Skip to main content

Posts

তালেবানরা কি ইসলামী রাষ্ট্রের নামে অন্যকিছু করছে?

তালেবান কারা? ১৯৮৯ সাল, আফগানিস্তান থেকে সোভিয়েত ইউনিয়ন (বর্তমান রাশিয়া) সৈন্য প্রত্যাহারের পর যে গৃহযুদ্ধ শুরু হয়, সেই যুদ্ধেই তালেবান গোষ্ঠীর উত্থান। দেশটির দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল ও পাকিস্তানের সীমান্তবর্তী এলাকায় ছিল তাদের দাপট। সংগঠনটি (তালেবান) আফগানিস্তানে দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই ও নিরাপত্তা ফিরিয়ে আনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। তবে সংগঠনটি একই সঙ্গে আফগানিস্তানে ইসলামী অনুশাসনও চালু করে। ১৯৯৮ সাল নাগাদ তারা আফগানিস্তানের প্রায় পুরোটাই নিয়ন্ত্রণ নেয়। তারা ইসলামী শরিয়া শাসনের পাশাপাশি চালু করে নিষ্ঠুর শাস্তির প্রচলন। পুরুষদের দাড়ি রাখা এবং মেয়েদের বোরকা পরতে বাধ্য করা হয়। সে সময় থেকে নিষিদ্ধ করা হয় টিভি, সংগীত এবং সিনেমা। আফগানিস্তানের ক্ষমতা থেকে উৎখাত হওয়ার পর তারা পাকিস্তানের সীমান্ত এলাকায় নতুন করে সংগঠিত হয়। তাদের প্রায় ৮৫ হাজার সশস্ত্র যোদ্ধা আছে বলে মনে করা হয়। ২০০১ সালের পর তারা এখন সবচেয়ে শক্তিশালী অবস্থায় আছে। ইসলামী রাষ্ট্রের নামে ধ্বংসযজ্ঞ যুক্তরাষ্ট্র তাদের দীর্ঘতম যুদ্ধের সমাপ্তি টেনে আফগানিস্তান থেকে বিদায় নিয়েছে। দেশটি তাদের হাজার হাজার সেনা হারিয়েছে। এ ছাড়াও লাখ লাখ আফগান...

গবেষণার বিষয়বস্তু নির্বাচনে প্রভাব বিস্তারকারী উপাদান ও গবেষণা সমস্যা নির্ধারণে গবেষককে কোন কোন বিষয়ের দিকে গুরুত্ব দিতে হয়

গবেষণার বিষয়বস্তু নির্বাচনে প্রভাব বিস্তারকারী উপাদানসমূহ (Factors Affecting the Selection of a Research Topic) গবেষণার বিষয়বস্তু নির্বাচনে সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে কোন বাধা ধরা নিয়ম নেই। তবে কোন বিষয়বস্তু নির্বাচনের ক্ষেত্রে গবেষক নিজের কাছে কিছু প্রশ্ন রাখতে পারেন। যেমন, নির্বাচিত সমস্যাটি কি গবেষণার জন্য গুরুত্বপূর্ণ? এই গবেষণা কি কোন পার্থক্য তৈরি করবে? কেন করবে? কীভাবে করবে? গবেষণাটি কী কৌতূহলােদ্দীপক হবে? এটি কি এমন কোন ধারণার সাথে সংশ্লিষ্ট হবে, যার ব্যাপক ও বিস্তৃত প্রাসঙ্গিকতা রয়েছে  প্রচলিত ধ্যান ধারণার মধ্যেকার অসঙ্গতিগুলাে কী এই গবেষণার মাধ্যমে প্রকাশিত হবে?   এই গবেষণার মাধ্যমে প্রাপ্ত ফলাফল প্রচলিত সামাজিক রীতি ও অনুশীলন পরিবর্তনে সহায়ক হবে। এই গবেষণা কী গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক প্রসঙ্গের ক্ষেত্রে কোন নতুন অন্তদৃষ্টি বা উপলব্ধির জন্ম দেবে? ইত্যাদি। উপরিল্লিখিত প্রশ্নগুলাে পর্যালােচনার পর একজন গবেষক তার নিজের আগ্রহ, বা সবচেয়ে ব্যাখ্যাযােগ্য অনুকল্প কি হবে, তার বিবেচনা, বা সমস্যাটি নিয়ে গবেষণা করলে বিষয়বস্তুর উপর বিদ্যমান জ্ঞানকে অর্থবহভাবে সঙ্গতিপূর্...

