Skip to main content

সাজেশন । প্রাচ্যের রাষ্ট্রচিন্তা । রাষ্ট্রবিজ্ঞান ২য় বর্ষ

অনার্স ২য় বর্ষ, বিভাগ রাষ্ট্রবিজ্ঞান

বিষয়: প্রাচ্যের রাষ্ট্রচিন্তা
সাজেশন
বিষয় কোড: ২২১৯০৭

 

ক. বিভাগ: সংক্ষিপ্ত প্রশ্নবলি ও উত্তর

সাজেশন  ।   প্রাচ্যের রাষ্ট্রচিন্তা   ।  রাষ্ট্রবিজ্ঞান ২য় বর্ষ



১. প্রাচ্যের রাষ্ট্রচিন্তার দুটি বৈশিষ্ট্য লেখ।
উত্তর: প্রাচ্যের রাষ্ট্রচিন্তার দুটি বৈশিষ্ট্য হল: ১. নৈতিকতা প্রাধান্য ও ২. আদর্শবাদের প্রাধান্য।

২. রাষ্ট্রের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান কোনটি?
উত্তর: রাষ্ট্রের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান সার্বভৌমত্ব।

৩. ইসলাম অর্থ কী?
উত্তর: ইসলাম অর্থ আনুগত্য করা।

৪. ইসলামি রাষ্ট্যে কার সার্বভৌমত্ব স্বীকৃত?
উত্তর: ইসলামি রাষ্ট্যে আল্লাহ তায়ালার সার্বভৌমত্ব স্বীকৃত।

৫. খারাজ কী?
উত্তর: অমুসলিমদের মালিকানা ভোগদখলকৃত জমি থেকে যে রাজস্ব আদায় করা হয় তাই খারাজ।

৬. সামাজি সুবিচার অর্থ কী?
উত্তর: সামাজিক সুবিচার হলো এমন এক আদর্শ যেখানে একটি সমাজের সব সদস্যের সমান মৌলিক অধিকার, নিরাপত্তা, সুযোগ, বাধ্যবাধকতা এবং সামাজিক সুবিধাদি রয়েছে।

৭. কৌটিল্যের মতে ‘ত্রিবর্গ’ কী?
উত্তর: কৌটিল্যের মতে ‘ত্রিবর্গ’ হলো- ১. ধর্ম (গুণাবলি), ২. অর্থ ধন সম্পদ, ও ৩. কাম (ভোগ) অর্জন করা।

৮. কৌটিল্যের বিখ্যাত গ্রন্থের নাম কী?
উত্তর: কৌটিল্যের বিখ্যাত গ্রন্থের নাম অর্থশাস্ত্র।

৯. ‘আইন-ই- আকবরি’ গ্রন্তের লেখক কে?
উত্তর: ‘আইন-ই- আকবরি’ গ্রন্তের লেখক আবুল ফজল।

১০. ‘আকবরনামা’ কার লেখা গ্রন্থ?
উত্তর: ‘আকবরনামা’ আবুল ফজলের লেখা গ্রন্থ।

১১. কনফুসিয়াস কে ছিলেন?
উত্তর: চীনা জীবনদর্শন ও সংস্কৃতির সবচেয়ে প্রভাবশালী মনীষী, বিখ্যাত দার্শনিক ও রাষ্ট্রচিন্তাবিদ।

১২. তাওদের বিখ্যাত পঞ্চশীলা নীতি কী কী?
উত্তর: তাওদের বিখ্যাত পঞ্চশীলা নীতি সমূহ হল- ক. চুরি নয়, খ. হত্যা নয়, গ. মদ নয়, ঘ. মিথ্যা নয় এবং ঙ. ব্যাভিচার নয়।

১৩. তাওবাদীদের মূল ধর্ম গ্রন্থের নাম কী?
উত্তর: তাওবাদীদের মূল ধর্ম গ্রন্থের নাম হল:- (Tao Tang)।

