Skip to main content

Posts

অনুন্নত, উন্নয়নশীল,স্বল্পোন্নত,উন্নত দেশ বলতে কি বুঝ?

অনুন্নত, উন্নয়নশীল,স্বল্পোন্নত,উন্নত দেশের পরিচয়ঃ-

সম্মান ৪র্থ বর্ষের বইয়ের তালিকা

1. স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ইতিহাস 2. রাজনৈতিক তত্ত্ব পরিবর্তন ও ধারাবাহিকতা 3. বাংলাদেশের স্থানীয় শাসন ও পল্লি উন্নয়ন 4. সরকারি নীতি পরিচিতি 5. পূর্ব এশিয়ার সরকার ও রাজনীতিঃ চীন, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া 6. পরিবেশ ও উন্নয়ন 7. বাংলাদেশের বৈদেশিক সম্পর্ক 8. বাংলাদেশের আইন প্রণয়ন প্রক্রিয়া 9. বিশ্বায়ন, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানসমূহ

রাষ্ট্রবিজ্ঞান ৩য় বর্ষের বইয়ের তালিকা

১। বাংলাদশের রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক উন্নয়ন (১৯৪৭ থেকে বর্তমান) ২। আন্তর্জাতিক রাজনীতি পরিচিতি ৩। দক্ষিণ এশিয়ার শাসনব্যবস্থা ও রাজনীতি ৪। রাজনীতি অধ্যয়ন পদ্ধতি ৫। শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়ন ৬। বাংলাদেশের লোক প্রশাসন ৭। গবেষণা পদ্ধতি ও পরিসংখ্যান ৮। রাজনৈতিক সমাজবিজ্ঞান। 231901 Political and Constitutional Development in Bangladesh (1971 to date). 231903 Fundamentals of International Politics. 231905 Government and Politics in South Asia: India, Pakistan, Nepal and SriLanka. 231907 Approaches to the Study of Politics. 231909 Introduction to Peace and Conflict Studies. 231911 Public Administration in Bangladesh. 231913 Research Methodology and Statistics. 231915 Political Sociology.

রাষ্ট্রবিজ্ঞান ১ম বর্ষের বইয়ের তালিকা

স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ইতিহাস ।  রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান ও সংগঠন।  পশ্চাত্যের রাষ্ট্রচিন্তা।   প্রধান প্রধান বৈদেশিক সরকার।  লোকও প্রশাসন পরিচিতি। নন-মেজর সাবজেক্ট  সমাজ কর্ম ।

বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পের সমস্যা সমূহ লিখ-

বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পের সমস্যা সমূহ নিম্নে উল্লেখ করা হল- আলোচিত সম্ভাবনা থাকা সত্তেও কিছু সমস্যা এ শিল্পে বিদ্যমানঃ অবকাঠামোগত দূর্বলতাঃ অবকাঠামো গত দিক থেকে এ খাতের রয়েছে যথেষ্ট দুর্বলতা। এদেশের পরিবহ ব্যবস্থা মান্ধাতার আমলের।তাছাড়া যোগাযোগ ব্যবস্থা অত্যন্ত দুর্বল। উন্নত সেবা ও তথ্যের অভাবঃ বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পের বিকাশে উন্নত সেবা ও তথ্যের অনেক অভাব রয়েছে।এখানে দক্ষ, শিক্ষিত ও মার্জিত জনবলের যেমন অভাব রয়েছে তেমনি অভাব রয়েছে দ্রুত তথ্য সেবা প্রাপ্তির ম রাজনৈতিক অস্থিরতাঃ রাজনৈতিক অস্থিরতা পর্যটন শিল্পের বিকাশে বড় বাধা।১৯৭১ সালের যুদ্ধ পরবর্তীকাল থেকে আরম্ভ করে অদ্যাবধি গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি গড়ে উঠে নি।হরতাল ও ভাঙচুর লেগেই আছে। সামাজিক সমস্যাঃ বিদেশি পর্যটকদের আমাদের দেশের অনেকেই সহযভাবে নিতে পারে না।ফলে নেতিবাচক মনোভাব সৃষ্টি হয়। আশার কথা, উপরোক্ত সমস্যাদি কাটিয়ে পর্যটন শিল্প গত এক দশকে অনেক এগিয়েছে এবং সামনে আরো ভাল করবে।

