Skip to main content

Posts

Showing posts with the label Public administration in Bangladesh

সাজেশন । বাংলাদেশের লােক প্রশাসন । রাষ্ট্রবিজ্ঞান ৩য় বর্ষ

অনার্স ৩য় বর্ষ, বিভাগ রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিষয় : বাংলাদেশের লােক প্রশাসন বিষয় কোড: 231911 ক বিভাগ অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্নত্তর ১. ‘Administration’ শব্দটি কোন শব্দ থেকে এসেছে? উত্তর: শব্দটি ল্যাটিন শব্দ ‘Ad’ এবং ‘Minister’ বা ‘Ministiare’ শব্দদ্বয় থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে। ২. প্রশাসনকে কয় ভাগে ভাগ করা যায়? উত্তর: প্রশাসনকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। ৩. লোক প্রশাসনের মুখ্য উদ্দেশ্য কী? উত্তর: লোক প্রশাসনের মুখ্য উদ্দেশ্য জনসেবা করা। ৪. লোকপ্রশাসন কী? উত্তর: জনগণের সেবা করার উদ্দেশ্যে সুষ্ঠ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে প্রশাসনিক কার্যকলাপ পরিলালনােই হলো লোকপ্রশাসন। ৫. POSDCORB শব্দটি প্রথম কে ব্যবহার করেন? উত্তর: POSDCORB শব্দটি প্রথম লুথার গুলিক ব্যবহার করেন। ৬. CPA এর পূর্ণরূপ কী? উত্তর:CPA এর পূর্ণরূপ হলো ‘Comparative Public Administration.’ ৭. বৈজ্ঞানিক ব্যবস্থাপনার জনক কে? উত্তর: বৈজ্ঞানিক ব্যবস্থাপনার জনক এফ. ডব্লিউ. টেইলার। ৮. সংঘঠন কী? উত্তর: যে ব্যবস্থায় কোনো সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যার্জনের জন্য সমষ্টিগত এবং সহযোগীতা গূর্ণ কর্মপ্রচেষ্টার মাধ্যমে অধিকসংক্যক। ৯. আদেশগত ঐক্য কী? উত্তর: কোনো অধস্তন কর্মকর্ত তার ...

উন্নয়নশীল দেশে লোক প্রশাসন অধ্যয়নের গুরুত্ব আলোচনা কর

লােক প্রশাসন পাঠের গুরুত্বঃ Importance of The Study of Public Administration  বর্তমান রাষ্ট্রীয় কার্যক্রমের প্রসারতার সাথে সাথে লােক প্রশাসনের গুরুত্ব ও প্রয়ােজনীয়তা  ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। বর্তমান রাষ্ট্র আর পুলিশি রাষ্ট্র (Police state) নয়, জনগণের কল্যাণ সাধনের লক্ষ্যে কল্যাণমুখা রাষ্ট্রে   (Welfare state) রূপান্তরিত  হয়েছে। জনগণের কল্যাণ সাধনই রাষ্ট্রের মুখ্য উদ্দেশ্য। এই কল্যাণমুখী কার্যাবলি প্রশাসনের মাধ্যমেই সরকারকে করতে হয়। আর এ দৃষ্টিকোণ থেকে লােক প্রশাসনের গুরুত্ব উত্তরােত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে। বর্তমানে রাষ্ট্র সামাজিক, রাজনৈতিক অর্থনৈতিক, শিল্প, বাণিজ্য প্রভৃতি ক্ষেত্রে ক্রমশ দ্রুত অগ্রসরমান। রাষ্ট্র এখন আর শুধুমাত্র বহিঃশত্রুর আক্রমণ ও অভ্যন্তরীণ সমস্যা থেকে জনগণকে সুরক্ষার সংস্থা নয় বরং বাষ্ট্রের সামগ্রিক উন্নয়ন এবং কল্যাণ সাধনের হাতিয়ার হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে আর হেন কার্যাবলি প্রশাসকদের মাধ্যমেই সম্পন্ন করা হয়। বর্তমানে একজন প্রশাসক শিক্ষাদাতা, পণ্য প্রস্তুতকারী, পণ্য বণ্টনকারী, পণ্য বিনিময়কারী, পথ প্রদর্শনকারী, দক্ষ ব্যবস্থাপক হিসেবে কাজ ...