১৪. আল ফারাবির জন্মস্থান কোথায়?
উত্তর: ৮৭০ খ্রিষ্টাব্দে তুর্কিস্তানের আল ফারাব প্রদেশের ওয়াজিস (Wajis) নামক স্থানে জন্মগ্রহণ করেন।

১৫. কাকে এরিস্টটলের শ্রেষ্ঠ ভাষ্যকার বলে গণ্য করা হয়?
উত্তর: ইবনে রুশদকে এরিস্টটলের শ্রেষ্ঠ ভাষ্যকার বলে গণ্য করা হয়।

১৬. ইবনে রুশদের মতে আদর্শ রাষ্ট্য কোনটি?
উত্তর: ইবনে রুশদের মতে, হযরত মুহাম্মদ (সা.) এবং পরবর্তীতে খোলাফায়ে রাশেদীন অনুসৃত শরিয়ার বিধানবিত্তিক রাষ্ট্যই আদর্শ রাষ্ট্য।

১৭. ইবনে খালদুন রচিত গ্রন্থটির নাম কী?
উত্তর: ইবনে খালদুন রচিত গ্রন্থটির নাম ‘মুকাদ্দিমা’।

১৮. আসাবিয়া কী?
উত্তর: মধ্যযুগীয় দার্শনিক ইবনে খালদুনের মতে, গোষ্ঠী সংহতির ধারণাই হচ্ছে আসাবিয়া।

১৯. ‘আসাবিয়া’ প্রত্যয়টির অর্থ কী?
উত্তর: ‘আসাবিয়া’ প্রত্যয়টির অর্থ হলো সামাজিক সংহতি।

২০. ইমাম গাজালির উপাধি কী ছিল?
উত্তর: ইমাম গাজালির উপাধি ছিল হুজ্জাতুল ইসলাম।

২১. কত সালে, কোথায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর জন্মগ্রহণ করেন?
উত্তর: ১৮৬১ সালের ৭ মে কলকাতার জোড়াসাঁকোর বিখ্যাত ঠাকুর পরিবারে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর জন্মগ্রহণ করেন।

২২. মাহাত্মা গান্ধীর পুরো নাম কী?
উত্তর: মাহাত্মা গান্ধীর পুরো নাম হল মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী।

২৩. মাহাত্মা গান্ধী কোথায় প্রথম তার রাজনীতি শুরু করেন?
উত্তর: মাহাত্মা গান্ধী দক্ষিণ আফ্রিকায় প্রথম তার রাজনীতি শুরু করেন।

২৪. ভারত ছাড় আন্দোলন শুরু করেন কে?
উত্তর: ভারত ছাড় আন্দোলন শুরু করেন মাহাত্মা গান্ধী’।

২৫. Society is a creation of Man. – উক্তিটি কার?
উত্তর: Society is a creation of Man – উক্তিটি মানবেন্দ্রনাথ রায়ের।

২৬. মুজফফর আহমদ কবে, কোথায় জন্মগ্রহণ করেন?
উত্তর: মুজফফর আহমদ ১৮৮৯ সালের ৫ আগস্ট সন্দীপের মুসাপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।

২৭. কত সালে মাওলানা ভাসানীর নেতৃত্বে আওয়ামি মুসলিম লীগ গঠিত হয়?
উত্তর: ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন সালে মাওলানা ভাসানীর নেতৃত্বে আওয়ামি মুসলিম লীগ গঠিত হয়।

২৮. ‘অসামাপ্ত আত্মজীবনী ’ গ্রন্থের লেখক কে?
উত্তর: ‘অসামাপ্ত আত্মজীবনী ’ গ্রন্থের লেখক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

২৯. ১৯৭০ এর নির্বাচন পরবর্তী সময়কালের অসহযোগ আন্দোলন চলাকালে বাঙালির ‘মুকুটবিহীন সম্রাট’ এ পরিণত হন কে?
উত্তর: ১৯৭০ এর নির্বাচন পরবর্তী সময়কালের অসহযোগ আন্দোলন চলাকালে বাঙালির ‘মুকুটবিহীন সম্রাট’ এ পরিণত হন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