আর্থিক মজুরি ও প্রকৃত মজুরির মধ্যে পার্থক্য লেখ-

আর্থিক মজুরি ও প্রকৃত মজুরির মধ্যে পার্থক্যগুলো নিম্নে উল্লেখ করা হলো- আর্থিক মজুরি ও প্রকৃত মজুরি ১. নির্দিষ্ট সময় বা কাজের ভিত্তিতে একজন শ্রমিক পারিশ্রমিক হিসেবে যে পরিমাণ অর্থ পায় তাকে আর্থিক মজুরি বলে। অন্যদিকে, শ্রমিক তার আর্থিক মজুরি দ্বারা যে পরিমাণ দ্রব্য ও সেবা ক্রয় করতে পারে এবং কর্মক্ষেত্র হতে প্রাপ্ত অন্যান্য সুযোগ সুবিধার সমষ্টিকে প্রকৃত মজুরি বলে। ২. আর্থিক মজুরিকে W দ্বারা প্রকাশ করা হয়। কিন্তু প্রকৃত মজুরিকে W/P+F দ্বারা প্রকাশ করা হয়। ৩. আর্থিক মজুরি অর্থের মাধ্যমে পরিমাপ করা হয়। আর, প্রকৃত মজুরি পরিমাপ করা হয় আর্থিক মজুরি দ্বারা,ক্রয়যোগ্য দ্রব্য ও সেবা এবং আনুসঙ্গিক সুযোগ সুবিধা দ্বারা। ৪. আর্থিক মজুরি সাধারণত দামস্তর দ্বারা প্রভাবিত হয় না। পক্ষান্তরে, প্রকৃত মজুরি দামস্তর দ্বারা প্রভাবিত হয়। ৫. আর্থিক মজুরি দ্বারা শ্রমিকেরা কাজের প্রতি আকৃষ্ট হয় না। প্রকৃত মজুরি দ্বারা শ্রমিক কাজের প্রতি আকৃষ্ট হয়। ৬. আর্থিক মজুরি হিসাব সহজ। প্রকৃত মজুরি হিসাব করা কঠিন। ৭. আর্থিক মজুরির উপর শ্রমিকের জীবনযাত্রার মান নির্ভর করে না। প্রকৃত মজুরির উপর শ্রমিকের জীবন য...

চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের প্রধান বৈশিষ্ঠগুলো লিখ।

চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের প্রধান বৈশিষ্ট নিম্নে দেয়া হল - ১. জমিদার গণ বংশানুক্রমিক স্থায়ী ও একচ্ছত্র জমির মালিক হবে।এ নিজস্ব জমি তারা যথেচ্ছ ভাবে ব্যবহার বা হস্তান্তর করতে পারবে এবং এতে সরকারি অনুমতির প্রয়োজন হবে না। ২. এ বন্দোবস্তে নিয়ম করা হয় যে, জমির খাজনা চিরস্থায়ী ভাবে এবং একবারই নির্ধারিত হবে। ৩. রায়তগণ হবেন জমিদারদের অধিনস্থ প্রজা। তবে আইনে রায়তদের প্রতি সু ব্যবহার এবং রায়তের সাথে সু সম্পর্ক স্থাপনের জন্য জমিদারদের প্রতি আহবান জানানো হয়।  ৪. প্রজার সাথে তাদের দায়িত্ব অধিকার নির্ধারণে সরকারের কোন সম্মতি নিতে হবে না। ৫. চিরস্থায়ী বন্দোবস্তে বিচার, পুলিশ ও শুল্ক আদায় সংক্রান্ত ক্ষমতা জমিদারদের হাতে না থেকে সরকারের হাতে ন্যস্ত থাকবে। চিরস্থায়ী বন্দোবস্তঃ  ১৭৯৩ সালে কর্নওয়ালিস প্রশাসন কর্তৃক ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি  সরকার ও বাংলার ভূমি মালিকদের (সকল শ্রেণির জমিদার   ও স্বতন্ত্র তালুকদারদের) মধ্যে সম্পাদিত একটি স্থায়ী চুক্তি। এর প্রবক্তা লর্ড কর্নওয়ালিস।  এ চুক্তির আওতায় জমিদার ঔপনিবেশিক রাষ্ট্রব্যবস্থায় ভূ-সম্পত্তির নিরঙ্কুশ স্বত্ব...