লোক প্রশাসন ও বেসরকারী প্রশাসনের মধ্যে পার্থক্যসমূহ আলোচনা কর

সরকারি ও বেসরকারি প্রশাসনের মধ্যে পার্থক্যঃ- Dissimilarities Between Public Administration and Private Administration সরকারি ও বেসরকারি প্রশাসনের মধ্যে কতিপয় সাদশ্য লক্ষ্য করা গেলেও উভয় প্রশাসনের মধ্যে রয়েছে বিস্তর পার্থক্য। তবে এই পার্থক্য তাদের পৃথক প্রকরণের চেয়ে পরিমাপক (Most often these are differences in degree rather than in kind). মূলত উভয় প্রশাসনের মধ্যকার বৈসাদৃশ্য নির্ণয়ের ক্ষেত্রে তাদের প্রকৃতি, পরিধি, দৃষ্টিভঙ্গি, ফলাফল, রাজনৈতিক প্রক্রিয়া, প্রশাসনিক কার্যাবলির ধরন প্রতি বিবেচনা করা হয়। Harvey Sherman এর মন্তব্য, "The line between public and private administration is so blurred that it is possible to tell where government leaves off and private business begins." নিম্নে পার্থক্যগুলাে উপস্থাপন করা হলাে :  ক, জনকল্যাণ সম্পর্কিত   সামগ্রিক জনকল্যাণকে সামনে রেখে লােক প্রশাসনের কার্যক্রম পরিব্যপ্ত (Service motive)। পক্ষান্তরে, বেসরকারি প্রশাসনের কার্যক্রম মুনাফাকেন্দ্রিক (Profit motive)। লােক প্রশাসনের কোন  প্রতিষ্ঠানে অস্তিত্ব পরিমাপ করা মুনাফা অর্জনের দ্বা...

বাংলাদেশের বিচারবিভাগ

সংবিধান অনুযায়ী বিচার বিভাগের অবস্থান ও গুরুত্ব। ন্যায়বিচারের মানদন্ডকে সমুন্নত রেখে নিরপেক্ষ বিচার অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বিচার বিভাগ নাগরিক অধিকার, শাসক ও শাসিতের সুস্পৰ্ককে সংহত ও শক্তিশালী করে। লর্ড ব্রাইস বলেছেন, “কোন জাতির রাজনৈতিক সভ্যতা কোন ভরে রয়েছে তা নির্নয় সম্ভব যখন বিচার বিভাগের দক্ষতাই সরকারের শাসন ক্ষমতার দক্ষতা ও যােগ্যতার মানদন্ড হিসাবে প্রতিষ্ঠিত থাকে। বাংলাদেশের বিচার বিভাগ সম্পর্কে এ উক্তিটি কতটুকু প্রযােজ্য তা বিশ্লেষণের অপেক্ষা রাখে। সংবিধান অনুযায়ী বিচার বিভাগের মর্যাদা ও অবস্থান অত্যন্ত মর্যাদাশীল। বিচারকার্য ছাড়াও বাংলাদেশে বিচার বিভাগের উপর কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব ন্যস্ত করা হয়েছে। সংবিধানকে দেশের সর্বোচ্চ আইন বলা হয়েছে এবং সংবিধান সমর্থিত নয় অথবা সংবিধানের বিধি বহির্ভূত যে কোন আইন বাতিলযােগ্য। এক্ষেত্রে সুপ্রীমকোর্টকে পর্যাপ্ত ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। নাগরিক অধিকার ও স্বাধীনতা রক্ষার জন্য সংবিধানের ২৬ অনুচ্ছেদে মৌলিক অধিকারের নিশ্চয়তা দানের জন্য বলা হয়েছে যে, সংবিধানের বিধানাবলির সাথে অসামঞ্জস্য প্রচলিত সকল আইন বাতিল বলে গণ্য হবে। তাছাড়া ১০৬ অনুচ্...