৩০. কোন সংশোধনীতে জাতির পিতার প্রতিকৃতি প্রতিস্থাপিত করার কথা বলা হয়েছে?
উত্তর: পঞ্চদশ সংশোধনীতে জাতির পিতার প্রতিকৃতি প্রতিস্থাপিত করার কথা বলা হয়েছে।


খ বিভাগ: সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন

১. ইসলামি রাষ্ট্রের সংজ্ঞা দাও।

২. ইসলামি রাষ্ট্রের বৈশিষ্ট্যসমূ কী?

৩. ইসলামি রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব আলোচনা কর।

৪. সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদ দমনে ইসলামের শিক্ষা আলোচনা কর।

৫. পাশ্চাত্য রাষ্ট্রচিন্তা ও প্রাচ্যের রাষ্ট্রচিন্তার মধ্যে পাথর্ক্য সংক্ষেপে আলোচনা কর।

৬. কৌটিল্যের ‘অর্থশাস্ত্র’ সম্পর্কে লেখ।

৭. কৌটিল্যের মতানুসারে ‘ত্রিবর্গ’ কী?

৮. কনফুসিয়ানিজম কী?

৯. কনফুসিয়াসের রাষ্ট্রদর্শন সংক্ষেপে আলোচনা কর।

১০. তাওবাদী নীতি অনুযায়ী পঞ্চশীলাসমূহ কী?

১১. আল-ফারাবীকে দ্বিতীয় শিক্ষক বলা হয় কেন?

১২. রাজনীতি সম্পর্কে আল-ফারাবীর মত কী?

১৩. ইবনে রুশদের রাষ্ট্রদর্শনের বর্ণনা দাও।

১৪. রাষ্ট্রের উত্থান-পতন সম্পর্কে ইবনে খালদুনের ধারণা ব্যাখ্যা কর।

১৫. ইমাম গাজ্জালীর মতানুসারে শাসকের দৈনন্দিন জীবন সম্পর্কে আলোচনা কর।

১৬. মহাত্মা গান্ধীর অহিংস ও অসহযোগ রাজনীতি সম্পর্কে কী জান?

১৭. সমাজতন্ত্র সম্পর্কে মাওলানা ভাসানীর মতামত ব্যাখ্যা কর।

১৮. মাওলানা ভাসানীকে কেন মজলুম জননেতা বলা হয়?

১৯. ১৯৬৬ সালের ৬ দফা লেখ।

২০. ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ সম্পর্কে সংক্ষেপে লেখ।


গ বিভাগ: রচনামূলক প্রশ্ন

১. ইসলামী রাষ্ট্রের বুনিয়াদি নীতিমালা আলোচনা কর।

২. পাশ্চাত্যের রাষ্ট্রচিন্তা ও প্রাচ্যের রাষ্ট্রচিন্তার মধ্যে পার্থক্য আলোচনা কর।

