বিচ্যুত আচরণ হলো,
প্রচলিত সামাজিক আচরণের বাইরে গিয়ে মানুষ যেসকল আচরণ করে থাকে তাকে বিচ্যুত আচরণ বলে। এক কথায় বলা যায়, কোন ব্যক্তি যখন সামাজিক রীতিনীতি আইন কানুন ও আদর্শ অনুসারে কাজ করে না তখন সে ব্যক্তিকে বিচ্যুত ব্যক্তি এবং ঐ ব্যক্তির আচরণকে বিচ্যুত আচরণ বলে। মদ্যপান, বাবা-মা গুরুজন বয়োজ্যেষ্ঠদের সামনে ধূমপান করা, বিয়ে না করে একত্রে বসবাস করা ইত্যাদি বিচ্যুত আচরণের অন্তর্ভুক্ত। তবে বিচ্যুত আচরণের ধরন বিভিন্ন সমাজিক প্রেক্ষাপটে ভিন্ন হয়ে থাকে।
গতানুগতিক ও আধুনিক পদ্ধতির পার্থক্য : রাজনীতি বিশ্লেষণে গতানুগতিক ও আধুনিক পদ্ধতির মধ্যে পার্থক্য আলােচনা করা হলাে : ১, রাজনীতির সংজ্ঞা ও প্রকৃতিগত পার্থক্য : গতানুগতিক পদ্ধতির অনুসারিগণ রাজনীতির সংজ্ঞা ও প্রকৃতি নির্ধারণ করেছেন রাষ্ট্র, সরকার ও সার্বভৌমত্ব ইত্যাদির নিরিখে । তাদের সংজ্ঞা ছিল খুবই সংকীর্ণ। অন্যদিকে, আধুনিক পদ্ধতির অনুসারিগণ রাজনৈতিক ক্ষমতা, কর্তত্ব, প্রভাব এবং বিরোধের প্রেক্ষাপটে সংজ্ঞায়িত করার প্রয়াস করেছেন। আধুনিক সংজ্ঞায় রাজনীতির পরিধি ব্যাপক ও বিস্তৃত। সুতরাং রাজনীতির সংজ্ঞা ও প্রকৃতিগত দিক থেকে উভয় পদ্ধতির মধ্যে 'পার্থক্য লক্ষণীয়। ২, উদ্দেশাগত পার্থক্যঃ গতানুগতিক পদ্ধতির উদ্দেশ্য ছিল আদর্শ রাজনৈতিক জীবনের অনুসন্ধান করা। কোনটি মহৎ এবং আদর্শরূপ তাই তখন অনুসন্ধান করা হতাে। কিন্তু আধুনিক পদ্ধতির লক্ষ্য হলাে বাস্তবভিত্তিক ঘটনার উপস্থাপন। এখানে অভিজ্ঞতালব্ধ ও প্রয়োগযোগ্য তত্ত্ব গঠনের লক্ষ্যে রাজনৈতিক অনুসন্ধান কার্য পরিচালিত হয়। ৩. পদ্ধতিগত পার্থক্য : গতানুগতিক অধ্যয়ন পদ্ধতির ক্ষেত্রে পদ্ধতি হিসেবে ব্যবহৃত হতাে দার্শনিক, ঐতিহাসিক, অবরােহমূলক, ত...
Comments
Post a Comment