সরকারের . বিষয়গুলােকে দু'ভাগে ভাগ করা হয়। যথা : ১. সংরক্ষিত বিষয় (Reserved subject) ও ২. হস্তান্তরিত বিষয় (Transferred subject)। সংরক্ষিত বিষয়সমূহ প্রাদেশিক গভর্নর তার শাসন পরিষদের সহায়তা ও পরামর্শক্রমে শাসন করতেন। সংরক্ষিত বিষয়গুলাে ছিল বিচার, পুলিশ, জল সরবরাহ, অর্থ, কলকারখানা, জলবিদ্যুৎ, সংবাদপত্র, গৃহনির্মাণ, ভূমি রাজস্ব, কৃষি ঋণ ইত্যাদি। অন্যদিকে, হস্তান্তরিত বিষয়সমূহ শিক্ষা, জনস্বাস্থ্য, কৃষি, স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন, পূর্ত বিভাগ, সমবায়, আবগারি বিভাগ ইত...

সক্রেটিস ও রাষ্ট্রবিজ্ঞান

জীবন ও কর্ম সক্রেটিস নিজের সম্পর্কে কিছু লিখেছেন বলে কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তার জীবনী জানার জন্য তিনটি উৎসের উল্লেখ করা হয়- প্লেটোর ডায়ালগ, এরিস্টোফেনিসের নাটক এবং জেনোফেনোর ডায়ালগগুলো। এরিস্টোফেনিসের নাটক দ্য ক্লাউডে সক্রেটিসকে দেখানো হয়েছে একজন ভাঁড় হিসেবে যিনি তার ছাত্রদের শিক্ষা দেন কিভাবে ঋণের দায় থেকে বুদ্ধি খাটিয়ে মুক্তি পাওয়া যায়। এ রচনায় সক্রেটিসকে যেভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে তা সম্পূর্ণরূপে গ্রহণযোগ্য নয়। প্লেটোর বর্ণনামতে, সক্রেটিসের বাবার নাম সফ্রোনিস্কাস এবং মায়ের নাম ফিনারিটি যিনি একজন ধাত্রী ছিলেন। তার স্ত্রীর নাম জানথিপি। তাদের তিন পুত্রসন্তানের নাম- লামপ্রোক্লিস, সফ্রোনিস্কাস এবং মেনেজেনাস। সক্রেটিস তার শাস্তি কার্যকর হওয়ার আগে পালিয়ে যাওয়ার অনুরোধ ফিরিয়ে দেন। সক্রেটিসের জন্ম খ্রিস্টপূর্ব ৪৭০ অব্দে গ্রিসের এথেন্স নগরীতে এলোপাকি গোত্রে। তিনি ঠিক কিভাবে জীবিকা নির্বাহ করতেন তা পরিষ্কার জানা যায় না। কিছু উৎস অনুসারে প্রথম জীবনে তিনি তার বাবার পেশা অবলম্বন করেছিলেন। তার বাবা ছিলেন একজন ভাস্কর। অপরদিকে সক্রেটিস কোনো পেশা অবলম্বন করেননি এমন প্রমাণও রয়েছে। জেনোফোন রচিত...

প্রাচীন বিশ্বসভ্যতার কতিপয় -২

পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলে সভ্যতার উদ্ভব মানুষের সবচেয়ে বড় অর্জন। সভ্যতার ক্রমান্বয়ে উন্নতির ফলেই মানুষের জীবনযাত্রা সহজ থেকে সহজতর হয়েছে। আজকের আধুনিক যুগও সভ্যতার কল্যাণেই সম্ভব হয়েছে। বন্যতা থেকে বর্বরতা এবং বর্বরতা থেকে মানুষ ধীরে ধীরে সুশৃংঙ্খল জীবন-যাপনে অভ্যস্ত হয়ে ওঠে। মানবগোষ্ঠী তাদের সামাজিক, অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড দ্বারা জীবন প্রবাহের মানোন্নয়ন করতে থাকে। বিশেষ সময়-কালের পরিপ্রেক্ষিতে তা সভ্যতা নামে অভিহিত হয়। প্রাচীন কালে পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলে বহু সভ্যতা গড়ে ওঠে। কয়েকটি উল্লেখযোগ্য সভ্যতা নিচে তুলে ধরা হলো। হিব্রু সভ্যতা : হিব্রু সভ্যতার উৎস ভূমি মধ্যপ্রাচ্যে। এ সভ্যতা আজকের ফিলিস্তিন ও ইসরাইল অঞ্চল কেন্দ্রিক গড়ে ওঠেছিল। জাতিগত ভাবে হিব্রুরা ছিল একটি মিশ্রিত জাতি। কুটনীতি, স্থাপত্য এবং চিত্রকলার দিক থেকে হিব্রুরা সভ্যতার ইতিহাসে খুব অল্পই ভূমিকা রেখেছিল। কিন্তু নৈতিকতা ও ধর্মীয়ক্ষেত্রে বিশ্বসভ্যতায় হিব্রুদের অবদান ছিল যুগান্তকারী। হিব্রুদের মূল নামের উৎপত্তিগত শব্দ নিয়ে সন্দেহ রয়েছে। প্রচলিত একটি মতে, খাবিরু বা হাবিরু নাম থেকেই হিব্রু হয়েছে।...

প্রাচীন বিশ্বসভ্যতার কতিপয়

⇨পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলে সভ্যতার উদ্ভব মানুষের সবচেয়ে বড় অর্জন। সভ্যতার ক্রমান্বয়ে উন্নতির ফলেই মানুষের জীবনযাত্রা সহজ থেকে সহজতর হয়েছে। আজকের আধুনিক যুগও সভ্যতার কল্যাণেই সম্ভব হয়েছে। বন্যতা থেকে বর্বরতা এবং বর্বরতা থেকে মানুষ ধীরে ধীরে সুশৃংঙ্খল জীবন-যাপনে অভ্যস্ত হয়ে ওঠে। মানবগোষ্ঠী তাদের সামাজিক, অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড দ্বারা জীবন প্রবাহের মানোন্নয়ন করতে থাকে। বিশেষ সময়-কালের পরিপ্রেক্ষিতে তা সভ্যতা নামে অভিহিত হয়। প্রাচীন কালে পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলে বহু সভ্যতা গড়ে ওঠে। কয়েকটি উল্লেখযোগ্য সভ্যতা নিচে তুলে ধরা হলো। মেসোপটেমিয়ার সভ্যতা:- পৃথিবীর প্রাচীনতা সভ্যতার অন্যতম। মধ্যপ্রাচ্যের ইউফ্রেটিস ও টাইগ্রিস নদী-বিধৌত অতি উর্বর উপত্যকায় এ দুটি নদীর মধ্যবর্তী দোয়াব অঞ্চলে নাম মেসোপটেমিয়া (বর্তমান ইরাক)। এখানে খ্রিস্টপূর্ব ৩৫০০০ এবং ৩০০০ অব্দের মধ্যে এক অতি উন্নত সভ্যতার উন্মেষ ঘটেছে। এ সভ্যতা অবিমিশ্র কিছু ছিল না। সুমেরীয়, ব্যাবিলনীয় ও অ্যাসেরীয় সভ্যতা ও সংস্কৃতিরও অপরিমেয় অবদান রয়েছে এর সামগ্রিক বিকাশ ও পরিপুষ্টি সাধনে। মেসোপটেমিয়ার বসতি স্থাপনকারী আদ...