৩. আবুল ফজলেরর রাজনৈতিক চিন্তাধারা আলোচনা কর।

৪. সামাজিক সুবিচার প্রসঙ্গে ইসলামের ধারণা ব্যাখ্যা কর।

৫. ‘মধ্যযুগ ছিল মূলত অরাজনৈতিক’ – উক্তিটি ব্যাখ্যা কর।

৬. কৌটিল্যের রাষ্ট্রদর্শন আলোচনা কর।

৭. কৌটিল্যের অর্থশাস্ত্র সম্পর্কে আলোচনা কর।

৮. তাওবাদ কী? তাওবাদের বৈশিষ্ট্যসমূহ আলোচনা কর।

৯. তাওবাদ ও কনফুসিয়ানিজম এর মধ্যে তুলনামূলক আলোচনা কর।

১০. আল-ফারাবীকে দ্বিতীয় শিক্ষক বলার কারণ কী? বিশ্লেষণ কর।

১১. ইবনে খালদুনের ‘আসাবিয়া’ বা গোষ্ঠীর সংহতি তত্ত্বটি ব্যাখ্যা কর।

১২. রাষ্ট্রচিন্তায় ইমাম গাজ্জালীল অবদান আলোচনা কর।

১৩. নয়া মানবতাবাদের মূল সূত্রসমূহ কী কী? কার্ল মার্কসের মতবাদ ও এমএন রায়ের ‘র‌্যাডিকাল হিউম্যানিজম’ এর ওপর একটি তুলনামূলক আলোচনা পেশ কর।

১৪. মহাত্মা গান্ধীর অহিংস ও অসহযোগ আন্দোলন সম্পর্কে লেখ।

১৫. ইমাম গাজ্জালীর মতে একজন যোগ্য শাসকের গুণাবলী আলোচনা কর।

১৬. ভারতে কমিউনিস্ট মতবাদ বিস্তারে মুজাফফর আহমদের অবদান লেখ।

১৭. মাওলানা ভাসানীর রাজনৈতিক চিন্তাধারা আলোচনা কর।

১৮. বঙ্গবন্ধু শেখ বুজিবুর রহমানের রাজনৈতিক চিন্তাধারা বিশ্লেষণ কর।

১৯. স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ে বঙ্গবন্ধুর অবদান মূল্যায়ন কর।


Comments

Popular posts from this blog

রাজনীতি অধ্যয়নে গতানুগতিক পদ্ধতি ও আধুনিক পদ্ধতির পার্থক্য

গতানুগতিক ও আধুনিক পদ্ধতির পার্থক্য :  রাজনীতি বিশ্লেষণে গতানুগতিক ও আধুনিক পদ্ধতির মধ্যে পার্থক্য আলােচনা করা হলাে :   ১, রাজনীতির সংজ্ঞা ও প্রকৃতিগত পার্থক্য : গতানুগতিক পদ্ধতির অনুসারিগণ রাজনীতির সংজ্ঞা ও প্রকৃতি নির্ধারণ করেছেন রাষ্ট্র, সরকার ও সার্বভৌমত্ব ইত্যাদির নিরিখে । তাদের সংজ্ঞা ছিল খুবই সংকীর্ণ। অন্যদিকে, আধুনিক পদ্ধতির অনুসারিগণ রাজনৈতিক ক্ষমতা, কর্তত্ব, প্রভাব এবং বিরোধের প্রেক্ষাপটে সংজ্ঞায়িত করার প্রয়াস করেছেন। আধুনিক সংজ্ঞায় রাজনীতির পরিধি ব্যাপক ও বিস্তৃত। সুতরাং রাজনীতির সংজ্ঞা ও প্রকৃতিগত দিক থেকে উভয় পদ্ধতির মধ্যে 'পার্থক্য লক্ষণীয়। ২, উদ্দেশাগত পার্থক্যঃ গতানুগতিক পদ্ধতির উদ্দেশ্য ছিল আদর্শ রাজনৈতিক জীবনের অনুসন্ধান করা। কোনটি মহৎ এবং আদর্শরূপ তাই তখন অনুসন্ধান করা হতাে। কিন্তু আধুনিক পদ্ধতির লক্ষ্য হলাে বাস্তবভিত্তিক ঘটনার উপস্থাপন। এখানে অভিজ্ঞতালব্ধ ও প্রয়োগযোগ্য তত্ত্ব গঠনের লক্ষ্যে রাজনৈতিক অনুসন্ধান কার্য পরিচালিত হয়। ৩. পদ্ধতিগত পার্থক্য : গতানুগতিক অধ্যয়ন পদ্ধতির ক্ষেত্রে পদ্ধতি হিসেবে ব্যবহৃত হতাে দার্শনিক, ঐতিহাসিক, অবরােহমূলক, ত...