স্থানীয় সরকারের সাথে স্থানীয় স্বায়ত্তশাসিত সরকারের পাথক্য, স্থানীয় সরকারের কার্যাবলী , স্থানীয় স্বায়ত্তশাসনের গুরুত্ব

স্থানীয় সরকারের ভূমিকা নিয়ে আলােচনা করতে গেলে কেন্দ্রিয় সরকারের সাথে স্থানীয় সরকারের সম্পর্ক ও সেই সাথে স্থানীয় সরকার ও স্থানীয় স্বায়ত্তশাসিত সরকারের পাথক্য উল্লেখ করা প্রয়ােজন।  স্বায়ত্তশাসিত সরকার ব্যবস্থায় জনগণের অংশিদারিত্ব নিশ্চিত করার মধ্যে দিয়ে স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন নিশ্চিত হয়েছে। এই স্বায়ত্তশাসনে গণতন্ত্রের ভিত্তিকে শক্তিশালী করতে সাহায্য করবে।  স্থানীয় স্বায়ত্তশাসিত সরকার মূলত সেই ধরনের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা যা স্ব-স্ব এলাকার সমস্যা সমাধানের ক্ষেত্রে অধিকাংশ স্বশাসন ভােগ করে থাকে। জনগণ কর্মকাণ্ডের সাথে এবং প্রতিটি নির্বাচনে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত থাকে। স্থানীয় সরকার ও স্থানীয় স্বায়ত্তশাসিত সরকারের মধ্যে কিছু কিছু পার্থক্য রয়েছে। যেমন ইউনিয়ন পরিষদ ও জেলা পরিষদ। ইউনিয়ন পরিষদ স্থানীয় স্বায়ত্তশাসিত সরকার, অন্যদিকে জেলা পরিষদ স্থানীয় সরকার। সাধারণত স্থানীয় সরকার কেন্দ্রীয় সরকারের এজেন্ট রুপে পরিচালিত হয়। এদের নিজস্ব কোন নীতি নেই এবং এরা পরিচালিত হয় কেন্দ্রীয় সরকারের নির্দেশে। অন্যদিকে স্থানীয় স্বায়ত্তশাসিত সরকারের নিজস্ব নীতি রয়েছে। নিজস্ব গ...

১৯৭৬ সালের অধ্যাদেশ ,পার্বত্য চট্টগ্রামের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা

বাংলাদেশে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা গড়ে ওঠে স্বাধীনতার বেশ কিছু দিন পর। ১৯৭২ সালে প্রেসিডেন্টের আদেশ বলে ইউনিয়ন কাউন্সিলের নাম পরিবর্তন করে ইউনিয়ন পঞ্চায়েত রাখা হয়। পরবর্তীতে ১৯৭৩ সালে এ নাম পরিবর্তন করে ইউনিয়ন পরিষদ রাখা হয়। ১৯৭৬ সালে স্থানীয় সরকার অধ্যাদেশ জারী করে তিনস্তর বিশিষ্ট হানীয় সরকার প্রস্তাব করা হয়। এগুলাে হচ্ছে। ইউনিয়ন পরিষদ, থানা পরিষদ ও জেলা পরিষদ।  ১৯৭৬ সালের অধ্যাদেশ অনুযায়ী প্রতিটি ইউনিয়নকে তিনটি ওয়ার্ডে বিভক্ত করা হয়। প্রতি ইউনিয়নে একজন চেয়ারম্যান ও ৯ জন সদস্য ছিলেন। প্রতি ওয়ার্ডে তিনজন করে সদস্য নির্বাচিত হতেন। সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের ভােটাররা তাদের নিজস্ব সদস্য নির্বাচন করতেন। আর চেয়ারম্যান নির্বাচিত হতেন ইউনিয়নের ভােটারদের প্রত্যক্ষ ভােটে। মহাকুমা প্রশাসক দু'জন মহিলা সদস্য মনােনীত করতেন। ১৯৭৯ সালের এক সংশােধনীর মাধ্যমে সে সাথে দু'জন কৃষক সদস্যের মনােনয়নের ব্যবস্থা করা হয়। এদের মনােনয়নের ক্ষমতা ছিল মহাকুমা প্রশাসকের হাতে। ১৯৮৩ সালে আরেক অধ্যাদেশ বলে এ ব্যবস্থা বাতিল করা হয়।  থানা পরিষদে সরকারি সদস্যদের পাশাপাশি বেসরকারি সদস্যরাও ছিলেন। থা...