ভারতীয় সংবিধানের বিকাশ , বৈশিষ্ট্য , ও সংবিধান সংশােধন পদ্ধতি

  ভারতের সংবিধানের বিকাশঃ ১৯৪৭ সালের ২০ শে আগস্ট বি. আর. আম্বেদকরের নেতৃত্বে একটি খসড়া সংবিধান তৈরীর জন্য কমিটি গঠন করা হয়। ১৯৪৮ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি এ কমিটি গণপরিষদে একটি খসড়া সংবিধান পেশ করে। সুদীর্ঘ আলাপ আলােচনার পর সংবিধানটি গৃহীত হয়। অন্যান্য দেশের মত ভারতের সংবিধানও একটি গতিশীল দলিল। বিগত বছরগুলােতে কেবল আয়তনের দিক থেকেই নয়, বক্তব্য ও উদ্দেশ্যের দিক থেকেও সংবিধানের বহু পরিবর্তন এবং বিকাশ সাধিত হয়েছে। সাংবিধানিক রীতি-নীতিঃ ভারতের সংবিধানের অনুপূরকরূপে সাংবিধানিক নীতি-নীতির উদ্ভব ঘটেছে। এতে সংবিধানিক আইনের অপূর্ণতা দূর করা সম্ভব হয়েছে এবং সংবিধানের গতিশীল চরিত্রও অব্যহত থেকেছে। ভারতের সংবিধানে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক এই রীতির দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। সাংবিধানিক নজিরও সংবিধান বিকাশের একটি কার্যকরী মাধ্যম। তবে নজির যেমন সৃষ্টি হয়েছে তা লংঘিতও হয়েছে। রাজনীতির দ্রুত পট পরিবর্তনের ফলে প্রকৃতপক্ষে নজির রাজনৈতিক সুবিধা অর্জনের মাধ্যমে পরিণত হয়েছে। সুপ্রীমকোর্টে বিচারপতি নিয়ােগ, প্রধানমন্ত্রীর মৃত্যুর পর অস্থায়ী প্রধানমন্ত্রী নিয়ােগ ইত্যাদি ক্ষেত্রে সাধারণত সাংবিধানিক নজ...

রাষ্ট্রবিজ্ঞান ২য় বর্ষের বইয়ের তালিকা

 

যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের শাসন ব্যবস্থার মধ্যে তুলনামূলক আলোচনা

 যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রিটেনের শাসন ব্যবস্থাঃ- যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ও ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রীর তুলনা। ব্রিটেন ও যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতি ও দল ব্যাবস্থাঃ-

দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর রাজনৈতিক বৈশিষ্ট্য

  দক্ষিণ এশিয়া রাজনৈতিক ভাবে খুবই গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল। এই অঞ্চলে জনসংখ্যা পৃথিবীর অন্যান্য অঞ্চলের চেয়ে তুলনামূলকভাবে বেশি। যার কারণে বিশ্ব রাজনীতিতে এই অঞ্চলের গুরুত্ব অন্যান্য অঞ্চলের চেয়ে বেশি। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের আগ থেকে এই অঞ্চলের মানুষ ব্রিটিশ ঔপনিবেশকতা মুক্তির জন্য আন্দোলন শুরু করে। তবে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর এই আন্দোলন অত্যন্ত দ্রুত গতিতে বাড়তে থাকে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আগেই এই আন্দোলন দমাতে ব্রিটিশ সরকার হিমশিম খেতে শুরু করে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ব্রিটিশ সরকার তাদের সাম্রাজ্যগুলো পরিচালনা করতে ব্যার্থ হয় যার কারণে ভারতবর্ষে তাদের আর টিকে থাকা সম্ভব হয় না। এই ভারতবর্ষ থেকে তাদের চির বিদায় নিতে হয় ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের বাতি নিভিয়ে। শুরু হয় ভারতবর্ষের সোনালীদিন। দক্ষিন এশিয়ার দেশগুলো হল, ভারত, পাকিস্তান, বাংলাদেশ, নেপাল, ভুটান, মালদ্বীপ, শ্রিলংকা। এই পর্বে আলোচনা করব দক্ষিণ এশিয়ার এই দেশগুলোর রাজনৈতিক বৈশিষ্ট্য নিয়ে। ধর্ম ভিত্তিক রাজনীতিঃ   দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর রাজনীতিতে ধর্মের যথেষ্ট প্রভাব লক্ষ্য করা যায়। এই অঞ্চলে মানুষ ধর্মীয় দল নিয়ে রাজনীতি করতে খুবই পছন্দ করে। রা...

বাংলা সাহিত্যের বিখ্যাত মুসলিম কবিদের পরিচয়