এলিট বলতে কী বুঝ? মসকা ও প্যারেটোর এলিট তত্নের একটি তুলনামূলক আলােচনা তুলে ধর।

এলিট (Elite) : এটি শটির আভিধানিক অর্থ হলাে উৎকৃষ্ট শ্রেণির ব্যাক্তিবর্গ। সাধারণত এলিট বলতে সমাজের সেসব ব্যাক্তিবর্গকে বুঝায় যারা সমাজে এখন বিশেষ স্থান দখল করে মানসম্মান ও প্রভাব প্রতিপত্তি বিস্তার করে বসবাস করেন। প্রামান্য সংজ্ঞা : বিভিন্ন চিন্তাবিদ ও দার্শনিক বিভিন্নভাবে এলিটদের সংজ্ঞা প্রদান কৰোছেন। নিম্নে তাদের কতিপয় সংজ্ঞা উপস্থাপন করা হলাে। T, B Battomore এর মতে, “সমাজে উচ্চ মর্যাদাসম্পন্ন যে কোন বৃত্তিমূলক বিশেষ করে পেশাভিত্তিক গৌষ্টিই এলিট। H,D Lasswell বলেছেন, “যে কোন সুবিধা লাভের অধিকাংশ উপভােগকারী কতিপয় ব্যক্তি এলিট, আর অবশিষ্টরা হচ্ছে সাধারণ লােক।” Robert Michels বলেছেন, “সকল রাজনৈতিক দলে নেতৃত্ব প্রদান করে কতিপয় ব্যক্তি, এ কতিপয় ব্যক্তিই হলেন এলিট। C. W. Mills , "Who decide whatever is decided if major consequence." মসকা ও প্যারেটোর এলিট তত্নের একটি তুলনামূলক আলােচনা সমাজ ও রাজনীতি বিশ্লেষণের তত্ত্ব হিসেবে এলিট তত্ত্ব একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে আছে এবং এ তত্ত্বের জনপ্রিয়তা উত্তরােত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে। উনবিংশ শতাব্দীর শেষে এবং বিংশ শতাব্দীর প্রথমভাগে...

শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়নের গুরুত্ব বা প্রয়ােজনীয়তা

শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়নের গুরুত্ব অপরিসীম। সমাজবিজ্ঞানের একটি নতুন বিষয়ের অন্তর্ভুক্ত হলেও শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়ন এর গুরুত্ব পৃথিবীর অনেক দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি পাঠ্যবিষয় হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, ইংল্যান্ড, ভারত ও বাংলাদেশের অনেক বিশ্ববিদ্যালয়েও এর স্বীকৃতির পরিচয় পাওয়া। যায়। ক্রমাগত বিষয়টির গুরুত্ব বাড়ছে এবং এটি একটি একাডেমিক বিষয় হিসেবে প্রতিষ্ঠিত। শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়নের গুরুত্ব : শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়ন একদিকে যেমন শান্তির ধারণা সম্পর্কে তথ্য দেয়। অন্যদিকে তা সংঘর্ষ বিষয়ক নানা তথ্য প্রদান করে থাকে। নিম্নে শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়নের গুরুত্ব আলােচনা করা হলাে : ১ . ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের মধ্যে শান্তি স্থাপন করে : শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়ন বিভিন্ন ব্যক্তির মধ্যে শান্তির সম্পর্ক ব্যক্তিগত শান্তি, প্রতিবেশীর মধ্যে শান্তি, আন্তঃগােষ্ঠীর মধ্যে শান্তি, বৈবাহিক শান্তি, রাষ্ট্র ও সভ্যতার মধ্যে কিভাবে শান্তি অর্জন করা যায় সে সম্পর্কে আলােচনা করে। এ আলােচনা পর্যালােচনা মানবসমাজের প্রভূত উপকার সাধন করে। ২. মূল্যবােধের উপর গুরুত্ব প্রদা...